× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২১, রবিবার , ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

চরফ্যাশনে বিদ্যালয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

বাংলারজমিন

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি
১৬ অক্টোবর ২০২১, শনিবার

চরফ্যাশনের জাহানপুর ১৯৯নং পশ্চিম ওমরাবাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগে এলাকাবাসীর পক্ষে ইউপি মেম্বার মো. রাসেল বাদী হয়ে বরিশাল বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। তা আবার সদয় অবগতির জন্য ভোলা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে অনুলিপি প্রেরণ করেন।
জানা গেছে, ১৯৮৫ সালে বেসরকারিভাবে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হলেও এখনো অনিয়মের মধ্যে রয়েছে। ২০১৩ সালে বিদ্যালয়টি সরকারিকরণ করা হলেও থেমে থাকেনি প্রধান শিক্ষক অহিদুর রহমান ও ম্যানেজিং কমিটির তৎকালীন সভাপতি হাজি জলিল অনিয়ম ও দুর্নীতির কার্যক্রম। গড়ে তোলে অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়। অনিয়মগুলো হচ্ছে প্রতিবছরের সিলিপের টাকা আত্মসাৎ, ছাত্রছাত্রীদের বরাদ্দকৃত বিস্কুট লোপাট, বিদ্যালয়ের নামে  অধিগ্রহণকৃত জমি বেদখলসহ নানা অনিয়ম। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে এলাকাবাসীর পক্ষে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রাছেল বাদী হয়ে এমন অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিদ্যালয়ের নামে ৫০ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি হয়। রেজিস্ট্রি হওয়ার পর থেকে অদ্যাবধি ওই জমি স্কুলের দখলে আসেনি। দলিলে উল্লেখ করা আছে খতিয়ানের ৪টি মাত্র দাগ। এসব দাগভুক্ত জমিতে স্কুলের ভবন নির্মাণ না করে প্রধান শিক্ষক ও তার আপন ভাই ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির যোগসাজশে নিজের পুকুর পাড়ে ভবনটি নির্মাণ করেন। প্রধান শিক্ষকের আপন ভাই ভাতিজি নিজস্ব লোক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সদস্য হওয়ার কারণে এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজের মনগড়াভাবে দলিলে উল্লেখিত জমিতে ভবনটি নির্মাণ না করে নিজ বাড়ির পুকুর পাড়ে ভবন নির্মাণ করে ইচ্ছামত জমি দখল করে লুটেপুটে খাচ্ছে। সরজমিন ঘুরে দেখা গেছে স্কুলের ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ১শ’ জন। অনিয়মের মাধ্যমে ২শ’ ছাত্রছাত্রী কাগজ কলমে সরকারের চোখ ফাঁকি দিয়ে সরকারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিশেষ করে বিস্কুট বরাদ্দ করে নেন। বরাদ্দকৃত বিস্কুট বিদ্যালয়ের ভবনের ছাদে নিয়ে প্রক্রিয়াজাত করে খামারের মুরগির জন্য প্রস্তুত করে আসছে। সত্যতা জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক অহিদুর রহমান জানান, শিক্ষা অফিসের স্যার এসে তদন্ত করেছে। স্কুলের সকল ফাইল কর্তৃপক্ষ সিজ করে নিয়ে গেছে। তদন্তানুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা যা হবার হবে। একটি কুচক্রী মহল আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেন। কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্থানীয় ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সালমা জাহান জানান, প্রধান শিক্ষক আমার ছোটবেলার শিক্ষক ও আমার আপন চাচা। তাই একটু ভুল-ত্রুটি হতেই পারে। অনেক বিষয় আছে আমার বলা সম্ভব হয় না। জমির দলিল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে সে জানায়, ৪টি দাগে জমির দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে সত্য, ভবনটি হয়েছে অন্য জায়গায়। তা আবার নামজারিও হয়নি। জাহানপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাজিম হাওলাদার বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে গেছে।  সে সময় কর্তৃপক্ষ আমাকে এই স্কুলের জমিটি সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করার জন্য দেড় মাসের সময় বেঁধে দেন। চরফ্যাসন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অহিদুল ইসলামকে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর