× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২১, রবিবার , ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

সিলেটের মেয়র আরিফুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ লন্ডনে সংবাদ সম্মেলন

দেশ বিদেশ

খালেদ মাসুদ রনি, লন্ডন থেকে
২০ অক্টোবর ২০২১, বুধবার

সিলেট সিটি করপোরেশনে মেয়র আরিফুল হকের বিরুদ্ধে লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় হোয়াইটচ্যাপলের মাইদা গ্রিল রেস্টুরেন্টে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন প্রবাসী আনিসুল হক। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশের সিলেট নগরীর বাসিন্দা।  সোবহানিঘাট এলাকায় আমার পিতা আরকান আলী ১৯৮২ সালে গুল  মোহাম্মদ ও আব্দুর রহিম নামে দুই ব্যক্তির কাছ থেকে ২৪ শতক জায়গা ক্রয় করেন। ক্রয় করার পর থেকে জায়গাটি আমরা ভোগদখল করে আসছি। পরে মালিকানার কাগজপত্র দিয়ে আমরা সিটি করপোরেশনের অনুমতিক্রমে ক্রয়কৃত জমিতে দোকান নির্মাণ করি। স্থাপনার কাজ শেষ হলে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়া হয়। আমাদের মালিক মেনেই ২০২০ সালের ২৭শে জুলাই সিলেট সিটি করপোরেশন  হোল্ডিং বিবরণী (হোল্ডিং নং-২৩১০/২)  প্রেরণ করার জন্য নোটিশ প্রদান করে।  নোটিশে মেয়র আরিফুল হকের স্বাক্ষর ছিল।
নোটিশ পাওয়ার পর আমার পরিবারের পক্ষ থেকে যথানিয়মে ট্যাক্স প্রদান করি।
আনিসুল হক আরও বলেন, আমরা প্রবাসে থাকায় জমির বিষয়ে তেমন  খোঁজখবর রাখা সম্ভব হয়নি। যার ফলে জমির নামজারি না হওয়ায় ২০০২ সালে আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে সিলেট জজ কোর্টে একটি মামলা করি। মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় এবং জায়গা আমাদের দখলে থাকার পর নোটিশ ছাড়াই গত ১৫ই আগস্ট মেয়র আরিফুল হকের নেতৃত্বে ও উপস্থিতিতে  জোরপূর্বক দখল করা হয়। শুধু দখল নয়, ঘরবাড়িসহ সকল স্থাপনা ভেঙে  ফেলা হয়। মামলা চলমান থাকার পরও তিনি বলেছেন, আদালতের রায়ে জমিটি দখল নিয়েছেন। কিন্তু এ সংক্রান্ত কোনো কাগজ দেখাতে পারেননি। তিনি বলেছেন, আদালতে বিচারাধীন তাই কাগজ দেয়া যাবে না। পরে আমরা তথ্য অধিকার আইনে কাগজ দাবি করলেও তা দিতে অস্বীকার করেন। আদালতে বিচারাধীন থাকায় কাগজ দিতে পারছেন না তাহলে জায়গা দখল কীভাবে করলেন মেয়র? কাগজ যাচাই না করে  মেয়র যা করেছেন, তা আদালত অবমাননার শামিল। সিটি করপোরেশনের কাজ হলো নাগরিকদের  সেবা দেয়া, কিন্তু তারা এখন দখলদার হয়ে উঠেছে। মেয়রের বক্তব্যে আমরা হতাশ, ক্ষুব্ধ। আমার অসহায় পরিবারের চাওয়া আদালতের সিদ্ধান্তের আগ পর্যন্ত আমরা যেন নাগরিক অধিকার সম্মানটুকু পাই। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ক্রয় সূত্রে জায়গার মালিক দাবি করা মরহুম আরকান আলীর ছেলে আনিসুল হক ও  মেয়ে আবিদা সুলতানা। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সাইদুর রহমান সাঈদ ও সামছুর রহমান মাতাব প্রমুখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
neutral and suferrer
২০ অক্টোবর ২০২১, বুধবার, ৭:২৩

Ariful Haque and Quader Miza are the mayor of Sylhet and basurhat, Noakhali. These peoples think that the people who live in the foreign county are unsmart and they (e.g. Quader Mirza, Ariful) are the smart people. So they occupied many foreign people land, wealth. There are many foreign peoples are suffering because they are losing their land in Bangladesh. Those lands are owned by foreign people and inherited by the family. The so called leaders/peoples (e.g. Quader Mirza, Ariful) who is occupying other people's lands should be prosecuted by law immediately.

অন্যান্য খবর