× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২১ জানুয়ারি ২০২২, শুক্রবার , ৭ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

অনার্স-মাস্টার্সের ৫৫০০ শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করার দাবি, আন্দোলনের রোডম্যাপ ঘোষণা

শিক্ষাঙ্গন

স্টাফ রিপোর্টার
(২ মাস আগে) নভেম্বর ৬, ২০২১, শনিবার, ৯:৩৯ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ বেসরকারি কলেজ অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়োগপ্রাপ্ত ৫,৫০০ জন অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে। আজ শনিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন- বাংলাদেশ বেসরকারি কলেজ অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তফা কামাল। এসময় উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি নুর মোহাম্মদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বেসরকারি কলেজ সমূহে বিধি মোতাবেক নিয়োগ প্রাপ্ত সারাদেশের ৫,৫০০ জন অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক দীর্ঘ ২৯ বছর থেকে সরকারি সুযোগ সুবিধার (এমপিও) বাইরে রয়েছে।

একই প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পেয়ে সদ্য জাতীয়করণকৃত কলেজের অনার্স-মাস্টার্স কোর্সের শিক্ষকরা ক্যাডার/নন-ক্যাডারভুক্ত হয়েছেন , ডিগ্রি তৃতীয় শিক্ষকরা জনবলে না থাকার পরেও এমপিওভুক্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে মাদ্রাসার কামিল (মাস্টার্স ) শ্রেণির শিক্ষকরাও এমপিওভুক্ত হয়েছেন। অথচ অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষকরা এনটিআরসিএ সনদধারী এবং সরকারি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েও জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত না থাকায় এমপিওভুক্ত হতে পারছেন না, যা শিক্ষা সেক্টরে চরম বৈষম্য ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পরিপন্থী।

মোস্তফা কামাল আরো বলেন, সারাদেশের অধিকাংশ কলেজে শিক্ষকরা নামমাত্র বা বেতনহীন অবস্থায় মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে একাধিক সুপারিশ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত ৯ম ও ১০ম জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটির সুপারিশ এবং জাতীয় শিক্ষানীতি -২০১০ এর অধ্যায় ০৮ কৌশল এর বাস্তবায়নের জন্য এই সকল শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করা অত্যন্ত যৌক্তিক । একই প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস অনুযায়ী পাঠদান করিয়ে কেউ ক্যাডার/নন-ক্যাডারভুক্ত হয়েছেন, কেউ এমপিওভুক্ত হয়েছেন, আবার কেউ নন-এমপিও অবস্থায় মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। ইতোমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ৩২০টি কলেজ জাতীয়করণ এবং ২৭৩০টি স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্তিসহ ৮৪১ জন ডিগ্রি তৃতীয় শিক্ষক এমপিওভুক্ত হচ্ছে। এ জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষাবান্ধব মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ফেডারেশনের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

কিন্তু পরিতাপের বিষয় এই যে, দীর্ঘ ২১ বছর থেকে আমরা এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন নিবেদন ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে আসলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও জনবলের অজুহাতে অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবিটি আলোর মুখ দেখেনি। অথচ বছরে ১৪৪ কোটি টাকা বাজেটে ব্যয় বরাদ্দ রাখলে ৫৫০০ জন অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করা সম্ভব।

এমতাবস্থায় অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষকদেরকে দ্রুত এমপিওভুক্তির দাবিতে ফেডারেশন কর্তৃক মাসব্যাপী আন্দোলনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হলো-

নভেম্বর ১,১০ ও ১১ তারিখ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র সমূহের সামনে মানববন্ধনসহ পরিচালকের মাধ্যমে মাননীয় উপাচার্য ও ইউজিসির চেয়ারম্যান মহোদয় বরাবর স্মারকলিপি প্রেরণ।
নভেম্বর ১৪ থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত সারাদেশের কলেজ কমিটির পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়কে এমপিওভুক্তির দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রেরণ (ডাকযোগে রেজিস্ট্রি করে) নভেম্বর ২৪ ও ২৫ তারিখ দেশের সব বেসরকারি অনার্স-মাস্টার্স কলেজে ক্লাস বর্জন কর্মসূচি এবং এমপিওভুক্তির আওতায় না আসা পর্যন্ত কলেজ থেকে শতভাগ বেতন-ভাতা প্রদানের নিমিত্তে কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে অধ্যক্ষদেরকে অনুরোধপত্র প্রদান । নভেম্বর ৩০ তারিখ সকাল থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে অবস্থান কর্মসূচি। এমপিওভুক্তির সমস্যা সমাধানের সুস্পষ্ট ঘোষণা না আসা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর