× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ৯ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার , ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

দুশ্চিন্তায় চন্দনাইশের সবজি চাষিরা

বাংলারজমিন

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
২৩ অক্টোবর ২০২১, শনিবার

গত ১৫ই অক্টোবর থেকে সরকারি হিসাবে শীতকালীন সবজির সময় শুরু হয়েছে। কিন্তু অনেক আগে থেকেই শীতকালীন সবজি উৎপাদন শুরু করেছেন দক্ষিণ চট্টগ্রামের চন্দনাইশের চাষিরা। ওই হিসেবে আগাম সবজি বিক্রিও শুরু করেছেন অনেকেই। ইতিমধ্যে পাইকারি বাজারে বিক্রি শুরু হয়েছে মুলা, বেগুন, বরবটি, মিষ্টি লাউ, বাংলা লাউ, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, শষা, ঢেঁড়স, ধনেপাতা, লালশাক, সরিষাশাক, লাউশাক এবং পালংশাক। তবে গত মৌসুমের চেয়ে চলতি মৌসুমে এবার অর্ধেক মূল্যে সবজি বিক্রি হচ্ছে। ফলে উৎপাদন খরচ তোলা নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন এখানকার চাষিরা।
স্থানীয় চাষিরা জানান, শীতকালীন সবজি শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও টমেটো বাজারে আসতে আরও ২৫ থেকে ৩০ দিন সময় লাগবে। চট্টগ্রাম শহরসহ আশেপাশের সবজির ঘাটতি মেটাতে বড় অবদান রাখে এখানকার নানা প্রজাতির সবজি।
গত ১৫ই অক্টোবরের পর থেকে রবি মৌসুম শুরু হওয়ায় চলতি মৌসুমে পুরো উপজেলার হিসাব এখনো করা সম্ভব হয়নি। তবে কত হেক্টর জমিতে এবার সবজির চাষ হচ্ছে মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা তথ্য সংগ্রহ করছেন বলে জানিয়েছেন চন্দনাইশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার। শঙ্খচরের সবজি চাষি আহমদ নবী বলেন, আমরা ভাদ্র মাসের শুরু থেকেই মুলা, বেগুন, বরবটি চাষ শুরু করি। এরপর কার্তিক মাসের শুরু থেকেই তা বাজারে বিক্রি করি। অধিক লাভের আশায় আগাম শীতকালীন সবজির চাষ করা হয়। এছাড়াও ফুলকপি ও বাঁধাকপির চারা আশ্বিন মাসের শেষের দিকে রোপণ শুরু করা হয়। আশ্বিন মাসের শেষের দিকে ও অগ্রহায়ণ মাসের শুরু থেকেই সকল প্রকার শীতকালীন সবজি বাজারে পুরোদমে বিক্রি করা হয়। ক্রেতারা জানান, দোহাজারী রেলওয়ে মাঠে, শঙ্খ তীরবর্তী দোহাজারী, বরকল বৈলতলী এলাকা থেকে নৌকা ও গাড়িযোগে চাষিরা নানা পদের শীতকালীন শাক-সবজি নিয়ে আসেন। তারা ট্রাক ও পিকআপসহ বিভিন্ন পরিবহনে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন বাজারে সবজি সরবরাহ করেন। রেলওয়ে মাঠে প্রতিদিন সবজির বাজার বসলেও শনিবার ও মঙ্গলবার বেশি সবজি আসে। ওইদিন চাষিরা ক্ষেত থেকে সবচেয়ে বেশি সবজি নিয়ে বাজারে আসেন। এখানে উৎপাদিত সবজি স্বাদেও অতুলনীয়। তাই শঙ্খচরের সবজির চাহিদা অন্যান্য এলাকা চেয়ে একটু বেশি। আবার অনেক সময় ভারী বর্ষণে ক্ষতির শিকার হন। চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন বড় সবজি বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ীরাই তাদের প্রধান গ্রাহক। গত মৌসুমের এ সময় এসব সবজি বিক্রি হয়েছে অন্তত দ্বিগুণ দামে। ওদিকে, এ অঞ্চলে এখনো হিমাগার স্থাপিত না হওয়ায় সবজি সংরক্ষণ করাও সম্ভব হয় না। ফলে যেকোনো দরে দিনের সবজি দিনেই বিক্রি করতে হয় চাষিদের।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর