× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার , ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

বাস্তব ঘটনা নিয়ে মার্সেল এসি’র ওভিসি

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) অক্টোবর ২১, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৯:১৩ অপরাহ্ন

বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে অনলাইন ভিডিও কমার্সিয়াল বা ওভিসি শুটিং করেছে দেশের জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড মার্সেল। ওভিসিটি তৈরি করেছে মার্সেলের এয়ার কন্ডিশনার বা এসি বিভাগ।

ইচ্ছে হলে একটি টিনের ঘরেও এসি ইন্সটল করা যায়! টিন শেড ঘরে চালানো যায় এসি। ঠিক তাই। এমনটিই ঘটেছে পাবনা সদরের চরতারাপুর ইউনিয়নের চা বিক্রেতা চা আলমের (আলম সরকার) ক্ষেত্রে। চা আলম খ্যাত এই আলম সরকারের এসি কেনার শখ এবং টিনের ঘরে কিভাবে এসি চালানো যায় এসবই তুলে ধরা হয় ওভিসিতে।

দর্শকদের জন্য মজার ব্যাপার আছে আরো। চা আলম নিজেই অভিনয় করেছেন এই ওভিসিতে। ফলে অন্য কোনো অভিনয় শিল্পী দরকার হয়নি মার্সেলের। গ্রাম্য একজন চা বিক্রেতার এমন দারুন ও সুনিপুন অভিনয় মন কাড়বে দর্শকদের।

মার্সেল এসির ব্র্যান্ড ম্যানেজার খলিলুর রহমান জানান, ‘ইনফোল্ড ইস্টুডিও’-এর তত্ত্বাবধানে নির্মিত হয় ওভিসিটি। পরিচালনায় ছিলেন লাবিব নাজমুস সাকিব। ওভিসিতে সিনেমাটোগ্রাফার হিসেবে কাজ করেছেন হাসনাত সোহান। গল্পটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে চিত্রনায়ক আমিন খানের লেখা ও সম্পাদনায়। ওভিসিটি শিগগিরই দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। দেখা যাবে মার্সেলের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে।

দুই মেয়ে ও এক ছেলেসহ ৫ সদস্যের পরিবার তার। তারাবারিয়া গ্রামে পরিবার নিয়ে বাস করেন তিনি। হাটে-বাজারে চা বিক্রি করেই চলে সংসার। ১৫ বছর ধরে এই পেশায় আছেন। আলম জানান, তিনি শুধু বড়লোকের ঘরেই এসির ব্যবহার দেখেছেন। সেখান থেকেই তার শখ হয় একটি এসি কেনার। কিন্তু এতো টাকা কোথায় পাবেন তিনি? তার মধ্যে ঘর আবার টিনের। টিন শেডের ঘরে এসি লাগানো কি সম্ভব? এসব কিছু তার জানা ছিলো না। তবে স্থানীয় মার্সেল শোরুমে গেলেই সব চিন্তা দূর হয় তার।

মার্সেলের ওভিসিতে অভিনয় করা নিয়ে আলম জানান, তিনি কোনো দিন ভাবেননি এমন একটি কাজ তাকে দিয়ে হবে। মার্সেল কর্মকর্তাদের আন্তরিক সহায়তায় সম্ভব হয়েছে এটা। এর মাধ্যমে দেশের সবাই তাকে দেখবে এটাই তার কাছে আনন্দের বলে জানালেন তিনি।

ওভিসি পরিচালক লাবিব নাজমুস সাকিব বলেন, মার্সেল দেশীয় ব্র্যান্ড। মার্সেলের সঙ্গে কাজ করছি দীর্ঘ দিন ধরে। তাদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে দারুন অভিজ্ঞতা হয়েছে আমাদের। মার্সেলে কাজের পরিবেশ প্রশংসনীয়। এই ওভিসিতে একজন সাধারণ চা বিক্রেতার দৈনন্দিন জীবন ও কর্ম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। দেখানো হয়েছে একজন সাধারণ মানুষেরও স্বপ্ন থাকে। দৃঢ় ইচ্ছা থাকলে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা অসম্ভব নয়। ওভিসিটির কিছু অংশ শুটিং করা হয়েছে আলম সরকারের বাড়িতে। এ ছাড়া সুজানগর বাজার, খয়রান ও সাত বাড়িয়া এলাকাসহ কিছু মনোরম পরিবেশে হয়েছে ওভিসির শুটিং।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর