× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২২ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার , ৮ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৮ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

নির্বাচন কমিশন / সংসদের গত সেশনেই আইন করার সুযোগ ছিল

প্রথম পাতা

তামান্না মোমিন খান
২৯ নভেম্বর ২০২১, সোমবার

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজনের) সভাপতি বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে সদ্য সমাপ্ত সংসদ অধিবেশনেই নির্বাচন কমিশন আইন করা সম্ভব ছিল। এটি একটি ছোট আইন। এই আইনটি চূড়ান্ত করা ছিল কয়েকদিনের ব্যাপার। এই অধিবেশনেই সেটা করা যেতো। এখন প্রশ্ন হচ্ছে সরকারের সদিচ্ছা আছে কিনা? মানবজমিনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। বদিউল আলম মজুমদার বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের এক-তৃতীয়াংশ বদলে দেয়া হয়েছিল ৯ দিনের মধ্যে। তার মানে হচ্ছে তারা ইচ্ছা করলেই পারে। আমরা যখন মাননীয় আইনমন্ত্রীর কাছে নির্বাচন কমিশনের আইনের খসড়া দিয়েছিলাম তখন ৩ মাস সময় ছিল।
মন্ত্রী তখনও বলেছেন সময় নেই। এখনো বলছেন সময় নেই। আসলে মূল কথা হচ্ছে সরকারের সদিচ্ছা নেই। তারা অতীতের পথেই হাঁটতে চান। তারা সার্চ কমিটির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশক্রমেই নির্বাচন কমিশন গঠন করতে চায়। যেভাবে আমরা রকীব কমিশন ও নূরুল হুদা কমিশন পেয়েছি। যারা আমাদের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এ দায় কী বর্তমান সরকার এড়াতে পারবেন। আইনমন্ত্রী বলছেন সংসদকে পাশ কাটিয়ে যাওয়া যাবে না। অথচ গতকাল শেষ অধিবেশনে এই বিলটা কেবিনেটে পাস করে অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে পরবর্তী অধিবেশনে অনুমোদন দেয়া যেতো। আইনমন্ত্রী সংসদকে পাশ কাটিয়ে যেতে চান না কিন্তু অতীতে যে দুটো সার্চ কমিটি করেছে তাতে কোনো সংসদ সদস্য ছিল না। আমাদের  নির্বাচন কমিশন আইন খসড়ায় আমরা কিন্তু ৩ জন সংসদ সদস্য রাখার সুপারিশ করেছি।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর