× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৭ নভেম্বর ২০২১, শনিবার , ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২১ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে পুঁজিবাজার: সালমান এফ রহমান

অনলাইন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
(৪ সপ্তাহ আগে) অক্টোবর ২৭, ২০২১, বুধবার, ৮:৩৭ অপরাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, দেশের শেয়ারবাজারকে নিয়মিত উন্নত করা হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে শেয়ারবাজার সর্বোচ্চ রিটার্ন দিচ্ছে। ফলে এখন বিনিয়োগের জন্য খুবই আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের শেয়ারবাজার।

বুধবার ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্মে যুক্তরাজ্যে আসন্ন রোড শোকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনটি পরিচালনা করা হয় লন্ডন থেকে। এতে ঢাকা থেকে অংশ নেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর শিবলী রুবাইয়ত-উল-ইসলাম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। যুক্তরাজ্য থেকে যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার, আইএমওতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সাইদা মুনা তাসনিম।

নভেম্বরের শুরুত লন্ডনে শুরু হবে রোড শো। যেখান বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনার নানা দিক উপস্থাপন করা হবে।
এই শো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সালমান এফ রহমান বলেন, দুটি উদ্দেশ্যে আমরা ইনভেস্টর সামিট করতে যাচ্ছি। এর মধ্যে একটি হলো- বাংলাদেশ গত ১০ বছরে কি অর্জন করেছে তা জানাতে। অনেকটা নতুন বাংলাদেশকে জানানো বা ব্র্যান্ডিং করতে এই সামিট করাতে যাচ্ছি। অন্যটি হলো- বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী করে তোলা। আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছি এবং প্রধানমন্ত্রী ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা হাতে নিয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে আমরা গত ১০ বছরে অনেক অর্জন করেছি।

তিনি বলেন, এখন আমাদের পরবর্তী ধাপে (উন্নত দেশ) যেতে হবে। এ কারণে আমাদের দেশে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ দরকার। এক্ষেত্রে আমরা ফরেন ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (এফডিআই) ও ক্যাপিটাল মার্কেট ফোকাস করবো। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে পার্টনারশিপ-বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা। এর অর্থ যারা এখানে বিনিয়োগ করতে আসবেন তারাও যেন লাভবান হন, বাংলাদেশও যেন লাভবান হয়।

উপদেষ্টা বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ ফেরত নেয়ার পলিসি সম্পর্কে জানতে চায়। এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ। আমরা বাংলাদেশের শেয়ারবাজারকে বর্ধিত করতে চাই। এছাড়া ফ্রন্ট্রিয়ার মার্কেট থেকে ইমার্জিং মার্কেটে নিয়ে যেতে চাই। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে আমাদের অর্থনীতির যে উন্নতি হয়েছে তাতে বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগ করে কেউ হতাশ হবে না।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের বিনিয়োগের যে পরিবেশ তৈরি হয়েছে তার বিষয়ে আমাদের প্রবাসীদের কাছে স্পষ্ট ধারণা নেই। এখন আমাদের দেশের বিনিয়োগের যে পরিবেশ তাতে লন্ডনের বিনিয়োগাকরীরাও লাভবান হবেন, আমাদের প্রবাসীরা ও লাভবান হবেন। তিনি বলেন, বিদেশের মাটিতে আমাদের যে প্রচারণা, তার প্রধান উদ্দেশ্যে হচ্ছে দেশের অর্থনীতিকে সহায়তা করা, বিনিয়োগ নিয়ে আসা, বিশেষ করে সরকারকে সহযোগিতা করা। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির যে চমকপ্রদ উন্নয়ন হয়েছে তা এখনও সেভাবে প্রচার হয়নি। আমরা অর্থনৈতিক উন্নয়নের যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি তা এখনও অনেকের অজানা। সেগুলো বিশ্ববাসীকে জানাতে হবে। পোশাক রপ্তানিতে আমাদের যে উন্নতি, তা অনেক দেশের কাছে বিস্ময়। আমরা ইতিমধ্যে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছি। বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার মাধ্যমে আমাদের অর্থনীতির উন্নয়নের প্রচার জোরদার করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে সামুদ্রিক অর্থনীতি নিয়ে কথা বলেন বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, এটি আমাদের এখন একটি সাব সেক্টর। বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য নতুন একটি খাত। ব্লু ইকোনোমিক নামে পরিচিত এই সেক্টর এখনও আমাদরে দক্ষতার অভাবে ব্যবহারের বাইরে আছে। আমাদের বিশাল সমুদ্রসীমা থাকলেও ফিশিংয়ে আমাদের অবদান খূবই কম। লন্ডনের ফিশিংয়ে বড় বড় বিনিয়োগ হয়ে থাকে। লন্ডনের বিনিয়োগাকরীরা চাইলে আমাদের এখানে বিনিয়োগ করতে পারে।

উল্লেখ্য, আগামী ৪ঠা নভেম্বর যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২১: বিল্ডিং সাসটেইনেবল গ্রোথ পার্টনারশিপ’ এবং ৮ই নভেম্বর ম্যানচেস্টারে ‘দ্য রাইজ অফ বেঙ্গল টাইগার: ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট পটেনশিয়ালস ইন বাংলাদেশ’- শিরোনামে এ দুটি জায়গায় রোড শো অরনুষ্ঠিত হবে। এর আগে প্রথম দফায় দুবাইতে, দ্বিতীয় দফায় যুক্তরাষ্ট্রে, তৃতীয় দফায় সুইজারল্যান্ডে সাফল্যের সঙ্গে রোড শো সম্পন্ন করেছে বিএসইসি। আর চতুর্থ দফায় যুক্তরাজ্যে রোড শো সফলভাবে সম্পন্নের পর কাতার, সিঙ্গাপুর, জার্মানি, কানাডা, রাশিয়া, ইতালি, হংকং, জাপান, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন উন্নত দেশের শহরে ধারাবাহিকভাবে রোড শো আয়োজন করার পরিকল্পনা নিয়েছে বিএসইসি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর