× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৩ জানুয়ারি ২০২২, রবিবার , ৯ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

দুই ম্যাচে স্পিনারদের শিকার ৬৭ উইকেট / বাংলাদেশ-ইংল্যান্ডের রেকর্ড ভাঙলো লঙ্কা-উইন্ডিজ

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক
৪ ডিসেম্বর ২০২১, শনিবার

গল টেস্টেও ভেলকি দেখালেন স্পিনাররা। আর শ্রীলঙ্কার জয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ডের এক রেকর্ড ভেঙে দিলো লঙ্কা-উইন্ডিজ টেস্ট সিরিজ। গতকাল দুই লঙ্কান স্পিনার রমেশ মেন্ডিস-লাসিথ এম্বুলদেনিয়ার সামনে দাঁড়াতেই পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২৯৭ রান তাড়া করতে নেমে শুক্রবার পঞ্চম দিনের দ্বিতীয় সেশনে উইন্ডিজ থেমে যায় ১৩২ রানে। সমান পাঁচটি করে উইকেট ভাগাভাগি করেন মেন্ডিস-এম্বুলদেনিয়া। ১৬৪ রানের বড় জয়ে ২-০তে সিরিজ নিশ্চিত করলো শ্রীলঙ্কা। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে স্পিনারদের সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারের রেকর্ড হয়েছে এই সিরিজে। সিরিজে মোট ৬৭ উইকেট শিকার স্পিনারদের।
আগের রেকর্ডটি ছিল বাংলাদেশের মাটিতে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড সিরিজের। ২০১৬ সালে ওই সিরিজে স্পিনাররা নিয়েছিলেন ৬২ উইকেট। চট্টগ্রাম ও ঢাকায় গড়ানো দুই টেস্টে মোট পতন হওয়া ৮০ উইকেটের একটি ছিল রানআউট। সিরিজে সর্বাধিক ১৯ উইকেট নেন অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ। বাঁ-হাতি স্পিনার সাকিব আল হাসানের শিকার ছিল দ্বিতীয় সর্বাধিক ১২ উইকেট। সেবার ঢাকা টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয় দেখে বাংলাদেশ। ইংলিশদের বিপক্ষে টেস্টে এটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম জয়। এবারের লঙ্কা-উইন্ডিজ সিরিজে পতন হয়েছে ৭৩ উইকেট। এতে দুটি রানআউট। সিরিজে সর্বাধিক ১৮ উইকেট শিকার
রমেশের। ১৩ উইকেট নিয়েছেন এম্বুলদেনিয়া। ক্যারিবীয় দুই বাঁহাতি স্পিনার ওয়ারিকান ও পেরমলের শিকার যথাক্রমে ৯ ও ৮ উইকেট।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালোই প্রতিরোধ গড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৫ রানে ক্রেইগ ব্রাথওয়েটের বিদায়ের পর হাল ধরেন জার্মেইন ব্ল্যাকউড-এনক্রুমা বোনার। মধ্যাহ্ন বিরতির আগ মুহূর্তে ব্ল্যাকউডের বিদায়ে ৬৫/২ নিয়ে প্রথম সেশন শেষ করে উইন্ডিজ। দলীয় ৯৩ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন শেই হোপ। এরপরই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে উইন্ডিজ ব্যাটিং লাইন। উইকেটে এসে কোনো রান যোগ করতে পারেননি রস্টন চেজ ও কাইল মায়ার্স। দেখতে দেখতে স্কোর হয়ে যায় ৯২/৫। এক ওভারেই তিন উইকেট নেন রমেশ মেন্ডিস। দলীয় ১০৮ রানে শেষ স্বীকৃত ব্যাটার বোনারের বিদায়ে হার প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায় সফরকারীদের। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৪ রান আসে তারই ব্যাট থেকে।
ম্যাচসেরা হন দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫৫ রানের হার নামা ইনিংস খেলা ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা। ২৬২ বলের ইনিংসে ছিল ১১টি চার ও ২টি ছক্কার মার। ১২৪ বলে ৩৯ রান করেন লাসিথ এম্বুলদেনিয়া। মাঠ ছাড়ার আগে শ্রীলঙ্কার হয়ে নবম উইকেটে সর্বোচ্চ ১২৪ রানের রেকর্ড জুটি গড়েন তারা। ৮ উইকেটে ৩২৮ রানে চতুর্থ দিন শেষ করেছিল শ্রীলঙ্কা। আজ পঞ্চম দিনের তৃতীয় ওভারের চতুর্থ বলে আউট হন এম্বুলদেনিয়া। দলীয় ৩৪৫ রানে ইনিংস ঘোষণা করে শ্রীলঙ্কা। নবম উইকেটে শ্রীলঙ্কার আগের রেকর্ড জুটি ছিল থিলান সামারাভিরা-অজন্তা মেন্ডিসের। ২০১০ সালে কলম্বোতে ভারতের ১১৮ রানের জুটি গড়েন তারা। টেস্টে নবম উইকেটে শ্রীলঙ্কার শতরানের জুটি আছে আরো দুটি। ২০০৬ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চামিন্দা ভাস-নুয়ান কুলাসেকারার ১০৫ এবং ২০০৪-এ ফয়সালাবাদে পাকিস্তানের বিপক্ষে সনাৎ জয়াসুরিয়া-দিলহারা ফার্নান্দো করেছিলেন ১০১ রান।  
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর