× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২২ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার , ৮ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৮ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

খালেদা জিয়া না থাকলে আওয়ামী লীগও থাকবে না

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার
৫ ডিসেম্বর ২০২১, রবিবার

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া না থাকলে আওয়ামী লীগও থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বেঁচে আছেন বলেই সীমান্তে শত্রুরা এখনো ভয় পায়। তিনি না থাকলে গণতন্ত্র থাকবে না। খালেদা জিয়া বেঁচে না থাকলে আওয়ামী লীগও থাকবে না। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়া উড়ে এসে জুড়ে বসেন নাই, তিনি বাংলাদেশের ত্যাগ স্বীকার করা নেত্রী, অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন, বিদেশে চিকিৎসা করতে দিন। অন্যায় ভাবে আটকে রেখে বিদেশ যেতে বাধা দিয়ে বিনা চিকিৎসায় নেত্রীকে মারবেন না। অন্যথায়  আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তার চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে, সেই আন্দোলন হবে আপনাদের পতনের আন্দোলন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া আছে বলে সীমান্তে এখনো শত্রুরা ভয় পায়, তিনিই এদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রতীক, তিনি না থাকলে গণতন্ত্র থাকবে না, খালেদা জিয়া না থাকলে আওয়ামী লীগও থাকবে না।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকনের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলের সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বিএনপির প্রচার সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক  আকরামুল ইসলাম মিন্টু প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
এ ছাড়াও ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, জাকির হোসেন জাকির, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম সৈকত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর