× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২২ মে ২০২২, রবিবার , ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২০ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

মাশরাফিকে নিয়ে শঙ্কা

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার
১৯ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার

বিসিবি একাডেমি মাঠে অনুশীলনে এসে শুরুতে কিছুক্ষণ ওয়ার্মআপ করেন মাশরাফি। এরপর তামিম ইকবালকে বোলিং শুরু করেন। শর্ট রান আপে ধীরে ধীরে কিছুক্ষণ বোলিং করার পর লং রানআপে বোলিং করার চেষ্টা করেন। প্রথমবার বল ছুড়তে পেরেছিলেন, পরের দুইবার পারেননি। এরপর মাঠে শুয়ে পড়েন মাশরাফি। এর আগে তার হাতেও লাগানো হয় টেপ। সব মিলিয়ে সকাল গুঞ্জন তিনি খেলতে পারবেন তো বিপিএলের এই আসর! তবে দলের ফিজিও এনামুল হক জানালেন বড় কোনো সমস্যা নেই। তবে কোমরের ব্যথা অব্যাহত থাকলে হয়তো প্রথম দুটি ম্যাচ না খেলা হতে পারে মিনিস্টার ঢাকার এই তারকা ক্রিকেটারের।
যদিও পরে জানা গেছে, তিনি কোমরের নতুন এক চোটে ভুগছেন। আছে ব্যথা, সেটি না কমা পর্যন্ত তার খেলার সম্ভাবনা নেই। একটি সূত্র জানায়, ‘মাশরাফির কোমরের যে ব্যথা সেটি নতুন চোট। আগে ডিস্কে যে ব্যথা ছিল তার সঙ্গে এটির একটি যোগসূত্র থাকতে পারে। তবে এটি সত্যি যে, এই ব্যথা না কমা পর্যন্ত তিনি খেলতে পারবেন না বিপিএলে।’ মাশরাফি সর্বশেষ বল হাতে দৌড়ান ২০২০ সালের ১৮ই ডিসেম্বর। বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনালে খেলেছিলেন জেমকন খুলনার হয়ে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের বিপক্ষে। এরপর আর কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে নামেননি তিনি। বিসিএলের ওয়ানডে সংস্করণ দিয়ে ফেরার কথা ছিল, ফিট না থাকায় পারেননি। এখন বিপিএলেও শঙ্কা! গতকাল দেশের সাবেক এই অধিনায়কের বর্তমান অবস্থান নিয়ে মিনিস্টার ঢাকার ফিজিও এনামুল হক বলেন, ‘কোমরের পুরনো ব্যথা থাকায় বোলিং করেননি মাশরাফি। তাকে নিয়ে কোনো ঝুঁকি নেবে না টিম ম্যানেজমেন্ট। তার খেলা না খেলা নির্ভর করছে ব্যথা মুক্ত হওয়ার ওপর, ফিট থাকার ওপর। এক্ষেত্রে প্রথম দুই ম্যাচে খেলার সম্ভাবনা ফিফটি-ফিফটি। ব্যথামুক্ত হওয়ার আগে কিছু বলা যাচ্ছে না। মাশরাফির আগে ব্যথা ছিল।  মাঝখানে ব্যাক পেইন ছিল। হাতে আমরা টেপিং করেছি আগের জায়গায়। অতিরিক্ত প্রটেকশনের জন্য।  হাতে এখনো দুটি দিন আছে। উনার ব্যথা যদি কমে তাহলে ইতিবাচক পথে এগুনো হবে। তবে ব্যথা না কমলে অন্তত প্রথম ম্যাচে তাকে নিয়ে কোনো ঝুঁকি নেয়া হবে না।’ তার ফিটনেস  নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন দলের  কোচ মিজানুর রহমান বাবুলও। এর আগে মাশরাফির ফিটনেস নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ঢাকার কোচ বাবুল বলেছিলেন, ‘মাশরাফি কিন্তু বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপেও পরের দিকে এসে ম্যাচ জিতিয়েছে, শুরুতে খেলেনি। এবার বিপিএল খেলার জন্য সে প্রায় ১০ কেজি ওজন কমিয়েছে। তার প্রস্তুতি ওরকম ছিল। আমার মনে হয় মাশরাফি ইজ মাশরাফি। ইনশাআল্লাহ, তাকে নিয়মিতই ম্যাচে দেখা যাবে।’
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর