× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২২ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার , ৮ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৮ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

টাইগারদের নিয়ে ট্রলটা এবার সত্যি হোক

মত-মতান্তর

পিয়াস সরকার
১৯ নভেম্বর ২০২১, শুক্রবার
সর্বশেষ আপডেট: ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
ছবিঃ জীবন আহমেদ

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড বধ ঘরের মাটিতে। প্রশংসা কুড়িয়েছে বেশ বাংলার কাপ্তান রিয়াদের দল। ফুরফুরে মেজাজে ওমানের বিমান ধরলেন নয়ন মণিরা। কিন্তু আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরল যে প্রথম ম্যাচেই। স্কটিশদের সঙ্গে হারটা যে কাদালো বেশ। এরপর বিশ্বকাপের হতাশার গল্পটা যে সবার জানা। আছে কথা নিয়েও নানা কথা।

ক্রিকেটে হার জিত আছে। কিন্তু ২০০০ সালে লাল বলে খেলার খেতাব পাওয়া দেশটার বিশ্বমঞ্চে এই করুণ দশা যে মেনে নেয়া যায় না।
ঘরে এসেছে অতিথি। তারা খেলবে তিনটা টি-টোয়েন্টি ও দুটি টেস্ট ম্যাচ। আবেগ প্রবণ বাংলাদেশিরা যে হতাশা ভুলতে সময় নেন না। চাই শুধু একটা জয়। আয়ের একমাত্র উৎস রিকশার চাকাটা স্থবির করেও খেলা দেখতে জানি আমরা।

বাংলাদেশের এই দুর্দশার মাঝেও একটা বিষয় খেয়াল করে দেখুন- মাঠে যাবার জন্য মরিয়া দর্শক। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে কেটেছেন টিকেট। এ হতাশাক্রান্ত দর্শকরা তবুও যাবেন মাঠে। টাইগারদের জন্য হেরে গলা ছাড়বেন। গায়ে জড়াবেন লাল-সবুজের জার্সি।

হাল ধরে আছেন কাপ্তান রিয়াদ। পাশে নেই পঞ্চ পাণ্ডবের আর কেউই। তবুও আমরা আশা দেখি। তাদের ভালোবাসি। এবারের দল নির্বাচন নিয়েও কম কথা হয়নি। অন্তত তিনজনের দলে ঠাঁই দেবার কোন যৌক্তিক কারণ দাঁড় করাতে পারেননি নির্বাচকরা। আর অভিজ্ঞ মুশফিককে নিয়েতো আলোচনার শেষ নেই।

যাই হোক, আমরা অজিদের বধ করেছি। বধ করেছি কিউইদেরও। হ্যাঁ আমরা ঘরের মাঠে নিজেদের মতো করে উইকেট বানিয়ে খেলেছি। বিশ্বকাপ চলা অবস্থায় অনেক ট্রল হয়েছে টাইগারদের নিয়ে। যেসব ট্রলে যেন বলা হতো- মিরপুরে আসো দেখিয়ে দেব কিংবা বিশ্বকাপের মাঠ বিমানে উড়িয়ে আনা হচ্ছে মিরপুরে। এবার মিরপুরেই লড়াই। চাই জয়। সব হতাশা ভুলে যাবো আমরা। বলে রাখা ভালো, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যুগে ছড়িয়ে পরেছে ট্রলের ছড়াছড়ি। আমাদের উচিত ট্রলটাকে মজার পর্যায়ে। তা যেন না হয় কারো মানসিক ক্ষতির কারণ।

প্রশ্ন আছে তবুও- অস্ট্রেলিয়া কিংবা নিউজিল্যান্ডের মতো ধীর গতির উইকেট দিয়ে বেধে রাখা কষ্টকর পাকিস্তানকে। আবার পেসারদের সুবিধা করে দিলেও আছে বিপদের শঙ্কা। তবে শেষ কথা আমরা হতাশা ভুলতে চাই। একটা জয় চাই। বড় মঞ্চে পারেনি বাংলাদেশ। কাদিয়েছে কোটি ভক্তকে। এবার নতুন করেই শুরু হোক সব। টাইগার্স শিবিরে ব্যাপক পরিবর্তন। প্রাধান্য পেয়েছে ইয়াং ব্ল্যাড। নতুনদের নিয়েই কেতন উড়ুক এবার। মাঠটা হাতের তালুর মতো চেনা প্রিয় মিরপুর। আসুক জয়। যে জয় দেখার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কেটেছেন ভক্তরা। যে জয়ে ফিরে আসবে আত্মবিশ্বাসটা।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর