× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২১, রবিবার , ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

অবরুদ্ধ জিরো পয়েন্ট, নাঈমের সহপাঠীদের স্লোগান ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ (ভিডিও)

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(২ দিন আগে) নভেম্বর ২৫, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১২:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ১০:২৯ পূর্বাহ্ন
ছবিঃ জীবন আহমেদ

সহপাঠী নাঈম হাসানের মৃত্যুর ঘটনায় ঘাতকের বিচার চেয়ে আজও রাজপথে নেমেছে নটরডেম কলেজের শিক্ষার্থীরা। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নটরডেমের শিক্ষার্থীরা শাপলা চত্বরে মিছিল করে অবস্থান নেয়। সেখান থেকে পরে মিছিল নিয়ে নগরভবন অভিমুখে যায় শিক্ষার্থীরা। এ সময় সহপাঠীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনার বিচার চেয়ে তারা স্লোগান দেয় ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিজ’, ‘আমার ভাই মরল কেন, প্রশাসন জবাব চাই’।

মতিঝিলের শাপলা চত্বরে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেওয়ায় দুই পাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশেই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মিছিলটি পরে নগরভবন অভিমুখে রওয়ানা হলে পুরো এলাকাতেই যানজটের সৃষ্টি হয়। সেখান থেকে শিক্ষার্থীরা মিাছল নিয়ে জিরো পয়েন্টে অবস্থান নেয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ছয় দফা দাবি জানায়। এগুলো হলো সবার জন্য সড়ক নিরাপদ করা, ২০১৮ সালে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের পর পাস হওয়া আইন বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া, নাঈমের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার পাশাপাশি দ্রুততম সময়ে বিচার নিশ্চিত করা, নাঈমের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া, গুলিস্তানের মতো ব্যস্ততম সড়কে পদচারী-সেতু স্থাপন করা ও সব ধরনের ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা।

গতকাল বুধবার শিক্ষার্থী নাঈম গুলিস্তানে সড়ক পার হওয়ার সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ময়লার গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়।
এতে সে পড়ে যায়। এরপর গাড়িটি না থেমে তাকে চাপা দেয়। এ ঘটনায় চালকের সহকারীকে গতকাল বুধবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।



অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আবুল কাসেম
২৫ নভেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১:৩৬

আজকের মানবজমিন পত্রিকার অনলাইনে আরেকটি খবরের শিরোনাম হচ্ছে, 'ঘাতক বাস কেড়ে নিলো আরও তিন শিক্ষার্থীর প্রাণ'। সাবেক মন্ত্রী ও পরিবহন নেতা বলেছিলেন গরুছাগল চিনতে পারলেই ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে হবে। দ্বায়িত্ববান মানুষেরা যখন বিবেক বর্জিত কাজ করেন তখন দুর্ঘটনা বাড়তেই থাকবে। কতো না ফোটা পুষ্প অকালে ঝরে পড়বে তার হিসেব রাখা সম্ভব হবেনা। অনেক পুলিশের লোকজন বাসের মালিক। চালক হেলপার কন্ডাকটর আস্কারা পাওয়ার জায়গা উন্মুক্ত। রাতারাতি সবাই ব্যবসায়ী বনে যাচ্ছে। যে কোনো ব্যবসায় জনগণের পকেট কাটা এখন খুবই সহজ। যখন তখন জনগণকে জিম্মি করা মুহূর্তের ব্যপার। প্রশাসনের লোকজন পরিবহন মালিক হওয়ায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমন করা তাদের জন্য অতি নস্যি বিষয়। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের ভেতরেই রয়েছে তাদের নিজস্ব একটা দল। অনেকে হেলমেট বাহিনী বলে থাকে। এভাবে চলতে থাকলে কামিনী রায়ের 'পাছে লোকে কিছু বলে'র লাজ, লজ্জা ও শংকা নয়; সদা ডরে সদা ভয়ে সদা আতংকে রাস্তায় বের হওয়ার সুস্থ স্বাভাবিক সাহস হারিয়ে ফেলতে হবে।

Anwarul Azam
২৫ নভেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১২:৩০

ঢাকা শহরে গাড়ী চালকদের জ্যাকেট দেয়া হোক যেখানে নাম মো নং গাড়ির নং সহ সব তথ্যাদি উল্লেখ থাকবে। সাথে ২/৪ বছরের ভেহিকাল চালানোর অভিজ্ঞতা।

অন্যান্য খবর