× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ১ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার , ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার
২৩ অক্টোবর ২০২১, শনিবার

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ক্ষমতার পরিবর্তন চাই। গণতন্ত্রের মধ্যদিয়ে আমরা জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। এটা একমাত্র সম্ভব হবে যখন জনগণ ঐক্যবদ্ধ হবে।
গতকাল বিকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ লেবার পার্টির ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘আধিপত্যবাদী আগ্রাসন ও ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন রুখে দাঁড়াও’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, জনগণের ঐক্য ছাড়া ফ্যাসিস্ট শাসককে সরানো সম্ভব হয় না। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে জনতার ঐক্যের মাধ্যমে এদের সরাতে পারি। এছাড়া আমাদের কোনো বিকল্প নেই।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, আমি মনে করি, ভয়াবহ এই ফ্যাসিস্ট সরকার শত চেষ্টা করেও জনগণের ঐক্য নষ্ট করতে পারেনি। আজকে পত্র-পত্রিকা বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বলেন, কোথাও এই সরকারের কোনো সমর্থক নেই। তাদের সমর্থক খুঁজে পাওয়া যাবে না। এমনকি একজন সাধারণ শ্রমজীবী মানুষকে যদি জিজ্ঞাসা করেন, সেও বলবে যে কত দ্রুত এই সরকার ক্ষমতা থেকে যাবে। কারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজ অনেকে আমার পাশে আছেন, যারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন করেছেন। ১৭৩ দিন হরতাল করেছেন। আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছেন। সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নির্বাচনের সময় যদি সরকার নিরপেক্ষ না থাকে, তাহলে জনগণের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটে না। নির্বাচন সুষ্ঠু হয় না। আজ সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার আওয়ামী লীগ বাতিল করে দিয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের এখন মূল সংকট হচ্ছে গণতন্ত্র। এটা ফিরিয়ে আনাই আমাদের চ্যালেঞ্জ। একটা ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক শক্তির লড়াই সহজ কাজ নয়। এই ধরনের শক্তির বিরুদ্ধে সব সময় অনেক ত্যাগ, রক্ত ও জীবন দিতে হয়েছে।
বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ফারুক রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাগপার একাংশের সভাপতি খন্দকার লৎফুর রহমান, বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান এডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, জাতীয় পার্টির (জাফর) মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন, লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এসএম ইউসুফ আলী, রামকৃষ্ণ সাহা, যুগ্ম-মহাসচিব হুমায়ুন কবির, আব্দুর রহমান খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক মেজবাউল ইসলাম, এডভোকেট জহুরা খাতুন জুঁইসহ আরও অনেকে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর