× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ১ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার , ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

বিআরটিএ’র রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পেয়েছে ১৯৬ গুণ বাড়েনি জনবল

বাংলারজমিন

প্রতীক ওমর, বগুড়া থেকে
২৫ অক্টোবর ২০২১, সোমবার

২০শে ডিসেম্বর ১৯৮৭ তারিখে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআরটিএ গঠিত হয় এবং ১৯৮৮ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যক্রম শুরু করে। বিআরটিএ গঠনের পর থেকে ক্রমাগত কাজ বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃদ্ধি পেয়েছে এ সেক্টর থেকে রাজস্ব আদায়। ১৯৮৭ সালে মোট ২৯১ জনবল নিয়ে এই দপ্তর যাত্রা শুরু করে। গঠনের সময় বিআরটিএ কর্তৃক রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ছিল ১৮ কোটি টাকা। বর্তমানে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে বিআরটিএ কর্তৃক সর্বমোট রাজস্ব আদায় করেছে ৩৫৪৩.৭৬ কোটি টাকা। এ সময়ের মধ্যে শুধুমাত্র এ খাত থেকে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১৯৬ গুণ। কর্মজজ্ঞ বৃদ্ধি পেলেও সে তুলনায় বাড়েনি জনবল। বতমানে সারা দেশে বিআরটিএ’র জনবল সংখ্যা মাত্র ৮২৩ জন। কাজের পরিধির তুলনায় জনবল কম থাকায় অনেকটা হিমশিম খাচ্ছে এ বিভাগ। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বগুড়ার সার্কেল অফিসের মটরযান পরিদর্শক এসএম সবুজ মানবজমিনকে বলেন, এ সেক্টরে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস, ড্রাইভিং লাইসেন্স, রুট পারমিটসহ যানবাহন সংক্রান্ত নানামুখি কাজ করা হয়। এই দপ্তর শুরুর সময়ের চেয়ে প্রায় ২শ’ গুণ কাজ বেড়েছে। সেই তুলনায় জনবল বাড়েনি। ফলে কাজের বিলম্ব হচ্ছে অনেক ক্ষেত্রে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআরটিএ’র উপ-পরিচালক প্রশাসন (উপ-সচিব) মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক এ বিষয়ে মানবজমিনকে বলেন, দিন দিন মানুষ বাড়ছে, গাড়ির সংখ্যা বাড়ছে ফলে এই দপ্তরে কাজের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা সারা দেশের অফিসগুলোতে জনবল নিয়োগের জন্য বিআরটিএ’র সদর কার্যালয়ে ৮৯৭টি, বিভাগীয় কার্যালয়ে ২০১টি, মেট্রো সার্কেল কার্যালয়ে ২৭১টি এবং জেলা কার্যালয়ে ৯১৩টি সর্বমোট ২ হাজার ২৮২টি পদ সৃজনের প্রস্তাবনা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হতে ২০২০ সালের ৩রা ডিসেম্বর ৩১৫টি পদ সৃজনের সম্মতি প্রদান করা হয়েছিল। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২১১টি পদের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবাগ্রহণ নীতিমালা- ২০১৮ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সেবা ক্রয়ের পরামর্শ প্রদান করেছে। পরবর্তীতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সম্মতিকৃত ৩১৫টি পদের প্রস্তাবনা অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতির জন্য প্রেরণ করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয় সেখান থেকে ৯৬টি পদ সৃষ্টির অনুমোদন প্রদান করে। মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, আমরা আবারো জনবল বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলবো। এদিকে, ২০১৯ সালের জুলাই থেকে সারা দেশে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান বন্ধ আছে। এ সময়ের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ৫০ হাজার ড্রাইভিং লাইসেন্স আটকে আছে। যদিও বলা হচ্ছে চলতি অক্টোবর মাসের ১১ তারিখ থেকে আটকে থাকা ড্রাইভিং লাইসেন্সগুলোর ছাপার কাজ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ মেশিন ট্যুল্‌স ফ্যাক্টরির তত্ত্বাবধানে ছাপার কাজ শুরু হয়েছে বলে মানবজমিনকে জানান বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের বগুড়া সার্কেল অফিসের সহকারী পরিচালক এটিএম ময়নুল হাসান। পর্যায়ক্রমে আগামী ৬ মাসের মধ্যে এসব প্রদান করা হবে বলেও তিনি জানান। সহকারী পরিচালক এটিএম ময়নুল হাসান আরও জানান, বিআরটিএ আগের চেয়ে কাজের স্বচ্ছতা বেড়েছে। লাইসেন্সের ফাইল জমা হওয়ার ৩ কর্ম দিবসের মধ্যে এখন প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ ছাড়াও অফিসগুলোতে সাধারণ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হয় এজন্য বড় করে নির্দেশিকা টানানো হয়েছে। নির্দিষ্ট টেবিলে যদি সময় মতো কাজ না হয় তাহলে একটি নম্বর দেয়া আছে সেখানে যে কেউ ফোন দিয়ে অভিযোগ দিতে পারেন। তবে কাজের তুলনায় জনবল বৃদ্ধি হলে আরও বেশি সেবা নিশ্চিত করা যাবে বলেও তিনি জানান।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর