× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২২ মে ২০২২, রবিবার , ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২০ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

‘দ্য বেস্ট’

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক
১৯ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার

২০২০ সালে ফিফার বর্ষসেরা নির্বাচিত হন রবার্ট লেভানদোভস্কি। করোনার জেরে বাতিল না হলে হয়তো ব্যালন ডি’অর পুরস্কারও উঠতো পোলিশ স্ট্রাইকারের হাতে। এবারের ব্যালন ডি’অর পুরস্কার জেতেন লিওনেল মেসি। অল্পের জন্য আর্জেন্টাইন সুপারস্টারকে হারাতে পারেননি লেভানদোভস্কি। পোলিশ স্ট্রাইকারের ব্যালন ডি’অর না পাওয়ার আক্ষেপ ঘুচলো টানা দ্বিতীয়বার ফিফার বর্ষসেরা নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে। লিওনেল মেসি ও মোহাম্মদ সালাহকে টপকে ২০২১ সালের দ্য বেস্ট ফিফা মেনস প্লেয়ার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখের এই ফরোয়ার্ড। সোমবার সুইজারল্যান্ডের জুরিখে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থার ‘দ্য বেস্ট ফিফা ফুটবল অ্যাওয়ার্ডস’ অনুষ্ঠানে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়। জাতীয় দলসমূহের কোচ-অধিনায়ক, বিশ্বের তিন শতাধিক সাংবাদিক ও ফুটবলপ্রেমীদের ভোটে বেছে নেয়া হয় বর্ষসেরা ফুটবলারকে।

পুরুষ বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচনে গত ২২শে নভেম্বর ১১ জনের তালিকা প্রকাশ করেছিল ফিফা। ২০২০ সালের ৮ই অক্টোবর থেকে ২০২১ সালের ৭ই আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পারফরম্যান্সের বিচারে সংস্থাটির একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল তালিকাটি তৈরি করেছিল। পরে গত ৭ই জানুয়ারি ১১ জনের মধ্যে থেকে তালিকাটি তিন জনে নামিয়ে আনা হয়। বর্ষসেরা হওয়ার দৌড়ে মেসি-লেভানদোভস্কির সঙ্গে ছিলেন লিভারপুলের মিশরীয় ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ সালাহ। জাতীয় দলের হয়ে তেমন কোনো অর্জন না থাকলেও ক্লাব ফুটবলে অনন্য ছিলেন লেভানদোভস্কি। বায়ার্ন মিউনিখের জার্সিতে গত মৌসুমে বুন্দেসলিগা জয়ের পথে এক আসরে সর্বোচ্চ ৪১ গোলের রেকর্ড গড়েন এই স্ট্রাইকার। ২০২০ সালের ৮ই অক্টোবর থেকে ২০২১ সালের ৭ই আগস্ট পর্যন্ত বিবেচিত সময়ে মুলারের রেকর্ড ভাঙেন লেভানদোভস্কি। বুন্দেসলিগায় মুলারের এক আসরে সবচেয়ে বেশি ৪০ গোলের রেকর্ডটি টিকে ছিল ৪৯ বছর। গত মে মাসে ওই রেকর্ড নিজের করে নেন পোলিশ স্ট্রাইকার। জুরিখের অনুষ্ঠানে উঠে আসে কিংবদন্তি মুলারের রেকর্ড ভাঙার প্রসঙ্গ। লেভানদোভস্কি বলেন, ‘সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। এই ট্রফি জিততে পেরে খুবই সম্মানিত এবং গর্ব অনুভব করছি। আমি জানি, এই ট্রফি আমাদের সতীর্থ এবং কোচদেরও; জয়ের জন্য আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করেছি। চার পাশে থাকা এই মানুষদের নিয়ে কাজ করাটা বিশেষ কিছু।’ লেভানদোভস্কি বলেন, ‘আমি কখনো জার্ড মুলারের রেকর্ড ভাঙার স্বপ্ন দেখিনি। ২৯ ম্যাচে ৪১ গোল... যদি কয়েক বছর আগে আমাকে কেউ জিজ্ঞেস করত সম্ভব কিনা, আমি বলতাম অসম্ভব। আমার কাছে সবসময় পরের পদক্ষেপটা এমন যে, চেষ্টা করতে হবে এবং রেকর্ড ভাঙতে হবে।’ বছরের শেষ দিকে মুলারের আরেকটি রেকর্ড ভাঙেন লেভানদোভস্কি। গত ডিসেম্বরে বুন্দেসলিগায় এক পঞ্জিকাবর্ষে মুলারের ১৯৭২ সালে গড়া সর্বোচ্চ ৪২ গোলের রেকর্ড ভাঙেন তিনি। কদিন আগে জার্মানির শীর্ষ লীগে ৩০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন লেভানদোভস্কি।
দ্য বেস্টের ট্রফি নিয়ে নিজের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে একটি পোস্ট করেন লেভানদোভস্কি। তিনি লিখেছেন, ‘ফিফার  দ্য বেস্ট নির্বাচিত হওয়া অনেক সম্মান এবং আনন্দের। ভোট এবং সমর্থনের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।’
২০২১ সালে লিওনেল মেসি কাটিয়েছেন স্বপ্নে মোড়ানো বছর। বার্সেলোনা চেনাছন্দে না থাকলেও মেসি ছিলেন আপন আলোয় উদ্ভাসিত। লা লিগায় সর্বোচ্চ ৩০ গোল করে রেকর্ড অষ্টমবারের মতো জেতেন পিচিচি ট্রফি। আর কোপা দেল রের ফাইনালে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের বিপক্ষে ৪-০ ব্যবধানে জয়ে জোড়া গোল করেন তিনি। জাতীয় দলের জার্সিতে মেসি পেয়েছেন প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপার স্বাদ। ব্রাজিলকে হারিয়ে ২৮ বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়ে মেসিরা কুড়ান কোপা আমেরিকা শিরোপা। আসরে মেসি নিজে চার গোল করার সঙ্গে সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন পাঁচটি (অ্যাসিস্ট)।

নারী ফুটবলে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন বার্সেলোনার হয়ে গতবারের চ্যাম্পিয়নস লীগ ও লা লিগা জয়ী স্প্যানিশ মিডফিল্ডার অ্যালেক্সিয়া পুতেলাস। সেরা হওয়ার লড়াইয়ে তিনি পেছনে ফেলেন ক্লাব সতীর্থ ও স্বদেশি জেনিফার এরমোসো এবং চেলসির হয়ে সুপার লীগ ও লীগ কাপ জয়ী অস্ট্রেলিয়ান ফরোয়ার্ড সামান্তা কারকে।
বর্ষসেরা একাদশ
গোলরক্ষক: জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা (ইতালি)
রক্ষণভাগ: ডেভিড আলাবা (অস্ট্রিয়া), রুবেন দিয়াস (পর্তুগাল), লিওনার্দো বোনুচ্চি (ইতালি)
মাঝমাঠ: জর্জিনিও (ইতালি), এনগোলো কান্তে (ফ্রান্স), কেভিন ডি ব্রুইনা, বেলজিয়াম)
আক্রমণভাগ: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা), ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল), আর্লিং হলান্দ (নরওয়ে), রবার্ট লেভানডোভস্কি  (পোল্যান্ড)
এবারের পুরস্কার
দ্য বেস্ট (পুরুষ খেলোয়াড়): রবার্ট লেভারদোভস্কি
দ্য বেস্ট (নারী খেলোয়াড়): আলেক্সিয়া পুতেলাস
ফিফা ফ্যান অ্যাওয়ার্ড: ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ডের ফ্যান
দ্য বেস্ট কোচ (পুরুষ): টমাস টুকেল
দ্য বেস্ট কোচ (নারী): এমা হায়েস
ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ড: ডেনমার্ক দল ও স্টাফ
পুসকাস অ্যাওয়ার্ড: এরিক লামেলা
সেরা গোলরক্ষক (পুরুষ): এডুয়ার্ড মেন্ডি
সেরা গোলরক্ষক (নারী): ক্রিস্টিয়ান এন্ডলার
বিশেষ পুরস্কার: ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
বিশেষ পুরস্কার: ক্রিস্টিন সিনক্লেয়ার
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর