× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ১৭ জানুয়ারি ২০২২, সোমবার , ৩ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

জনসংখ্যার আড়াই শতাংশ কিডনি রোগী প্রাথমিক অবস্থায় প্রতিরোধ করা জরুরি

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার
২৯ নভেম্বর ২০২১, সোমবার

বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার আড়াই শতাংশ নানা ধরনের কিডনি রোগে ভুগছে। ৯০’র দশকে জনসংখ্যার এক শতাংশ কিডনি জটিলতায় ভুগতো। কিডনি রোগটি প্রাথমিক অবস্থায় নিরূপণ করতে পারলে চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে যেতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশে প্রয়োজনের তুলনায় নেফ্রলজিস্ট নেই বলে জানিয়েছেন কিডনি বিশেষজ্ঞরা।
গত শুক্রবার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নেফ্রলজিস্ট সম্মেলনে বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞরা এসব তথ্য দেন। সম্মেলন যৌথভাবে আয়োজন করে গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র বাংলাদেশ, বাংলাদেশ রেনাল এসোসিয়েশন এবং আইএসএন।
সম্মেলনে কিডনি বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, কিডনি অকেজো হয়ে যাওয়ার পর ডায়ালাইসিস করে বেঁচে থাকতে কিডনি রোগীদের ১২ থেকে ২২ শতাংশ তাদের সম্পদ বিক্রি করে দিতে হচ্ছে। ফলে এক সময় দরিদ্র হয়ে গেছে অথবা যাচ্ছে। বাংলাদেশের কিডনি রোগীদের মোট এক শতাংশেরও কম কিডনি প্রতিস্থাপনের সুবিধা রয়েছে।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নেফ্রলজিস্ট নেই। তবে যারা আছেন তাদের বেশির ভাগ রাজধানীতে। ফলে রাজধানীর বাইরের রোগীর চিকিৎসা প্রয়োজন হলে তারা প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা পান না। কিডনি রোগ ঠেকাতে প্রাথমিক লেভেল থেকেই প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা শুরু করতে হবে। ধারণা করা হয় বাংলাদেশে ১৫ লাখ শিশু নেফ্রলজির রোগী রয়েছে কিন্তু তাদের চিকিৎসার জন্যও পর্যাপ্ত চিকিৎসক নেই।
ধানম-ির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের বীর উত্তম মেজর হায়দার অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কিডনি হাসপাতাল ও কিডনি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও চিফ অব কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. হারুন উর রশীদ। এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিশু নেফ্রোলজিষ্ট অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হানিফ, বাংলাদেশ রেনাল এসোসিয়েশন অ্যান্ড এসোসিয়েশন ফিজিশিয়ান অব বাংলাদেশ প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রাফিকুল আলম, সাংগঠনিক কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মামুন মোস্তাফী, স্বাগত রাখেন সায়েন্ট্রিফিক কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. মাহবুবুর রহমান। ধন্যবাদ বক্তব্য রাখেন সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল ডা. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর