× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার , ১৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

মানিকগঞ্জে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীকে মারধর, বিদ্রোহীদের অভিযোগ

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার মানিকগঞ্জ থেকে
২৯ নভেম্বর ২০২১, সোমবার

স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীকে মারধর, কেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়াসহ নানা অভিযোগের মধ্য দিয়ে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে নবগ্রাম ইউনিয়নের গিলন্ড ভোটকেন্দ্রে আনারস প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেনকে তার নিজ কেন্দ্রে মারধর করেছে নৌকা প্রতীকের সমর্থকরা। উপজেলার পুটাইল ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের দুইজন বিদ্রোহী প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের মারধর ও কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ করেছে দুই প্রার্থী। এ ছাড়া বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের পালড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে বহিরাগতরা জালভোট দেয়ার চেষ্টা করলে প্রশাসন প্রায় ঘণ্টাখানেক ভোট স্থগিত করে রাখে। নবগ্রাম ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেন বলেন, সকালে গিলন্ড এলাকায় আমার নিজ ভোটকেন্দ্রে আমি ভোট দিতে গিয়ে দেখি নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর লোকজন প্রতিটি বুথ থেকে ভোট কেটে নিচ্ছিল। এ সময় আমি প্রতিবাদ করতে গেলে তারা আমার ওপর হামলা চালায় এবং মারধর করে। মিতরা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শোয়েব আহমেদ রাজা বলেন, কয়েকটি কেন্দ্রে তাদের পোলিং এজেন্টদের ঢুকতে দেয়নি ক্ষমতাসীন দলের সমর্থকরা। পাশাপাশি কয়েকজনকে মারধর করেছে তারা।
সকাল সাড়ে দশটার দিকে কইতোরা কেন্দ্র  থেকে আমার পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়। আওয়ামী লীগের আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল জলিল মোল্লা একই অভিযোগ করে বলেন, জেলা যুবলীগের কিছু নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার করে আমার এজেন্টদের বের করে দিয়েছে। লেমুবাড়ি ভোটকেন্দ্রে আমার পোলিং এজেন্টকে বের করে দেয়া হয়েছে এবং কাগজপত্র ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। এ ছাড়া আমার ভোটার তালিকা তারা ছিনতাই করে নিয়েছে। এ সময় র‌্যাব এবং বিজিবি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ ছাড়া কৈতরা কেন্দ্রে আমার পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছে যুবলীগের নেতাকর্মীরা। লেমুবাড়ি, চরগুস্তা, মানতা, মিতরা ইউনিয়ন পরিষদ সহ আরও কয়েকটি কেন্দ্রে একই অবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছি। কিন্তু কোনো ফল পাচ্ছি না। আমি নিজেও আওয়ামী লীগ করি এবং এই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান। নির্বাচনের পরিবেশ এভাবে নষ্ট করা হলে ভবিষ্যৎ ভালো হবে না। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার পালড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নাসিরুদ্দিনের পক্ষে তার অনুসারীরা ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করে বিপরীত প্রার্থীর এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখাতে থাকে। এসময় ভোটকেন্দ্রে বহিরাগতরা জালভোট দেয়ার চেষ্টা করলে প্রশাসন ঘণ্টাখানেক ভোট স্থগিত করে রাখে। বিষয়টি প্রিজাইডিং অফিসার এবং প্রশাসনের নজরে আসলে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়া হয়। জেলা নির্বাচন অফিসার শেখ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর