× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২৯ মে ২০২২, রবিবার , ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৭ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

দিনাজপুরে ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে আফতাবগঞ্জ মসজিদ

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর থেকে
১৬ জানুয়ারি ২০২২, রবিবার

আগ্রার তাজমহলের আদলে শিল্পী’র নিপুণ শৈলীতে তৈরি হচ্ছে দিনাজপুর আফতাবগঞ্জ জামে মসজিদ। দৃষ্টিনন্দন, নান্দনিক কারুকার্য আর নয়নাভিরাম এই মসজিদটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে, ৫০ কেটিরও বেশি টাকা। তিনতলাবিশিষ্ট এ মজজিদে একসঙ্গে ৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রয়েছে। মসজিদের নান্দনিক সৌন্দর্য দেখতে দর্শনার্থীরা বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসছেন। দূর থেকে দেখলে মনে হবে, যেন তাজমহল বা রাজপ্রাসাদ। অপরূপ সৌন্দর্য আর শৈল্পিক কারুকার্যে চোখ ধাঁধানো ডিজাইনের মিশ্রণে গড়ে তোলা এ মসজিদটি ছড়িয়েছে আলোকচ্ছটা। মসজিদ নির্মাণে অনেকটা অনুসরণ করা হয়েছে, আগ্রার তাজমহলকে। দিনাজপুর শহর থেকে ৬৩ কিলোমিটার দূরে নবাবগঞ্জ উপজেলার আফতাবগঞ্জ বাজারে নির্মিত মসজিদটির নান্দনিক সৌন্দর্য দেখতে দর্শনার্থীরা বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসছেন।
এক বিঘা জমির ওপর নির্মিত ১০ হাজার স্কয়ার ফুটের এ মসজিদে ১৬টি পিলারের উপরে রয়েছে, ৩২টি ছোট মিনার। এছাড়াও চার কোণায় সুউচ্চ চারটি মূল গম্বুজ আছে। প্রতিটির উচ্চতা ৯৭ ফুট। স্থাপতির নন্দন ভাবনা শৈলী ফুটে উঠেছে, এ মসজিদের গম্বুজের ভেতর ও বাইরের অংশও। ভারত, চীন ও ইতালির মার্বেল পাথর-গ্রানাইড ও মূল্যবান কাঠ ব্যবহার করা হয়েছে, মসজিদে। সাদা মার্বেল পাথরের উপরে ফুলদানী, ফুলের ঝাড়, গোলাপ ফুল, চাঁদতারা, নক্ষত্র ও আরবি ক্যালিগ্রাফি লিপি স্থান পেয়েছে, মসজিদটির নকশায়। নির্মাণে প্রতিদিন কাজ করছেন, রাজমিস্ত্রী, ডিজাইনার,  টেকনিশিয়ানসহ ৪০ জন। তিন তলাবিশিষ্ট এ মজজিদের তিনটি তলাতেই রয়েছে, নামাজের ব্যবস্থা। তবে নিচতলায় বিশেষ ব্যবস্থায় রয়েছে, লাইব্রেরি, সেমিনার কক্ষ, ইমাম ও খাদেমের আবাসন ব্যবস্থা। কেন্দ্রীয়ভাবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও মসজিদের সামনে থাকবে নান্দনিক ফোয়ারা। মসজিদটি নির্মাণ করছেন, দেশের বৃহত্তম বিনোদন কেন্দ্র স্বপ্নপূরীর স্বত্বাধিকারী আফতাব পরিবার।
স্বপ্নপুরীর কথা ভেবে আগ্রার তাজমহলের অনুসরণ করে আফতাবগঞ্জে সুদৃশ্য, নান্দনিক আধু্‌নিক স্থাপত্যের সংমিশ্রণে মসজিদটি নির্মাণ করা হচ্ছে বলে জানালেন নির্মাতারা।
নির্মাতা দেলওয়ার হোসেন জানালেন, ২০১৫ সালে মসজিদটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। আর শেষ হবে ২০২৫ সালে। নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে, ৫০ কোটি টাকারও বেশি। একসঙ্গে ৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন এই মসজিদে। ২০২১ সালের জুন মাস থেকে এই মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা। স্থানীয় সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক জানালেন, এই মসজিদ তৈরি করছেন, আফতাব পরিবার। স্থানীয় হাটের টোল তোলার পর তা মসজিদটি নির্মাণ কাজে ব্যয় হচ্ছে। অপূর্ব শৈল্পিক কারুকার্য শোভিত এবং আগ্রার তাজমহলের আদলে নির্মিত হচ্ছে, এই আফতাবগঞ্জ জামে মসজিদ। এই মসজিদটি যেমন একদিকে দর্শনার্থীদেরও দৃষ্টিগোচর করছে, তেমনি বিশ্ব মুসল্লিম উম্মাহ্‌র সালাত আদায়ের জন্য নির্মিত হচ্ছে এক বিশাল আকৃতির এই স্থাপনা।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর