× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২১, রবিবার , ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদে মিলাদুন্নবীতে (সা:) জশনে জুলুস করা নিয়ে উত্তেজনা

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে
১৬ অক্টোবর ২০২১, শনিবার

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) পালনে জশনে জুলুস করা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ নিয়ে দানা বাঁধছে উত্তেজনা। গতকাল এ বিষয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে করোনাকালে এই তৎপরতা বন্ধ করার জন্যে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন জেলার শীর্ষ আলেম-ওলামারা। এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি যাতে না ঘটে সেদিকেও প্রশাসনকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তারা। গতকাল দুপুরে শহরের পশ্চিম মেড্ডায় দারুল আরকাম মাদ্রাসায় ওই সাংবাদিক সম্মেলনে কুমিল্লায় পবিত্র কোরআন শরীফ অবমাননার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়ারও দাবি জানান আলেম-ওলামারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি মুবারক উল্লাহ বলেন, ‘আগামী ২০শে অক্টোবর কতিপয় বিদাআত বিশ্বাসী লোকজন তথাকথিত জশনে জুলুস করতে যাচ্ছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের এক ব্যক্তি ঈদে মিলাদুন্নবীর নামে জশনে জুলুস আবিষ্কার করেন। মুসলমানদের ঈমান আক্বিদাহ বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে এই জশনে জুলুস পাকিস্তান থেকে আমদানি করা হয়েছে’। ‘জশনে জুলুস যেহেতু ইসলামের আলোকে শরীয়ত সম্মত নয়, তাই করোনাকালীন সময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জশনে জুলুস যেন কেউ না করতে পারে; সেজন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।
জশনে জুলুসের নামে কেউ যেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিও আহ্বান জানাচ্ছি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আলেমগণ ও তৌহিদী জনতা অপ-পরিকল্পনাকারীদের ব্যাপারে সোচ্চার আছেন’। লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা হাক্কানী আলেম-ওলামাদের স্মৃতিধন্য পুণ্যভূমি। ফখরে বাঙ্গাল তাজুল ইসলাম (রহ.), বড় হুজুর সিরাজুল ইসলাম (রহ.) ও মুফতি নুরুল্লাহ তাদের অন্যতম। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে এখানকার মুসলমানগণ ইসলামের নামে নিত্য নতুন কুসংস্কার ও বিদআতে লিপ্ত হয়নি কখনো। তারা কোরআন, হাদিস মেনে ধর্মীয় এবাদত-বন্দেগী করে যাচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন দারুল আরকাম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সাজিদুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা তাজ মো. ইয়াছিন, মাওলানা আলী আযম ও মুফতি এনামুল হাসান প্রমুখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর