× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ৯ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার , ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

ধরণীর পেটে ২ শতাধিক ঘরবাড়ি

বাংলারজমিন

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
২৬ অক্টোবর ২০২১, মঙ্গলবার

অসময়ে ধরণী নদীর ভাঙনে ২ শতাধিক ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। ভারত থেকে বয়ে আসা ছোট্ট ধরণীর এমন রুদ্ররূপ এর আগে দেখা যায়নি। গত এক সপ্তাহ ধরে রৌমারী উপজেলার বারবান্দা, বড়াইবাড়ি, ঝাউবাড়ি, চুলিয়ারচর, নামাবকবান্দা, খেয়ারচর, লাঠিয়ালডাঙ্গা এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে কিছু ভাঙন দেখা দিলেও এবার ভাঙছে শুষ্ক সময়ে। ঘরবাড়ি ছাড়াও ভাঙছে ফসলি জমি, মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ নানা অবকাঠামো। কিন্তু সরকারিভাবে ভাঙন রোধে এ পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
ভাঙনের শিকার জমিলা বেগম, আব্দুল করিম, জলিল মিয়াসহ অনেকে জানান, ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন নিয়ে প্রশাসন ও নেতারা ব্যস্ত। কিন্তু ধরণী নদীর ভাঙনের দিকে কারও নজর নেই। প্রতিবছর নদী ভাঙন রোধে সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয় করছে কিন্তু এখানকার জন্য কোনো বাজেট নেই।
উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল্লাহ বলেন, ধরণীর ভাঙন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখনই ভাঙন রোধ না করলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অনেক কিছু বিলীন হয়ে যাবে। আমি কয়েকবার ভাঙনকবলিতদের দেখতে গিয়েছি। যথাসাধ্য চেষ্টাও করছি। দু’/এক দিনের মধ্যে হয়তো একটা ব্যবস্থা হবে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর