× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৯ নভেম্বর ২০২১, সোমবার , ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

রামগতিতে উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তালা

বাংলারজমিন

রামগতি (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
২৫ নভেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চর আলেকজান্ডার ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি তালাবদ্ধ। এতে হয়রানির শিকার সেবা প্রার্থীরা। গতকাল বুধবার দুপুর ১টার দিকে সরজমিন গিয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে শুধুমাত্র একজন স্টাফকে  পাওয়া   যায়। অন্য রুমগুলো তালাবদ্ধ দেখা গেছে। স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নীরবতা বিরাজ  করছে। নেই কোনো ডাক্তার বা অন্যান্য স্টাফ। প্রথমে দেখা মনে হয় এটি একটি পরিত্যক্ত ভবন। জনশূন্য ভবনটির প্রতিটি রুমে তালা লাগানো রয়েছে।
কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর ভেতর থেকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভিজিটর আয়েশা বেগম নামে এক নারী বেরিয়ে আসেন। ডাক্তার ও অন্যান্য স্টাফ কোথায় জানতে চাইলে তিনি মন্তব্য করতে অসম্মতি জানান। রামগতি পৌরসভার প্রাণকেন্দ্র আলেকজান্ডার বাজারের উপর অবস্থিত ঘন বসতি এলাকায় এইস্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্রের এমন বেহাল অবস্থায় সেবা বঞ্চিত হচ্ছে এলাকাবাসী। সম্পূর্ণ খামখেয়ালিপনা, স্বেচ্ছাচারিতা আর ইচ্ছামাফিক অফিস করাসহ নানা অনিয়ম, দূর্নীতির অভিযোগ ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। দেখা যায়নি ডাক্তারসহ অন্যান্য পদে নিয়োগ পাওয়া স্টাফদের। স্থানীয়রা জানান, মাঝে মাঝে মন চাইলে স্টাফরা এসে কিছুক্ষণ থেকে আবার চলে যান। এই উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একজন মেডিকেল অফিসার, উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, স্বাস্থ্য সহকারী একজন, ভিজিটর ও একজন পিয়ন থাকার কথা থাকলেও সরজমিনে কাউকে পাওয়া যায়নি। অথচ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০০-১৫০ জন রোগী এসে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের তদারকি নেই এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের দিকে। দায়িত্বপ্রাপ্তদের না পাওয়ায় এখানে কে কোন পদে নিয়োগ পেয়েছেন বা তাদের নাম কি? তা পরিষ্কারভাবে জানা যায়নি। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্যকর্মকর্তা ডা. কামনাশীষ মজুমদারের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম শান্তনু চৌধুরী বলেন, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর