× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২১ মে ২০২২, শনিবার , ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৯ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

তথ্য প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে সোনালী ব্যাংকের সেবা

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার
২৪ জানুয়ারি ২০২২, সোমবার

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক কন্টাকলেস ব্যাংকিং তথা ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের অনেক দূর এগিয়েছে। গত দুই বছর বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে বাসায় বসে প্রান্তিক মানুষের ব্যাংকিংয়ে সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক অন্যান্য সরকারি ব্যাংকের তুলনায় এগিয়ে। জানা গেছে, সোনালী ব্যাংকের বর্তমান সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আতাউর রহমান প্রধান ২০১৯ সালে রাষ্ট্রায়ত্ত এই ব্যাংকটিতে যোগদান করার পর থেকে বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা চালু করার উদ্যোগ নেন। এর ফলে ঘরে বসেই বিভিন্ন সেবা পাচ্ছে লাখো কোটি গ্রাহক। বর্তমানে দেশের এই ব্যাংকটির মোট ১২২৭টি শাখাই অনলাইন ব্যাংকিংয়ের আওতায়। দেশের বৃহত্তম এই ব্যাংকটিকে একটি আদর্শ ডিজিটাল ব্যাংক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি ২০২০ সালের মার্চ মাসে সোনালী ই-সেবা অ্যাপ চালু করেন। বর্তমানে সোনালী ব্যাংকের এই অ্যাপস চালুর পর থেকে চলতি মাসের জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৯৯,০৩৩টি হিসাব খোলা হয়েছে। এছাড়া ২০২০ সালের ১৭ই মার্চ চালু করা হয় সোনালী ই-ওয়ালেট।
যার মোট হিসাব সংখ্যা ১,৩৭,০৮১টি। বর্তমানে সরকারি এই ব্যাংকে ছোটখাট ট্রান্সজেকশন করতে এবং হিসাব খুলতে গ্রাহকদের আর ব্যাংকে আসতে হয় না। সোনালী ব্যাংকের ব্লেজ অ্যাপ ব্যবহার করে প্রবাসী গ্রাহকেরা তাদের কস্টার্জিত অর্থ মাত্র ৫ সেকেন্ডের মধ্যে তাদের হিসাবে জমা করতে পারেন। দেশের সবচেয়ে বড় এই ব্যাংকের সবগুলো শাখা এখন অনলাইন। এই ব্যাংকের আইটি খাতের নিরবচ্ছিন্ন সার্ভিস দিতে ৩০১ জন কর্মী নিয়োজিত রয়েছে। সোনালী ই-ওয়ালেটের মাধ্যমে গড়ে প্রতিদিন ৬,০০০টি ট্রানজেকশন হচ্ছে। ব্যাংকটির ডিজিটিালাইজেশন সম্পর্কে সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আতাউর রহমান বলেন, বিশ্বে পেপারলেস ব্যাংকিং একটি জনপ্রিয় ধারণা। বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই। বর্তমানে সব মানুষই স্মার্টফোন আর ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। এই করোনাকালীন ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের ফলে গ্রাহকরা ঘরে বসেই সব ধরনের সেবা পাচ্ছেন, বিশেষ করে বয়োঃবৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধা, সিনিয়র সিটিজেনগণ যারা সরকারি এই ব্যাংক থেকে ভাতা নেন তাদের জন্য এটি একটি নিরাপদ মাধ্যম। তিনি বলেন, সময় এখন ভার্চ্যুয়াল অ্যান্ড স্মার্ট ব্যাংকিংয়ের। কোর ব্যাংকিং সলিউশনের মাধ্যমে এখন নন-স্টপ ব্যাংকিং সার্ভিস দিচ্ছে সোনালী ব্যাংক। অনলাইন ব্যাংকিং সফটওয়্যার যুগোপযোগী করে আমরা ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছি। অচিরেই সরকারি সব ভাতাসমূহ আমরা ডিজিটালি প্রদান করবো। এছাড়া অচিরেই ইন্টারনেট ও এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করবো বৃহত্তর পরিসরে। গতবছর সোনালী ব্যাংক শুধু সেবা নয় মুনাফায় ও শীর্ষে ছিল। সরকারের সামাজিক খাতের ৩৭টি সেবা সোনালী ব্যাংক দিচ্ছে কোনো রকম কমিশন ছাড়াই। সোনালী ব্যাংকের চিফ ইনফরমেশন টেকনোলজি অফিসার মোহাম্মদ রেজওয়ান আল বখতিয়ার বলেন, ভার্চ্যুয়াল ব্যাংকিংয়ে গ্রাহকরা নিরবচ্ছিন্ন ২৪ ঘণ্টা ব্যাংকিং সেবা পাচ্ছেন। তাদের গচ্ছিত অর্থের নিরাপত্তা নিশ্বিতকরণে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। এজন্য সবার আগে গ্রাহকের সঞ্চিত অর্থের নিরাপত্তা দিতে আমাদের আইটি সিকিউরিটি বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, সোনালী ব্যাংকের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড বর্তমানে খুবই জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। আর এই কার্ড ব্যবহার করে দেশের যেকোনো ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারেন গ্রাহকরা।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর