× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার , ১৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

কুমিল্লায় কাউন্সিলরসহ জোড়া খুন /প্রধান আসামি শাহ আলম ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা থেকে
৩ ডিসেম্বর ২০২১, শুক্রবার

কাউন্সিলর সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি শাহ আলম বুধবার রাতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। জেলার আদর্শ সদর উপজেলার গোমতী নদীর চাঁনপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শাহ আলম নগরীর সুজানগর এলাকার মৃত জানু মিয়ার ছেলে। গতকাল জেলা পুলিশের সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সোহান সরকার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, আদর্শ সদর উপজেলার চাঁনপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় কয়েকজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী অবস্থান করছে- এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের পৃথক টিম বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে অভিযান চালায়। সেখানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করতে থাকে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। দু’পক্ষের গোলাগুলিতে একজন সন্ত্রাসী গুলিবিদ্ধ হয়, অপর সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
ঘটনাস্থল থেকে এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ ও হাতে আগ্নেয়াস্ত্রসহ উদ্ধার করা হয়। তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ নিশ্চিত হয় নিহত ব্যক্তির নাম শাহ আলম এবং সে কাউন্সিলরসহ জোড়াখুনের মামলার প্রধান আসামি। গোলাগুলির সময় ঘটনাস্থলে পুলিশের দু’জন সদস্য আহত হন। তাদের চিকিৎসার জন্য পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল হতে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত একটি পিস্তল, গুলি ও কার্তুজের খোসা উদ্ধার করেছে। এদিকে পুলিশ কাউন্সিলর সোহেল হত্যা মামলার এজাহার বহির্ভূত ইমরান খন্দকার (২০) নামে আরও একজনকে বুধবার রাতে আদর্শ সদর উপজেলার আলেখারচর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে। সে নগরীর সুজানগর এলাকার আবুল বাশারের ছেলে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সোহান সরকার সাংবাদিকদের জানান, ইমরান বলেছে- ঘটনার দিন বিকালে তার মামাতো ভাই জিসান তাকে ফোন করে তাদের বাসার দিকে যেতে বলে। সেখানে যাওয়ার পর সে শাহ আলম, সাব্বির, সাজন, সোহেল ওরফে জেল সোহেল, মাসুমসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই-তিনজন লোক দেখতে পায়। তারা অস্ত্র-গুলি ও হাত বোমা কয়েকটি কালো ব্যাগে ভর্তি করছিল। এরপর ব্যাগ তিনটি ইমরান ও জিসানকে দিয়ে তারা চলে যায়। ইমরান ও জিসান অস্ত্র-গুলি ও বোমাভর্তি ব্যাগ তিনটি সংরাইশ এলাকায় একটি বাড়ির ভেতরে রেখে পালিয়ে যায়। ইমরানকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার বিকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আনওয়ারুল আজিম জানান, বুধবার রাতে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে গেলে সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর হামলা, হত্যা ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। একই রাতে গ্রেপ্তার ইমরান খন্দকার নামে একজনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
এদিকে কাউন্সিলর সোহেলসহ জোড়াখুনের প্রধান আসামি শাহ আলম পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হওয়ার খবরে এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। অপরদিকে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত শাহ আলমের লাশ এলাকায় যেন ঢুকতে না পারে, সেজন্য ঝাড়ুমিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছেন স্থানীয়রা। শাহ আলমের এলাকার মোবারক হোসেন জানান, তার অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ ছিল। আমরা চাই তার লাশ যেন এলাকায় না আনা হয়। মামলার বাদী রুমান জানান, আমি পুলিশ সুপারকে ধন্যবাদ জানাই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের গডফাদার কারা? অর্থ ও অস্ত্রের যোগানদাতাদের খুঁজে বের করতে হবে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর