× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার , ১৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

চার ব্যবসায়ীর পক্ষে সিলেটে প্রতারণার মামলা

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে
৫ ডিসেম্বর ২০২১, রবিবার

ভূমি ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত ব্যবসায় টাকা বিনিয়োগ করার আশ্বাস দিয়ে চার ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ব্লাঙ্ক চেক নিয়ে উল্টো তাদের হয়রানি করছেন আশরাফুল ইসলাম বাহার নামে এক ব্যক্তি। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের পক্ষে সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার এই মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গিয়াস উদ্দিন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার এজাহারে গিয়াস উদ্দিন জানান, ঢাকার বনানীতে ৬.৬৭৫৬ একর জায়গা ক্রয় করে এখানে আবাসন ব্যবসা করার লক্ষ্যে তারা একটি চুক্তিপত্র সম্পাদন করেন। চুক্তিপত্রে দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার ইউনিয়নের নৈখাই, ওসমানপুর গ্রামের মো. আশরাফুল ইসলাম বাহার, দাউদপুর ইউনিয়নের তুরুক খলা গ্রামের গিয়াস উদ্দিন, পূর্ব দাউদপুর গ্রামের আলী আহমদ, ঢাকার ধানমণ্ডির বাসিন্দা ওমর ফারুক, সিলেট মহানগরের আখালিয়ার বাসিন্দা নুরুল ইসলাম এবং আখালিয়ার বাসিন্দা সোহেল আহমদ চৌধুরী সোহেল চুক্তিপত্রে সই করেন। তাদের মধ্য থেকে আশরাফুল ইসলাম বাহার তাদের ব্যবসায় প্রাথমিকভাবে নগদ টাকা প্রদানে রাজি হন। এর প্রেক্ষিতে অন্যরা তার কাছে প্রত্যেকে দুটি করে ব্লাঙ্ক চেক দিতে হবে।
গিয়াস উদ্দিন এবং উপর ব্যবসায়ীরা তাতে সম্মত হন। চুক্তি অনুযায়ী চেক এবং ৩৬টি খালি স্ট্যাম্প আশরাফুল ইসলাম বাহারের কাছে তারা প্রদান করেন। চেক এবং স্ট্যাম্প গ্রহণের পর আশরাফুল ইসলাম বাহার তাদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। একপর্যায়ে তিনি এই চুক্তিতে না থাকার কথা জানান। তখন গিয়াস উদ্দিন এবং অন্যরা তাদের প্রদানকৃত চেক ও স্ট্যাম্প ফেরত চান। বাহার এক সপ্তাহ সময় নেন এবং তাদের চেক ফেরত দিবেন বলে জানান।
এভাবে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি গিয়াস উদ্দিন গংদের চেকও স্ট্যাম্প ফেরত না দিয়ে উল্টো তাদের বিরুদ্ধে পাওনা টাকা দাবি করে বসেন। এই প্রেক্ষিতে গিয়াস উদ্দিন কোতোয়ালী মডেল থানায় আশরাফুল ইসলাম বাহারের বিরুদ্ধে একটি জিডি করেন। পরে ওই ব্লাঙ্ক চেকসমূহ ব্যবহার করে বিভিন্ন লোক দিয়ে গিয়াস উদ্দিন এবং অন্যন্যাদের আইনী নোটিশ প্রদান ও মামলা হামলার হুমকি দেন। এমতাবস্থায় গিয়াস উদ্দিন গংরা নিরুপায় হয়ে আশরাফুল ইসলাম বাহার এবং তার সহযোগী মো. নাসির খান, খয়রুজ্জামান এবং শেখ কবির আহমদের বিরুদ্ধে এই প্রতারণার মামলা রুজু করেছেন। মামলায় গিয়াস উদ্দিন নিজেকে এবং তার ওপর অংশীদারদের নিরীহ ব্যবসায়ী উল্লেখ্য, করে মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায় বিচার দাবি করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে সুষ্ঠু তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদানের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর