× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২১ জানুয়ারি ২০২২, শুক্রবার , ৭ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

৫০ বছরেও নেই ডিগ্রি’র এমপিও খুলতে পারেনি অনার্স কোর্স

বাংলারজমিন

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
২ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার

সখীপুর হাতিয়া কলেজ প্রতিষ্ঠার পঞ্চাশ বছর পার হলেও এখনো খুলতে পারেনি অনার্স কোর্স। ২০১৪ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতিক্রমে ওই কলেজে ডিগ্রি বিএ, বিএসএস, বিবিএস কোর্স খোলা হলেও এখনো এমপিওভুক্তি হতে পারেনি শিক্ষকরা। শহরের সঙ্গে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ডিগ্রি’র শিক্ষকদের বেতন না থাকায় উপজেলার অন্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অনেকটা পিছিয়ে এই কলেজ। যে কারণে উচ্চতর শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এই এলাকার দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে-মেয়েরা। এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছে ওই কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, সীমান্তবর্তী এই কলেজটি ওই এলাকার শিক্ষানুরাগীরা যে স্বপ্ন নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেছিলো তা এখন বাস্তবায়ন হয়নি। পূর্ব টাঙ্গাইলের প্রথম প্রতিষ্ঠিত এই হাতিয়া কলেজে এখনো ডিগ্রি’র এমপিও হয়নি। অনার্স কোর্স খোলার চেষ্টা করলেও নানা প্রতিকূলতার কারণে তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি।
কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, ১৯৯৪ সালে এই কলেজে ডিগ্রির এমপিও হয়। ছাত্র-ছাত্রীতে ভরপুর ও জমজমাট হয়ে পড়ে কলেজ। ওই সময় তিনতলা একটি ভবন বরাদ্দ দেন সরকার। ১৯৯৫ সালে আকস্মিকভাবে ডিগ্রি’র এমপিও বন্ধ হয়ে যায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তৎকালীন জামায়াত-বিএনপি সরকারের স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশে ডিগ্রির এমপিও বন্ধ করে দিয়ে তিনতলা একটি ভবন বরাদ্দ দেন। এ নিয়ে দাতা সদস্যরা প্রতিবাদ করলেও ডিগ্রি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নতুন উদ্যমে পুনরায় ডিগ্রি কোর্স খোলা হয়। শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয়ে নিয়মিত ক্লাস করে এবং পরীক্ষায় অংশ নেয়।
একাধিক অভিভাবক বলেন, প্রয়োজনীয় রাস্তা-ঘাট না থাকায় এই কলেজ তথা অনগ্রসর এই এলাকাটি অনেক পিছিয়ে পড়েছে। ফলে এই এলাকার দরিদ্র পরিবারের ছেলেমেয়েরা উচ্চতর শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারছে না। এ বিষয়ে সরকার সুদৃষ্টি দিলে এই কলেজ তথা এলাকার মানুষের শিক্ষার সুযোগ হবে।
ডিগ্রি কোর্সের একাধিক প্রভাষক বলেন, ৭/৮ বছর ধরে ডিগ্রি কোর্সে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ নিয়েছি এখনো এমপিও হচ্ছে না। বেতন না থাকায় খুবই মানবেতর জীবনযাপন করছি আমরা। এ বিষয়ে হাতিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. রহিজ উদ্দিন বলেন, এমপিও’র নীতিমালা অনুযায়ী যথাযথ প্রক্রিয়ায় ডিগ্রি’র এমপিও’র জন্য আবেদন করেছি। দুর্গম ও কয়েকটি উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার এই কলেজে ডিগ্রি’র স্যারদের বেতন হওয়া খুবই জরুরি। ‘গ্রাম হবে শহর’ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা’র এই ভিশন বাস্তবায়নে হাতিয়া কলেজের প্রতি সুদৃষ্টি কামনা করছি।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর