× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ১৭ মে ২০২২, মঙ্গলবার , ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৫ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনশনরত শিক্ষার্থীরা, হাসপাতালে ১৬ জন

অনলাইন

শাবি প্রতিনিধি
(৩ মাস আগে) জানুয়ারি ২২, ২০২২, শনিবার, ৩:০৩ অপরাহ্ন

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনশনরত শিক্ষার্থীদের অবস্থা ভালো নেই, বেশির ভাগের অবস্থাই মরণাপন্ন। স্বাস্থ্যের মারাত্মক অবনতি ঘটায় কিছু শিক্ষার্থীকে অনশন ভাঙার পরামর্শ দিয়েছেন ডাক্তার। এখন পর্যন্ত সিলেটের তিনটি হাসপাতালে মোট ১৬ জন গুরুতর অসুস্থ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া ভিসির বাসভবনের সামনে অবস্থানরত সাতজনের অবস্থাও ভালো নেই বলে জানিয়েছেন দায়িত্বরত সিওমেক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. নাজমুল হাসান। তিনি বলেন, শ্বাসকষ্টের কারণে দুইজন শিক্ষার্থীকে নেবুলাইজার দেয়া হচ্ছে, জ্বরের কারণে একজনকে এন্টিবায়োটিক দেয়া হচ্ছে।

এছাড়া নরমাল ডায়েটের বাইরে তারা প্রায় চারদিন ধরে অনশন পালন করছেন। তাই তাদের শারীরিক সমস্যা হচ্ছে এবং আইভি স্যালাইন দিয়ে তাদের পুষ্টি দেয়া হচ্ছে। এদিকে ডায়াবেটিসের কারণে একজনকে নিয়ে ভয় ছিল, এখন সে মোটামুটি ভালো আছে।

এদিকে দুপুর ১টায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন অনশনরত শিক্ষার্থীরা।
এ সময় হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে ফিরে আসা কাজল দাশ বক্তব্য রাখেন। ভিসির পদত্যাগ পর্যন্ত তিনি অনশন চালিয়ে যাবেন বলে জানান। এসময় শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকদের বলেন, সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. শিশির চক্রবর্তী জানিয়েছেন, নিশাত নামে অনশনরত শিক্ষার্থীকে যদি মুখে কিছু না খাওয়ানো হয় তাহলে তার খারাপ কিছু হতে পারে। ডাক্তাররা আরও জানিয়েছেন, তার সারারাত হাত-পা কাঁপছিল ও খিচুনি ছিল। শনিবার সকালে তার ইসিজি ও এক্স-রে করানো হয়েছে।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে বাকি শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার অবনতির কথার তুলে ধরা হয়। কিন্তু কেউই অনশন ভাঙতে রাজি হচ্ছে না।
এদিকে অসুস্থতার লিস্ট দীর্ঘ হচ্ছে। একের পর এক শিক্ষার্থীকে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হচ্ছে।

ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে অনশনের ২৩ শিক্ষার্থীর মধ্য থেকে ১৬ শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হলে তাদেরকে সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এছাড়া বাকি ৭ জন ভিসির বাস ভবনের সামনেই অনশন করছেন।

গত বুধবার বিকেল ৩টা থেকে ২৪ শিক্ষার্থী অনশন শুরু করলেও এক শিক্ষার্থীর বাবা হার্ট অ্যাটাক করায় অনশন ছেড়ে তিনি বাড়ি চলে যান। এখন ২৩ জন শিক্ষার্থী হাসপাতাল ও ক্যাম্পাসে অনশন করছেন।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির পদত্যাগের বিষয়ে অনশনের চতুর্থ দিনে ৭২ ঘন্টা চললেও কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

এদিকে শুক্রবার বিকেলে ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবির বিষয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করতে শিক্ষামন্ত্রী মোবাইলে কথা বলেন এবং ঢাকায় আমন্ত্রণ জানান কিন্তু শিক্ষার্থীরা মন্ত্রীকে সিলেটে কিংবা অনলাইনে মিটিং করার করা কথা বলেন। এদিকে শিক্ষকদের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি শিক্ষামন্ত্রীর সাথে মিটিং এর জন্য ঢাকায় অবস্থান করছেন।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর