× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ৫ ডিসেম্বর ২০২১, রবিবার , ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

তিস্তার পেটে ৪ শতাধিক বাড়ি খোলা আকাশের নিচে শতাধিক পরিবার

বাংলারজমিন

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) থেকে
২৩ অক্টোবর ২০২১, শনিবার

উজানে ঢলের স্রোতের টানে ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৪ শতাধিক বাড়িঘর তিস্তার পেটে। স্রোতের তীব্রতায় নিমেষেই গিলে যাচ্ছে সবকিছু। দিশাহারা তিস্তা পাড়ের মানুষ। সরানোর সুযোগ মিলছে না, তিস্তা ভাসিয়ে নিচ্ছে বাড়িঘর। খোলা আকাশের নিচে শতাধিক পরিবার। দেখা নেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তা বা জনপ্রতিনিধিদের। জানা গেছে, তিস্তা ব্যারাজের সবক’টি জলপাট খুলে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে উজান ঢলে হঠাৎ রাক্ষসী রূপ নেয় তিস্তা। হঠাৎ পানি বৃদ্ধির সঙ্গে তীব্র স্রোতের আঘাতে কুড়িগ্রামের চিলমারীর সীমান্ত মাদারীপাড়া, চর-মাদারীপাড়া, কারেন বাজারসহ কয়েকটি গ্রাম পড়ে ভাঙনের মুখে। স্রোতের টানে ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়ে গত বুধবার রাত থেকে প্রায় ২৪ ঘণ্টায় ইতিমধ্যে ৪ শতাধিক বাড়িঘরসহ কয়েকশ’ একর ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। ভেসে গেছে প্রায় ২০টি বাড়ি। ভাঙনের তীব্রতায় টিকছে না কিছুই। ভাঙনের তীব্রতায় মানুষজন বাড়িঘর সরানোর সুযোগটিও পাচ্ছে না। একটি ঘর সরাতে না সরাতে অপরটি ভেসে যাচ্ছে। হঠাৎ পানির তোড়ে ভাঙনে বাড়িঘর, ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে ভাঙনের শিকার পরিবারগুলো। ভাঙনের শিকার হয়ে সাইদুল, ফরিদুলসহ প্রায় শতাধিক পরিবার বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ভাঙনের তীব্রতা না কমায় আশপাশ গ্রামবাসীরাও ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন এবং অনেকে গাছপালা কেটে বাড়িঘর সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন। ভাঙনের শিকার শাহিনুর বলেন, তিনটি ঘর ছিল আমার, একটি ভেঙে নিতে পারলেও ২টি ভেসে গেছে। আক্ষেপ করে নাজমা বেগম বলেন, এখন পর্যন্ত ভাঙন ঠেকাতে কোনো উদ্যোগও নেয়া হলো না। এলাকার সচেতন মহল বলেন, দ্রুত ভাঙন ঠেকাতে না পারলে কয়েকটি গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য জহুরুল ইসলাম ও আঃ কুদ্দুস ভাঙনের তীব্রতা এবং ভাঙনের শিকার পরিবারগুলো মানবেতর জীবনযাপন করছেন স্বীকার করে বলেন, নদীতে এতো স্রোত আর ভাঙনের তীব্রতা এর আগে কখনো দেখি নাই। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, সরজমিন ঘুরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর