× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার , ১৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

তালেবান এবং মিয়ানমার জান্তাকে আপাতত জাতিসংঘে প্রবেশ করানো সম্ভব নয়

অনলাইন


(১ মাস আগে) ডিসেম্বর ২, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৩:৪২ অপরাহ্ন

বুধবার ১৯৩টি দেশ নিয়ে গঠিত জাতিসংঘের একটি কমিটির বৈঠকে স্থির হয়েছে আফগানিস্তানের তালেবান বা মিয়ানমারের জান্তাকে আপাতত তাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করার অনুমতি দেয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। এমনটাই বলছেন কূটনীতিকরা। তালেবান এবং মিয়ানমারের জান্তা জাতিসংঘে উভয় আসনে নিজেদের প্রতিনিধি নিয়োগ করতে চাইছে। এদিকে তাদের ক্ষমতাচ্যুত সরকার দ্বারা নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত এখনো জাতিসংঘেই রয়েছেন।

তালেবান বা মিয়ানমারের জান্তার গ্রহণযোগ্যতা যদি জাতিসংঘে স্বীকৃত হয় তাহলে তা হবে তাদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দিকে একটি বড় পদক্ষেপ। রাশিয়া, চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে গঠিত ৯ সদস্যের জাতিসংঘের শংসাপত্র কমিটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বর্তমান অধিবেশনের মধ্যেই ১৯৩টি দেশের মতামত বিবেচনা করার জন্য বৈঠক করবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চারজন কূটনীতিক রয়টার্সকে বলেছেন, কমিটি সম্ভবত আফগানিস্তান ও মিয়ানমারের প্রতিনিধিত্বের বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্থগিত করতে পারে।

এই কমিটিতে বাহামা, ভুটান, চিলি, নামিবিয়া, সিয়েরা লিওন এবং সুইডেনও রয়েছে।
বছর শেষ হওয়ার আগেই তারা সমস্ত সদস্যের প্রমাণপত্রের উপর রিপোর্ট পাঠাবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে। কূটনীতিকরা বলছেন, কমিটি এবং সাধারণ পরিষদ উভয়ই ঐতিহ্যগতভাবে প্রমাণপত্রের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়।

উদ্দেশ্য
তালেবান, যারা আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের কাছ থেকে ক্ষমতা দখল করে, তাদের দোহা-ভিত্তিক মুখপাত্র সুহেল শাহীনকে আফগানিস্তানের জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত মনোনীত করেছে। ক্ষমতাচ্যুত সরকার কর্তৃক নিযুক্ত বর্তমান জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত গোলাম ইসাকজাইও আসনটি ধরে রাখতে বলেছেন। এদিকে ১৯৯৬ এবং ২০০১-এর মধ্যে যখন তালেবানরা শেষবার আফগানিস্তানে শাসন করেছিল তখন তারা যে সরকারের পতন ঘটিয়েছিল তার রাষ্ট্রদূত জাতিসংঘের প্রতিনিধি হিসেবে রয়ে গেছেন, এরপরই প্রমাণপত্র কমিটি আসনটির প্রতিদ্বন্দ্বী দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন যে, তালেবানের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জুটলে অন্যান্য দেশও আফগানিস্তানের অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারবে, বিশেষ করে মহিলাদের সম্মানের বিষয়ে। তালেবানের মনোনীত জাতিসংঘের দূত শাহিন এই মাসের শুরুতে টুইটারে পোস্ট করেছিলেন: "আমাদের কাছে জাতিসংঘে আফগানিস্তানের আসন দখলের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত শর্ত রয়েছে। আমরা আশা করি আইন রাজনৈতিক পছন্দ-অপছন্দের উর্ধে।" মিয়ানমারের জান্তা, যারা ফেব্রুয়ারিতে অং সান সুচির নির্বাচিত সরকারের কাছ থেকে ক্ষমতা দখল করে, প্রবীণ সামরিক নেতা অং থুরেইনকে জাতিসংঘের দূত হতে এগিয়ে দিয়েছে।

বর্তমান মিয়ানমার রাষ্ট্রদূত কিয়াও মো টুন -সু চির সরকার কর্তৃক নিযুক্ত। সামরিক অভ্যুত্থানের বিরোধিতা করার জন্য তিনি হত্যার হুমকি পেলেও তার জাতিসংঘের স্বীকৃতি পুনর্নবীকরণ করতে বলেছেন। যদিও জাতিসংঘে মিয়ানমারের প্রাক্তন বিশেষ দূত, যিনি গত মাসে পদত্যাগ করেছেন, তিনি সতর্ক করে বলেছিলেন- কোনও দেশই জান্তাকে স্বীকৃতি বা বৈধতা দেবে না। মহাসচিব গুতেরেস নিজেই ফেব্রুয়ারিতে এই সামরিক অভ্যুত্থান যাতে ব্যর্থ হয় তা নিশ্চিত করার জন্য চাপ তৈরি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন মিয়ানমারের ওই বিশেষ দূত।

সূত্র: রয়টার্স
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Rabbi Badal
২ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৮:০৩

তালেবান জনগনের ইচ্ছা বা ভোটে ক্ষমতায় আসেনি। নির্বাচিত সরকারকে অস্ত্রের মুখে হটিয়ে ক্ষমতায় এসেছে (যদিও তারা বিদেশীদের তাড়িয়েছে, যেটা ভাল)। তাদের ক্ষমতায় আসার পথটা মিলিটারি কূ এর সমপর্যায়। তারা উচ্চস্বরে এটাও বলতেছে যে, দেশের জনগনকে কখনোই ভোটাধিকার দিবে না। নির্বাচনও (জনগনের স্বাধীকার) দিবে না সুতরাং তারা জনগনের সরকার নয়। বাস্তবতা এই যে, অধিকাংশ জনগন তালেবানকে পছন্দ করে না। ক্ষমতায়ও দেখতে চায় না। জীবনের ভয়ে চুপ করে আছে। তাদেরকে স্বীকৃতি দেওয়া সভ্যতাকে কলা টিপে হত্যা করার সমান। তারা যেদিন সকল দল মতকে সাথে নিয়ে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে স্বাধীন সরকার গঠন করতে পারবে, কেবল তখনই স্বীকৃতি দেওয়া উচিত । নতুবা পৃথিবীতে আরও অরাজক দলের আবির্ভাব ঘটবে। যা কাম্য নয়।

আবুল কালাম আযাদ
২ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:৫৭

তালেবান তাদের দেশের জনগনের সৰ্মথিত। আর মায়ানমারের জান্তা?

N Islam
২ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৩:১৪

তালেবানকে বার্মার জান্তার সাথে তুলনা ! তালেবানতো তাদের দেশের জন্য মুক্তিযোদ্ধা ।

অন্যান্য খবর