× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি ২০২২, মঙ্গলবার , ১১ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

আবরার হত্যায় ২০ জনের ফাঁসি, ৫ জনের যাবজ্জীবন

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) ডিসেম্বর ৮, ২০২১, বুধবার, ১০:০৭ পূর্বাহ্ন
ছবিঃ জীবন আহমেদ

বহুল আলোচিত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২০ আসামিকে ফাঁসি ও ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। আজ দুপুরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা সবাই বুয়েট ছাত্রলীগের নেতা।

ফাঁসির দণ্ডপাওয়া আসামিরা হলেন- মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, মেহেদী হাসান রবিন, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, মো. মাজেদুর রহমান মাজেদ, মো. মুজাহিদুর রহমান, খন্দকার তাবাককারুল ইসলাম তানভীর, হোসাইন মোহাম্মদ তোহা, মো. শামীম বিল্লাহ, এ এস এম নাজমুস সাদাত, মোর্শেদ অমর্ত্য ইসলাম, মুনতাসির আল জেমি, মো. শামসুল আরেফিন রাফাত, মো. মিজানুর রহমান, এস এম মাহমুদ সেতু, মোর্শেদণ্ডউজ-জামান মণ্ডল জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মুজতবা রাফিদ। তাঁদের মধ্য মোর্শেদণ্ডউজ-জামান মণ্ডল জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মুজতবা রাফিদ পলাতক।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে মুহতাসিম ফুয়াদ হোসেন, মো. আকাশ হোসেন, মুয়াজ আবু হুরায়রা, অমিত সাহা ও ইশতিয়াক আহমেদ মুন্নার।
এর আগে সকাল ৯টা ২০ মিনিটে ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মামলার ২২ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

গত ২৮শে নভেম্বর রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। তবে রায় প্রস্তুত না হওয়ায় সেদিন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান রায় ঘোষণার জন্য ৮ই ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন। আগের ধার্য দিনে রায় ঘোষণা না করার বিষয়ে বিচারক বলেন, রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের আইনজীবীরা যে যুক্তি উপস্থাপন করেছেন, তা বিশ্লেষণ করে রায় প্রস্তুত করা এখনো সম্ভব হয়নি। রায় প্রস্তুত করতে আরও সময় লাগবে।
তাই এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য ৮ই ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হলো।

নথি থেকে যানা যায়, গত বছরের ১৫ই সেপ্টেম্বর আদালত অভিযোগ গঠন করেন। ২০১৯ সালের ১৩ই নভেম্বর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে ৬০ জন সাক্ষীর নামের তালিকা দেয়া হয়। এদের মধ্যে ৪৬ জন সাক্ষ্য দেন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের পাশাপাশি আরও ৬ জনসহ মোট ২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

এজাহারভুক্ত আসামিরা হলো- মেহেদী হাসান রাসেল, অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মেহেদী হাসান রবিন, মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর, মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মনিরুজ্জামান মনির, আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুল ইসলাম, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, মোর্শেদুজ্জামান জিসান ও এহতেশামুল রাব্বি তানিম। এদের মধ্যে মোর্শেদুজ্জামান জিসান ও এহতেশামুল রাব্বি তানিম পলাতক। বাকি ৬ জন হলো- ইশতিয়াক আহমেদ মুন্না, অমিত সাহা, মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, এস এম মাহমুদ সেতু ও মোস্তবা রাফিদ। এদের মধ্যে মোস্তবা রাফিদ পলাতক।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ২১টি আলামত ও ৮টি জব্দ তালিকা জমা দেন। গ্রেপ্তার ২২ জনের মধ্যে ৮ জন আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা সবাই বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। চলতি বছরের ৮ই সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান অভিযোগ সংশোধনে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন গ্রহণ করে ২৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ পুনর্গঠন করেন।


অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
siddq
৯ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৮:২৩

চাইনা দেকতে আপিলের নামে লাগাতার দীর্ঘসূত্রিতা। চাইনা দেখতে অন্যান্য নামকরা খুনিদের মত একই রাজনৈতিক মতাদর্শের হওয়ায় রাষ্ট্রপতির যুক্তিহীন ক্ষমা। চাইনা ভুল তদন্তের নামে কিম্বা ইচ্ছাকৃত ভাবে নিরপরাধ কারো শাস্তি। চাইনা জনগনের পয়সায় প্রতিপালিত হয়ে নিম্ন শ্রেণীর রাজনৈতিক নেতাদের চাকর-বাকড় কিম্বা চেলাচামুণ্ডা হোক। চাই এদের সবার যোগ্য শাস্তি। চাই, সম্ভব হলে প্রকাশ্যে জনসম্মুখেই শাস্তি। চাই ছাত্র রাজনীতির সম্পূর্ণ নিষিদ্ধকরণ।

TANIM CHOWDHURY
৯ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:০২

Good Job. Justice has done.

Mahmud
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ৮:২৬

অপরাধীদের শাস্তি অবশ্যই কাম্য । জন দাবী থাকবেই । কিন্তু বিচারক যখন রায় দেবেন তখন তাকে জন দাবী বা public sentiment নয় , তার সুবিবেচনাপ্রসূত রায় দেবেন এটাই প্রত্যাশিত । একজন মানুষের হত্যায় ২০ জনের ফাঁসি কতটা সুবিবেচনাপ্রসূত সে প্রশ্ন জাগাটা অমূলক নয় ।

shamsuirrahman
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ৩:১১

রায়ে আপাতত সবাই খুশী। কেন্তু দেখার বিষয় আপিলে কি রায় হয়। তারপর বাকী থাকে সর্বশেষ রায়ের পর প্রেসিডেন্ট কতজনকে মাফ করে দেয়।

শওকত আলী
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ২:৫৯

“আসামি মুজাহিদুর রহমান আদালতে বলেন, নির্যাতনের একপর্যায়ে আবরার প্রস্রাব ও বমি করেন। বাঁচার জন্য কাকুতি-মিনতি করেছিলেন। তিনি পানি পান করতে চেয়েছিলেন। একজন আবরারকে পানি দিতে গেলে তখন অনিক খেপে গিয়ে তাঁকেও মারার হুমকি দেন।’’ আবরারকে কিভাবে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে তা আসামীদের জবানবন্দী এবং আমাদের সংবাদ মারফত জানতে পেরেছি। খুবই লোমহর্ষক ও বর্বরোচিত হত্যাকান্ড। ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়। এই হত্যাকান্ডে গোটা জাতি স্তম্ভিত ও ব্যথিত হয়েছে। আদালত কর্তৃক ঘোষিত রায় দ্রুত (উচ্চ পর্যায়ে কোনো পরিবর্তন ব্যতিরেকে) কার্যকর করে জাতিকে বিচার বিভাগের উপর আস্থায় আনা হোক। আবরার ফাহাদ এর জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে জান্নাতুল ফিরদৌস নসীবের দোয়া প্রার্থনা করছি।

jalal
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ২:৪৮

মৃত্যুদণ্ডে অমিত সাহার নাম নেই কেন? ও তো ছিলো মাস্টার মাইন্ড..

তাবসির
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ১:৪৫

আলহামদুলিল্লাহ

[email protected]
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ২:৩০

Instant Hang guilty.

Kazi
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ১:০৮

শাস্তি হল ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক বার্তা । যাতে ভবিষ্যতে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে হত্যা কাণ্ড না করে । আজই আরেকটি শাস্তি হল প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ। এটিও সতর্ক সংকেত একই শ্রেণীর লোকের জন্য। যাতে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলেই নৈতিক স্খলন ঘটিয়ে জনগণের সঙ্গে অসদাচরণ করতে ভবিষ্যতে কেউ সাহস না দেখায় । এই দুই ঘটনা থেকে ছাত্র সংগঠন ও জনপ্রতিনিধি সবার শিক্ষা নেওয়া উচিত ।

wow
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ১:৩৪

perfect. we are happy.

Mustafa Kamal
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ১২:৩২

এই রায় কার্যকরের মাধ্যমে এটাই যেন প্রমানিত হয় এদেশে আইনের শাষন আছে এবং বিচার বিভাগ স্বাধীন।অধিকন্তু, দৃষ্টান্তমুলক এ ধরনের সাজা যেন সকল অপরাধীর মনে ভীতির সঞ্চার করে এবং ভবিষ্যতে কেউ যেন আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙুলী দেখিয়ে খুনখারাবীতে জড়িয়ে না পড়ে।

Abu Hasan
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ১:০০

আপাত শুকরিয়া। হাইকোর্ট এবং সুপ্রীম কোর্ট দেখতে হবে। যত পুরনো হবে তত মনের দাগ কাটবে। তবে এধরনের কাজে মার্সি করা মানে অপরাধকে উৎসাহিত করার সামিল। তাই আশা করছি রায় বহাল থাকবে।

Sharmin Ali
৭ ডিসেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ১১:৫৭

Alhamdullila

Mirza
৭ ডিসেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ১১:৫৩

বিশ্বজিত হত্যার রায়ই তো এখনও কার্যকর হয় নি।

মুহাম্মদ আবুল কালাম
৭ ডিসেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ১১:৫২

আলহামদুলিল্লাহ

সুষমা
৭ ডিসেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ১১:৫১

আপিল করলেও যেন এই সাজা বহাল থাকে।আর রাষ্ট্রপতির কাছেও যেন প্রাণভিক্ষা না পায়।এইসব অছাত্র ছাত্র নামের কলংক।এখন যত দ্রুত সম্ভব এই রায় কার্যকর করা হোক।কোনোভাবেই যেন এরা বেঁচে থাকার সুযোগ না পায়।কি ধৃষ্টতা আর হিংস্র মানোসিকতা এইসব অছাত্রদের-ভাবা যায় ???মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানুষের যে বিশ্বাস আর আস্থা অর্জন করেছেন সেটা অটুট থাকুক।সেই সাথে দেশের মেধাবীরা যেন হারিয়ে না যায় যারা এই সোনার বাংলার মুখ উজ্জ্বল করবে।তাই দ্রুত রায় কার্যকর করা হোক।

ক্ষুদিরাম
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ১২:৪৮

মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তদের মধ্যে কি অমিত সাহা আছে ?????? যদি থাকে তাহলে নিশ্চিত আপিলে এ রায় বাতিল হয়ে যাবে। আর যদি না থাকে তাহলে রায় কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

মোতাহার
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ১২:৪৫

এখনো অনেক পথ বাকি। জজ কোর্টে রায় হওয়া আর রায় কার্যকর হওয়া এক কথা নয়।

mamun
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ১২:৩৯

আলহামদুলিল্লাহ, রায় দ্রুত কার্যকর করা হোক।

mamun
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ১২:৩৯

আলহামদুলিল্লাহ, রায় দ্রুত কার্যকর করা হোক।

amir
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ১২:৩৮

খুনিদের সাথে দলীয় তকমা থাকায় রায় কার্যকরে যেন গড়িমশি না হয় সেদিকে সংশ্লিষ্টদের খেয়াল রাখতে হবে!

Mahbub
৭ ডিসেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ১১:৩৬

রায়ের দ্রুত বাস্তবায়ন চাই যাতে কোন কুলাঙ্গার এ ধরণের জঘন্য অপরাধ করতে সাহস না পায়।

নাছির উদ্দীন
৭ ডিসেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ১১:২৯

শোকরিয়া। এখন বিশেষ ক্ষমায় যাতে ছাড়া না পায়, সে কামনা করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছেন। খুনিরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পেয়েছে। এভাবে সব হত্যাকাণ্ডের বিচার হোক।

জামশেদ পাটোয়ারী
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ১২:২৭

রায় দ্রুত কার্যকর করে আবরার এর বাবা-মায়ের বুকের অন্তহীন রক্তক্ষরণ বন্ধ করা হোক। এসব অপরাধের রায় প্রকাশ্যে কার্যকর করা উচিৎ। তাতে ভবিষ্যতে এধরনের অপরাধ কমে আসবে, এরকম অকালে কেউ প্রাণ হারাবে না। বহু নেতা কর্মী এই ধরনের অপরাধ করা থেকে বিরত থাকবে। যারা অপরাধ করেছে মৃত্যু দন্ডের মুখোমুখি তাদের বাবা-মায়েরাও অনেক আশা নিয়ে এবং কষ্ট করে তাদের সন্তানদের লেখাপড়া চালিয়ে যায় উজ্জল ভবিষ্যতের আশায়।

kalam
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ১২:২১

রায় ধ্রত কার্যকর করা হবে এটাই আশা করছি

সুষমা
৭ ডিসেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ১০:৩৩

কঠিন শাস্তি হউক যেন কেউ এমন নির্মমভাবে হত্যার স্পর্ধা না দেখায়।খুব খুব খুব কঠিন শাস্তি।

Omar Faruk
৮ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার, ১১:১৪

দৃষ্টান্ত শাস্তি চাই

অন্যান্য খবর