× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার , ১৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নিয়ে পৌর মেয়রের কটূক্তির অডিও ফাঁস রাজশাহীতে তোলপাড়

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী থেকে
২৪ নভেম্বর ২০২১, বুধবার

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল বসানো নিয়ে কটূক্তি করেছেন রাজশাহীর কাটাখালী পৌর মেয়র আব্বাস আলী। তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। এ ছাড়া তিনি পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও জেলা কমিটির সদস্য।
তিনি একটি অডিওতে বলেছেন, ‘সিটি গেট আমার অংশে। একটি ফার্মকে দিয়েছে তারা বিদেশি স্টাইলে সাজিয়ে দিবে; ফুটপাথ, সাইকেল লেন টোটাল আমার অংশটা। কিন্তু একটু ঠেকে গেছি গেটটা নিয়ে। একটু চেঞ্জ করতে হচ্ছে, যে মুর‌্যালটা দিয়েছে বঙ্গবন্ধুর সেটা ইসলামী শরীয়ত মতে সঠিক নয়। এ জন্য আমি ওটা থুব না, সব করবো তবে শেষ মাথাতে যেটা ওটা (মুর‌্যাল)।’
তিনি বলেন, ‘ইসলামের দৃষ্টিতে পাপ, সেজন্য রাজশাহী সিটি গেটে বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যাল বসাতে দিবো না। দরকার হলে জীবন দিয়ে প্রতিহত করবো’।
আব্বাস আলীর এক মিনিট ৫১ সেকেন্ডের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তার এমন বক্তব্যে রাজশাহীজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। যদিও পুরো ঘটনাটি অস্বীকার করেছেন মেয়র আব্বাস।
মেয়র আব্বাস আলী অডিওতে বলেছেন, ‘আমি দেখতে পাচ্ছি আমাকে যেভাবে বুঝাইছে, যে মুর‌্যালটা ঠিক হবে না দিলে; আমার পাপ হবে; তো কেন দিবো। আমি তো কানা না, যেভাবে বুঝাইছে তাতে আমার মনে হয়েছে মুর‌্যালটা হলে আমার ভুল করা হবে। এ খবরটা যদি যায় তাহলে আমার রাজনীতির বারোটা বাজবে; এই মুর‌্যাল দিতে চেয়ে দিছে না। তাহলে বঙ্গবন্ধুকে খুশি করতে গিয়ে আল্লাহকে নারাজ করবো নাকি। এজন্য কিছু করার নাই। মানুষকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করা যাবে না।’ তবে অডিওটি তার নয় বলে দাবি করে পুরো ঘটনা অস্বীকার করেছেন মেয়র আব্বাস আলী। তিনি বলেন, ‘মুর‌্যাল করা যাবে না, মুর‌্যাল করলে পাপ হবে, এ ধরনের কথা আমার সঙ্গে কারও হয়নি। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি করার মতো সাহস কখনো ছিল না।’ অডিওতে যে ভয়েস শোনা যাচ্ছে তা আপনার সঙ্গে হুবহু মিল রয়েছে এমন কথা বলা হলে তিনি ফোন কেটে দেন। এরপর থেকে আর কল রিসিভ করেন না।
রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকার বলেন, পৌর মেয়র আব্বাসের বক্তব্য লোকমুখে শুনেছি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করা খুব অন্যায়। আমরা এর তদন্ত করবো। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যদি কোনো কটূক্তি করে থাকে তার বিরুদ্ধে দলীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর