× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৩ জানুয়ারি ২০২২, রবিবার , ৯ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

বরগুনায় ছাত্রী ধর্ষণে মাদ্রাসা শিক্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

বাংলারজমিন

বরগুনা প্রতিনিধি
১ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার

বরগুনা সদর উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলায় সাইফুল ইসলাম নামের এক শিক্ষককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ সময় ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ আদেশ দেন। এ সময় মামলার অন্য আসামি সাইফুল ইসলামের ভাইয়ের স্ত্রী রাশিদা বেগমকে বেকসুর খালাস দেন বিচারক।
দণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলাম বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুরি ইউনিয়নের সাহেবের হাওলা এলাকার স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ইব্রাহিম খলিলের ছেলে। জানা যায়, ২০১৯ সালের ২০শে জানুয়ারি বরগুনা জেলার সদর থানার কেওড়াবুনিয়া এলাকায় সাহেবের হাওলা রাফেজিয়া দাখিল মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণির এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে গাইড বই দেয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ফলে ছাত্রীর প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। ভিকটিমের বড় বোন ওই ছাত্রীকে মাদ্রাসায় না পেয়ে খুঁজতে থাকে। এক শিক্ষার্থীর মাধ্যমে বড়বোন জানতে পারে ভিকটিম সাইফুলের সঙ্গে তার বাড়িতে গেছে।
বড়বোন সাইফুলের বাড়িতে গিয়ে দেখে তার ছোট বোন রক্তাক্ত অবস্থায় কাঁদছে। পরে নির্যাতিতাকে গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে সাইফুল ইসলাম, তার বাবা মাওলানা ইব্রাহিম ও সাইফুলের ভাইয়ের স্ত্রীকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। ২১শে ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১২টার দিকে সাইফুলকে র‌্যাব সদস্যরা গ্রেপ্তার করেন। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ফারুক ফকির তদন্ত শেষে আসামি সাইফুলের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ৯ই মার্চ অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনা করেন নারী শিশু আদালতের সরকারি কৌঁসুলি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল ও আসামি পক্ষে পরিচালনা করেন এডভোকেট আবদুল্লাহ আল মামুন মোল্লা। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, আদালতের রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। এই রায়টি ধর্ষণকারীদের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়েছে। আসামি পক্ষের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন মোল্লা বলেন, আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান জানিয়েই আমার মক্কেলের সঙ্গে আলোচনা করে উচ্চ আদালতে আপিল করবো। আসামি সাইফুল ইসলাম কোর্ট বারান্দায় বলেন, আমি নির্দোষ। উচ্চ আদালতে আপিল করবো।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর