× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি ২০২২, মঙ্গলবার , ১১ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর সোহেলসহ দু’জনকে গুলি করে হত্যা /১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা থেকে
২৫ নভেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার

কুমিল্লায় কাউন্সিলর মো. সোহেল ও তার সঙ্গে থাকা হরিপদ সাহাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে নিহত সোহেলের ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। এ মামলায় মাদক ব্যবসায়ী শাহ আলমসহ ১১ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়। বুধবার সকালে র‌্যাব’র একটি টিম মামলার এজাহারনামীয় আসামি সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে। সে সুজানগর পূর্বপাড়া বৌ-বাজার এলাকার মৃত কানু মিয়ার ছেলে।
এজাহার সূত্রে জনা যায়, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এলাকায় অবস্থান নেয়ায় পূর্ব-শত্রুতাবশত চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী নবগ্রাম এলাকার শাহ আলমের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে কাউন্সিলর ও তার সহযোগীকে গুলি করে হত্যা করে। মামলায় এজাহারনামীয় অপর আসামিরা হচ্ছে- নবগ্রামের শাহ আলমের ছেলে সোহেল ওরফে জেল সোহেল, সুজানগর এলাকার রফিক মিয়ার ছেলে মো. সাব্বির হোসেন, পূর্বপাড়া বৌ-বাজারের মৃত কানু মিয়ার ছেলে সুমন, সংরাইশ এলাকার কাকন মিয়ার ছেলে সাজন, তেলীকোনা এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে আশিকুর রহমান রকি, সুজানগর পূর্বপাড়ার মৃত জানু মিয়ার ছেলে আলম, নূর আলীর ছেলে জিসান মিয়া, সংরাইশের মঞ্জিল মিয়ার ছেলে মাসুম, নবগ্রামের মৃত সামছুল হকের ছেলে সায়মন ও সুজানগর বৌ-বাজার এলাকার কানাই মিয়ার ছেলে রনি।
র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ কুমিল্লা ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন বলেন, মামলার ৪নং আসামি সুমন বুধবার সকালে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যায়। এ সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আনওয়ারুল আজিম জানান, গ্রেপ্তারের পর আসামি সুমন বর্তমানে পুলিশের পাহারায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
মঙ্গলবার রাতে উদ্ধার হওয়া ৪৮টি বোমা ওইদিন গভীর রাতে গোমতী নদীর পাড়ে নিয়ে নিষ্ক্রিয় করে ঢাকা থেকে আসা বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। বুধবারও এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিল। গতকাল কুমিল্লা পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাউন্সিলর সোহেল ও হরিপদ সাহার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সান্ত্বনা দেন এবং যে কোনো মূল্যে ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনসহ কিলার চক্রকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দেন। এছাড়া বুধবার বিকালে সিআইডি কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার খান মোহাম্মদ রেজওয়ান জানান, তিনি সকালের দিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং নিহতদের পরিবারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার কারণ অনুসন্ধানসহ হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহাকে নির্মমভাবে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সামনে মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর নেতৃত্বে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র।  
এর আগে গত সোমবার বিকাল সাড়ে চারটায় কাউন্সিলর সোহেল ও হরিপদ সাহাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ আরও ৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরদিন মঙ্গলবার জানাজা শেষে তাদের মরদেহ দাফন ও সৎকার করা হয়।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর