× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২৯ মে ২০২২, রবিবার , ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৭ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

সরকারের এলপিজি গ্যাসের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত মানছেন না চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে
১৯ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার

গত বছরের শেষের দিকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস(এলপিজি)-এর সিলিন্ডারের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। পরে চলতি বছরের ৩রা জানুয়ারি সন্ধ্যা থেকে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির সিলিন্ডার প্রতি গ্যাসের দাম ৫০ টাকা কমানোর ঘোষণা দেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ফলে সেদিন থেকে এই সিলিন্ডার ১ হাজার ১৭৮ টাকা এমআরপিতে ভোক্তারা কিনতে পারার কথা। কিন্তু চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা এলাকায় সরকারের এই ঘোষণার পড়েনি কোনো প্রভাব। এখানে ঠিক আগের দামে সিলিন্ডার বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। আর এটা নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনেরও নেই কোনো তদারকি।
নগরীর কয়েকটি মার্কেটে ঘুরে দেখা যায় এই দৃশ্য। প্রায় সব জায়গায় ১২ কেজি এলপি গ্যাসের এই সিলিন্ডার ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
যার মধ্যে টোটাল-বেক্সিমকো বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ২৭০ টাকায়। ইউনি, ফ্রেশ, পদ্মা, সুপার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ১৮০ থেকে ১ হাজার ১৯০ টাকার মধ্যে। ১২ কেজির সিলিন্ডার ছাড়াও সাড়ে ৫ কেজি, ১৫ কেজি, ২০ কেজি, ৩০ কেজি, ৪৫ কেজির দামও আনুপাতিক হারে বেশি টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
গত রোববার বিকালে নগরীর কালামিয়া বাজার সৈয়দ শাহ্‌ রোড এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে আসা গৃহিণী রহিমা ফেরদৌস বলেন, শুনেছি সিলিন্ডারের দাম কমেছে। তাই ভেবেছিলাম আজ হয়তো কিছুটা কমে কিনতে পারবো। কিন্তু বাজারে দেখলাম আগের পরিস্থিতি এখনো বিদ্যমান। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দোকানদার আবু নঈম বলেন, ডিলারদের দরটা পাইকারি। কিন্তু আমরা খুচরা বিক্রি করি। সে কারণে পাইকারি কিনে বিক্রি করতে গেলে দামের একটু পরিবর্তন হয়। আমাদের পরিবহন খরচ থেকে শুরু করে আরও অন্যান্য খরচ আছে। তাই আমরাই যখন ১ হাজার ১৭০-৮০ টাকায় কিনছি, তখন এ দামে ভোক্তাকে দেয়া সম্ভব নয়।
নগরীর মোমিন রোড এলাকার দস্তগীর হোটেলের ব্যবস্থাপক জানান, আজকেও এলপি গ্যাস কিনেছি জেএমএল। তবে দাম ধরেছে ১ হাজার ১৯০ টাকা। আমি ১ হাজার ১৮০ টাকা দিয়েছি। সরকার দাম কমালেও বাজারে তা এখনো কমায়নি দোকানিরা।
এনায়েত বাজার সড়কের দোকানদার খাজা ট্রেডিংয়ের কর্মচারী নাজমুল হোসেন নীরব বলেন, সরকার দাম নির্ধারণ করে দিলে কি হবে? কোম্পানি দাম না কমালে আমরা কীভাবে কমাবো। আমরা তো অতিরিক্ত লাভ করছি না। তবে কেনা দাম থেকে দোকানভাড়া আর লেবার খরচ বাদ দিয়ে সামান্য লাভে বিক্রি করছি।
রিয়াজুদ্দিন বাজারের পরিবেশক আরিফ ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারি নাসির উদ্দিন বলেন, আমরা পাইকারি হিসেবে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে ১ হাজার ১৮০ টাকায় গ্যাস বিক্রি করছি। খুচরা বিক্রেতারা কতো টাকায় বিক্রি করছে তা জানি না, সেটা আমাদের জানার দরকারও নেই। কোম্পানি মূল্য থেকে আমরা ১০ টাকার বেশি লাভ করতে পারি না। তবে কিছু কিছু এলপি গ্যাস আমাদের কেনা পড়ে ১ হাজার ৮০ টাকায় যা খুচরা বিক্রেতারা সরকারি মূল্যে চাইলে অনায়াসে বিক্রি করতে পারেন।                                                                                                                                                                     
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান বলেন, আমরা বাজার মনিটরিং করছি। সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে যদি কেউ বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করে তাহলে এর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
MR. MANIK BISWAS
১৯ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার, ৮:৪৭

IS SO VERY BAD

Spaider man
১৮ জানুয়ারি ২০২২, মঙ্গলবার, ১২:২৭

সিলেটেও গতকাল কয়েকটা দোকান গুরে ১২০০ টাকায় কিনে আনতে হয়েছে

অন্যান্য খবর