× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২২ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার , ৮ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৮ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

খালেদা জিয়ার অবস্থা আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে: মোশাররফ

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার
২৭ নভেম্বর ২০২১, শনিবার

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। গতকাল বাদ জুমা বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ শেষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সামনে তিনি একথা বলেন।
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা যতটুকু চিকিৎসকদের কাছ থেকে শুনতে পেরেছি, তার স্বাস্থ্যের অবস্থা অনেক খারাপ। মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা বলছেন, তার যে চিকিৎসা প্রয়োজন সেই চিকিৎসা বাংলাদেশে নেই। তাকে অতি দ্রুত বিদেশে নেয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, আজকে বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ করে দেয়ার জন্য এই সরকার তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করছে না। এখন আইনের কথা বলে কোনো লাভ নেই। আইনজীবীরা ইতিমধ্যে বলেছেন, খালেদা জিয়ার বিদেশে যেতে আইনি কোনো বাধা নেই। আমরা অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে তাকে বিদেশে পাঠানোর জোর দাবি জানাচ্ছি।

এদিকে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের কোনো উন্নতি নেই বলে জানিয়েছেন মেডিকেল বোর্ডের এক চিকিৎসক। তিনি মানবজমিনকে বলেন, রক্তক্ষরণই এখন তার সবচেয়ে বড় সমস্যা। পরিপাকতন্ত্রের রক্তরক্ষণই বেগম জিয়াকে বেশি ভোগাচ্ছে। এর কারণে শারীরিক দুর্বলতা বেড়ে যাচ্ছে। আর তা বন্ধে এ পর্যন্ত তিন দফায় এন্ডোসকপি করা হয়েছে। সবশেষ গত বুধবার রাতে করা হয়।
তিনি জানান, খালেদা জিয়া ক্রনিক লিভার ডিজিসের সঙ্গে ক্রনিক কিডনি ডিজিসেও ভুগছেন। লিভারের সমস্যাটা এবার বেশি হয়েছে। পরিপাকতন্ত্রের রক্তপাত হচ্ছে। যাতে আর রক্তক্ষরণ না হয় সেজন্যই এন্ডোসকপি করা হয়েছে। কেন খালেদা জিয়ার বার বার রক্তক্ষরণ হচ্ছে, তা নির্ণয় করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বোর্ড।
খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে ভাসানীর পরিবার
খালেদা জিয়াকে দেখতে গতকাল হাসপাতালে যান মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর পরিবারের সদস্যরা। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টায় ভাসানী পরিবারের পাঁচ সদস্যের একটি দল বেগম জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যান। সেখানে আধা ঘণ্টা সময় অবস্থান করেন তারা।
হাসপাতাল থেকে বের হয়ে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ছোট মেয়ে মাহমুদা খানম ভাসানী সাংবাদিকদের বলেন, বেগম জিয়া কথা বলতে পারছেন, তবে খুব ধীরে ধীরে। তিনি খুবই দুর্বল। তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে তাকে বিদেশে পাঠিয়ে সুচিকিৎসার সুযোগ দেয়ার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাই। হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে যাওয়া ভাসানীর পরিবারের অন্য সদস্যরা হলেন- ভাসানীর বড় মেয়ে রিজিয়া ভাসানী, নাতি হাবিব হাসান মনার, মাহমুদুল হক শানু, নাতনি সুরাইয়া সুলতানা। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর