× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার , ১৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

বরগুনায় ২ জলদস্যু জেলহাজতে

বাংলারজমিন

বরগুনা প্রতিনিধি
৩ ডিসেম্বর ২০২১, শুক্রবার

বরগুনার পাথরঘাটা থানায় করা ডাকাতির মামলায় ২ জলদস্যুকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। পাথরঘাটার আমলি আদালত গতকাল তাদের জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। তারা হলেন- ইলিয়াস হোসেন মৃধা ও শানু হাওলাদার। তাদের মধ্যে ২৮ বছর বয়সী ইলিয়াসের বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ইছাদি গ্রামে। ৬৮ বছর বয়সী শানুর বাড়ি পটুয়াখালী সদরের লাউকাঠি এলাকায়।
এরা দু’জন বঙ্গোপসাগরে জেলেদের ট্রলারে ডাকাতি, লুণ্ঠন ও অপহরণের সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে র‌্যাব।
র‌্যাব আরও জানায়, ডাকাতির ঘটনায় গত ২৭শে নভেম্বর একটি মামলা হয়। এর ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গত ৩০শে নভেম্বর রাতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ও পটুয়াখালী সদর থেকে তাদের দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পাথরঘাটা থানার ওসি আবুল বাশার জানান, ইলিয়াস ও শানুকে গতকাল আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত বুধবার র‌্যাবের এক প্রেস নোটে তাদের দু’জনকে গ্রেপ্তার ও পাথরঘাটা থানায় হস্তান্তরের কথা জানানো হয়।
এতে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক খন্দকার আল মঈন জানান, সম্প্রতি পাথরঘাটা, বরগুনা ও পটুয়াখালী সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলেদের ট্রলারে ডাকাতি, লুণ্ঠন ও অপহরণের ঘটনার হোতা ইলিয়াস। তাকে মঙ্গলবার রাতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে মুক্তিপণের ৫ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে ইলিয়াস সংঘবদ্ধ জলদস্যু দলের সদস্য বলে স্বীকার করেছে। এ দলে ১৫ থেকে ১৭ জন সদস্য রয়েছে। তার দায়িত্ব ছিল অপহরণকৃতদের মুক্তিপণের অর্থ সংগ্রহ ও ব্যবস্থা করা। তার অধীনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থানরত বেশ কয়েকজন ছদ্মবেশী অর্থ সংগ্রাহকও রয়েছেন। যারা ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ আদায় করে তার কাছে পৌঁছান।শানু হাওলাদার দলের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। দিনে তারা ছদ্মবেশে বা আত্মগোপনে থাকলেও রাতে সমুদ্রে গিয়ে জেলেদের নৌকায় ডাকাতি করতো। মাছ ধরার মৌসুম বাদে অন্য সময় তারা গার্মেন্টকর্মী, নির্মাণ শ্রমিক, রাজমিস্ত্রি, সেমাই ও মিষ্টি তৈরির কারখানা ও ইটের ভাটায় কাজ করতো।
অনেক সময় দেশের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক বিয়ে করে ছদ্মবেশে জীবনযাপন করতো।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর