× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ১৭ জানুয়ারি ২০২২, সোমবার , ৩ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

চাটমোহরে ফসলি জমিতে পুকুর খননের ধুম

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা থেকে
১৫ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার

পাবনার চাটমোহরে বিভিন্ন বিলে, ফসলি জমি নষ্ট করে অবাধে পুকুর খননের ধুম পড়ে গেছে। আর খনন করা পুকুরের মাটি ট্রাক ও ট্রলিযোগে বিক্রি হচ্ছে অনুমোদনহীন ইটভাটা সহ বিভিন্ন স্থানে। অভিযোগ আছে পুকুর খননের জন্য সরকারি অনুমোদন না থাকলেও কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে করা হচ্ছে এই কাজ।
সোমবার দুপুরে সরজমিন উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের বিন্যাবাড়ী গৌরনগর ছয়আনী বিলে গিয়ে দেখা যায়, এস্কেভেটর দিয়ে বিলের ফসলি জমি কেটে পুকুর খনন করা হচ্ছে। যাদের  কোনো অনুমোদন নেই। ৫টি মিনি ট্রাক ও ট্রলি দিয়ে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। আর তা ক্রয় করছে স্থানীয় ইটভাটাসহ বিভিন্ন মানুষ। বিলের মাঝখানে নিচু জমি হওয়ায় দূর থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেল, লিটন, বাবু, সাইফুল সহ কয়েকজন এই মাটি কাটা ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত। মাটি নিয়ে যাওয়ার কারণে আশপাশের ফসলি জমি ও চলাচলের সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত লিটন বলেন, আমাদের অনুমোদন আছে। কোনো সমস্যা নাই। অনুমোদনের কাগজ দেখতে চাইলে ২০২০ সালের একটি ডিসিআর’র কাগজ দেখান। অর্থাৎ ২০২০ সালের অনুমোদনের কাগজ  দেখিয়ে ২০২২ সালে এসেও তারা পুকুর খনন করছেন। তথ্যমতে, গত কয়েকদিনে উপজেলার ছাইকোলা ইউনিয়নের লাঙ্গলমোড়া বিলে, মথুরাপুর ইউনিয়নের চিরইল বিলে, ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের খৈরাশ ও কাটাখালী, হরিপুর, নিমাইচড়া ও হাণ্ডিয়াল ইউনিয়নের বিভিন্ন বিলে পুকুর খনন করা হয়েছে। যার কোনোপ্রকার অনুমোদন ছিল না। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ফসলি জমির মালিক মাটিকাটার জন্য স্থানীয় মাটি ব্যবসায়ীর সঙ্গে চুক্তি করে এই কাজ করছেন।
একাধিক সূত্র জানায়, ফসলি জমির সেই মাটি বিক্রি করা হচ্ছে প্রতি গাড়ি ৫শ’ থেকে ৬শ’ টাকায়। কুত্তা গাড়িযোগে বিক্রিত মাটি চলে যাচ্ছে ইটের ভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে। এই সকল গাড়ির কারণে সড়কগুলো চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জানানোর পর তারা পুকুর খনন বন্ধ করে দেন। কিছুদিন বাদে আবার শুরু হয়। এভাবেই চলছে ফসলি জমিতে পুকুর খনন আর মাটি বিক্রির উৎসব। চাটমোহর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, আমরা খোঁজ নিয়ে লোক পাঠাচ্ছি। যখনই খবর পাচ্ছি, সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দিচ্ছি। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে মূলগ্রাম ও ডিবিগ্রাম ইউনিয়নে দু’টি স্থানে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মানুষ সচেতন না হলে প্রতিরোধ করা কঠিন বলেও মনে করেন তিনি।



স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা থেকে: পাবনার চাটমোহরে বিভিন্ন বিলে, ফসলি জমি নষ্ট করে অবাধে পুকুর খননের ধুম পড়ে গেছে। আর খনন করা পুকুরের মাটি ট্রাক ও ট্রলিযোগে বিক্রি হচ্ছে অনুমোদনহীন ইটভাটা সহ বিভিন্ন স্থানে। অভিযোগ আছে পুকুর খননের জন্য সরকারি অনুমোদন না থাকলেও কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে করা হচ্ছে এই কাজ।
সোমবার দুপুরে সরজমিন উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের বিন্যাবাড়ী গৌরনগর ছয়আনী বিলে গিয়ে দেখা যায়, এস্কেভেটর দিয়ে বিলের ফসলি জমি কেটে পুকুর খনন করা হচ্ছে। যাদের  কোনো অনুমোদন নেই। ৫টি মিনি ট্রাক ও ট্রলি দিয়ে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। আর তা ক্রয় করছে স্থানীয় ইটভাটাসহ বিভিন্ন মানুষ। বিলের মাঝখানে নিচু জমি হওয়ায় দূর থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই। খোঁজ নিয়ে জানা গেল, লিটন, বাবু, সাইফুল সহ কয়েকজন এই মাটি কাটা ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত। মাটি নিয়ে যাওয়ার কারণে আশপাশের ফসলি জমি ও চলাচলের সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত লিটন বলেন, আমাদের অনুমোদন আছে। কোনো সমস্যা নাই। অনুমোদনের কাগজ দেখতে চাইলে ২০২০ সালের একটি ডিসিআর’র কাগজ দেখান। অর্থাৎ ২০২০ সালের অনুমোদনের কাগজ  দেখিয়ে ২০২২ সালে এসেও তারা পুকুর খনন করছেন। তথ্যমতে, গত কয়েকদিনে উপজেলার ছাইকোলা ইউনিয়নের লাঙ্গলমোড়া বিলে, মথুরাপুর ইউনিয়নের চিরইল বিলে, ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের খৈরাশ ও কাটাখালী, হরিপুর, নিমাইচড়া ও হাণ্ডিয়াল ইউনিয়নের বিভিন্ন বিলে পুকুর খনন করা হয়েছে। যার কোনোপ্রকার অনুমোদন ছিল না। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ফসলি জমির মালিক মাটিকাটার জন্য স্থানীয় মাটি ব্যবসায়ীর সঙ্গে চুক্তি করে এই কাজ করছেন।
একাধিক সূত্র জানায়, ফসলি জমির সেই মাটি বিক্রি করা হচ্ছে প্রতি গাড়ি ৫শ’ থেকে ৬শ’ টাকায়। কুত্তা গাড়িযোগে বিক্রিত মাটি চলে যাচ্ছে ইটের ভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে। এই সকল গাড়ির কারণে সড়কগুলো চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জানানোর পর তারা পুকুর খনন বন্ধ করে দেন। কিছুদিন বাদে আবার শুরু হয়। এভাবেই চলছে ফসলি জমিতে পুকুর খনন আর মাটি বিক্রির উৎসব। চাটমোহর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, আমরা খোঁজ নিয়ে লোক পাঠাচ্ছি। যখনই খবর পাচ্ছি, সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দিচ্ছি। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে মূলগ্রাম ও ডিবিগ্রাম ইউনিয়নে দু’টি স্থানে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মানুষ সচেতন না হলে প্রতিরোধ করা কঠিন বলেও মনে করেন তিনি।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর