× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার , ১৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

ঢাকা উত্তরে কিউলেক্স মশার ৯২৫ হট স্পট, শিগগিরই বিশেষ অভিযান

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় কিউলেক্স মশার ৯২৫টি হট স্পট চিহ্নিত করেছে সিটি করপোরেশন। আগামী ২২ থেকে ৩০শে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এসব মশা নিধন করা হবে বলে জানিয়েছেন করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। মঙ্গলবার গুলশানের নগর ভবনে ডিএনসিসি বহির্ভূত বিভিন্ন সংস্থা ও দপ্তর প্রধানদের নিয়ে আয়োজিত মশক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান। মেয়র বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন লেকে মশার চাষ হচ্ছে। এসব লেকের পাড়ে মানুষ দাঁড়িয়ে থাকতে পারছে না। এজন্য লেকের পাড় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। কচুরিপানা ও বিভিন্ন নিচু এলাকায় মশার উৎপত্তি হচ্ছে। সিটি করপোরেশনে গত ১৭ থেকে ২৫শে নভেম্বর পর্যন্ত ৯২৫টি কিউলেক্স মশার হট স্পট পাওয়া গেছে।
এসব এলাকা থেকে মশা ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে পারে। এতে সমগ্র এলাকায় এসব মশা ছড়িয়ে পড়বে। এ জন্য চলতি মাসেই অভিযান চালানো হবে। তিনি বলেন, উল্লেখযোগ্য সংখ্যকই ডিএনসিসি বহির্ভূত রাজউক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন সংস্থা ও দপ্তরের আওতাভুক্ত হওয়ায় সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত কিংবা ব্যক্তিগত এলাকায় মশার উৎস পাওয়া যাচ্ছে। তাই সকলকেই মশক নিধনে এগিয়ে আসতে হবে। সবাইকে আরও বেশি জবাবদিহিতার মধ্যে দায়িত্ব নিতে হবে।   মেয়র বলেন, এডিসের সময়ে আমার সরকারি বেসরকারি যেসব জায়গায় লার্ভা পেয়েছি, মশা নিধন করেছি। মামলাও দেয়া হয়েছে। কাউকে ছাড় দেয়া হয়নি। আগামীতেও ছাড় দেয়া হবে না। মশা মারতে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। সচেতনতার বিকল্প নেই। বস্তি এলাকায়ও নজরদারি বাড়াতে হবে। কার?ও একার পক্ষেই মশা দূর করা সম্ভব নয়, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিজেদের ঘরবাড়ি ও আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, মশক কর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে আমরা ক্যামেরার সহযোগিতা নেব। পুরো সিটি করপোরেশন এলাকা এখন সিটি ক্যামেরার আওতায়। মশক কর্মীদের হাজিরা ও এলাকায় গিয়ে কাজ করছেন কিনা তা আমরা ক্যামেরার মাধ্যমে শনাক্ত করবো। কেউ দায়িত্বে অবহেলা করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আতিক বলেন, নিজেদের সুস্থতার জন্যই লজ্জা পরিহার করে সবাই মিলে ‘দশটায় ১০ মিনিট প্রতি শনিবার, নিজ নিজ বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’ এই স্লোগানটিকে বাস্তবায়নের মাধ্যমে চলমান সামাজিক আন্দোলনকে সফল করতে হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঢাকাকে দখল, দূষণ ও দুষ্ট লোকের কবল থেকে মুক্ত করে সবার বাসযোগ্য একটি সুস্থ্য, সুন্দর ও আধুনিক নগরীতে রূপান্তরিত করতে হবে। সভায় অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সরকারি, বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও দপ্তরের প্রধান কিংবা প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর