× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ৯ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার , ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

চলনবিলে সুতি ও চায়না দুয়ারী দিয়ে জলজ প্রাণী নিধন, হুমকির মুখে জীব-বৈচিত্র্য

বাংলারজমিন

চলনবিল (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
২৩ অক্টোবর ২০২১, শনিবার

চলনবিলের খাল ও নদীতে কারেন্ট জালের চেয়ে ভয়াবহ  অবৈধ সুতি ও চায়না দুয়ারী দিয়ে মাছ ও জলজ প্রাণী নিধনের কারণে পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে। সরজমিন জানা গেছে, চলনবিলের অভ্যন্তরীণ আত্রাই, নন্দকুজা, গুমানি, বাঙ্গালা, করতোয়া নদী, বিভিন্ন সড়কের খাল ও  বিলে অবৈধ সুতি ও  চায়না দুয়ারী জাল পেতে মাছ নিধন  উৎসবে মেতে উঠেছে জেলেরা। লোহার রিং এর সঙ্গে সূক্ষ্ম জালের সমন্বয়ে ৪০-৫০ ফুট দৈর্ঘ্যের  বিশেষ চায়না দুয়ারী জালে বিভিন্ন প্রকার মাছ ও কাঁকড়া, কুচে, শামুকসহ সমস্ত জলজ প্রাণী  আটকা পড়ায় এসব মাছ ও জলজ প্রাণীর বংশ বিস্তার বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। চলনবিলের তাড়াশ উপজেলার কুন্দইল গ্রামের কৃষক মো. আজিজুর রহমান জানান, মাছ আহরণের অন্যান্য মাধ্যমে ছোট ছোট পোনা মাছ আটকা পড়ে না। কিন্তু চায়না দুয়ারী জালে ছোট ছোট মাছ ও জলজ প্রাণী আটকা পড়ার ফলে পোনা মাছ সহ পরিবেশের উপকারী জলজ প্রাণী যেমন কাঁকড়া, শামুক, কুচেসহ বিভিন্ন প্রকার উপকারী জলজ প্রাণী নিধন হচ্ছে।
সরজমিন তাড়াশ উপজেলা মাকড়শোন গ্রামের বিলে ও মাধাইনগর ইউনিয়েেন নিমগাছি রাস্তার খালে চায়না দুয়ারীর জাল দিয়ে মাছ ধরতে দেখা যায়। এ সময় জেলেরা  গণমাধ্যমকর্মীদের দেখে জাল ও চায়না দুয়ারী জাল দ্রুত তুলে বস্তায় ভরে লুকিয়ে নিয়ে সেখান থেকে সটকে পড়ে। চলনবিলের মধ্যস্থলে অবস্থিত  কুন্দইল গুমানি নদীতে সুতি জাল পেতে মাছ নিধনে ব্যস্ত রয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা।
 
এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান ও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মো. নজরুল ইসলাম দৈনিক মানবজমিন প্রতিনিধিকে জানান, চায়না দুয়ারী ও সুতি জাল  মাছ ও জলজ প্রাণীর জন্য হুমকি ও ক্ষতিকর। চলনবিলের খালে ও নদীতে এই জাল পেতে মাছ ধরা মৎসজীবীদের বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করে এখনই বন্ধ করতে হবে। তিনি আরও জানান, ভয়াবহ এই চায়না জালে মাছ জলজ প্রাণীর শিকার বন্ধ না করা হলে মাছ ও বিভিন্ন উপকারী জলজ প্রাণীর বংশ বিস্তার ও পরিবেশ হুমকির মুখে পড়বে। তাড়াশ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মশগুল আজাদ বলেন, এসব চায়না দুয়ারী জাল ব্যবহারকারীদের ধরতে প্রশাসনের অভিযান চলমান রয়েছে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর