× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২৯ মে ২০২২, রবিবার , ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৭ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

আন্দোলন চালিয়ে যেতে শাবি শিক্ষার্থীদের শপথ

অনলাইন

শাবি প্রতিনিধি
(৪ মাস আগে) জানুয়ারি ২৫, ২০২২, মঙ্গলবার, ৭:১৮ অপরাহ্ন

ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যেতে শপথ গ্রহণ করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে এই শপথ পাঠ করেন মোহাইমিনুল বাশার রাজ। এ সময় শিক্ষার্থীরা তার সাথে সাথে শপথ পাঠ করেন।

শপথ হিসেবে তারা বলেন, আমি শপথ করছি যে, স্বৈরাচারী ফরিদ উদ্দিনের পদত্যাগের আগ পর্যন্ত আমরা আমাদের দাবি আদায়ের লড়াই অব্যাহত রাখবো। অনশনরত ভাই বোনদের এতদিনের অকুতোভয় সংগ্রামের অনুপ্রেরণা বুকে ধারণ করে আরও দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে আমরা আমাদের সংগ্রাম চালিয়ে যাবো। তবে এই দুর্বিষহ যন্ত্রণা আমরা বৃথা যেতে দিবো না। দিন হউক রাত হউক আমরা এই আন্দোলনের মাঠ ছেড়ে যাবো না, আমরা আমাদের একদফা দাবি আদায় করেই তবে ঘরে ফিরবে।

শপথ বাক্য পাঠ করার পর শিক্ষার্থীরা তাদের অনশনরতদের অনশন ভাঙ্গানোর জন্য আসেন। এ সময় সবাই সম্মিলিতভাবে অনশনরত শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙ্গার জন্য অনুরোধ করেন এবং অনশনরতদের উপস্থিত শিক্ষার্থীরা জানান দাবি আদায়ের আন্দোলন চালিয়ে যাবে কিন্তু শারীরিক অবস্থার বিষয় বিবেচনা করে তারা যেন অনশন ভাঙ্গেন। পরবর্তীতে অনশনরতরা অন্যান্য শিক্ষার্থীদের কাছে কিছু সময় চান।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অনশন ভাঙার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানা যায়নি।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
grt
২৬ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার, ১২:০৬

জনস্রোতে নৌকা ভাসতে পারে আবার ডুবতেও পারে। এই ভিসি নৌকার ১২ টা বাজাবে।

S I Khan
২৫ জানুয়ারি ২০২২, মঙ্গলবার, ৯:২৯

Yar, Aaza!

আবুল কাসেম
২৫ জানুয়ারি ২০২২, মঙ্গলবার, ৬:৪৩

সময়ের কঠিন এক সন্ধিক্ষণে ছাত্রীদের আন্দোলন। নির্দোষ আন্দোলনের মধ্যে অনৈতিকতা, অপবিত্রতা ও অন্তর্ঘাতের দোহাই দিয়ে আন্দোলন দমন করার অজুহাত খোঁজা হতে পারে। সামান্য রকম পদস্খলনের ফলে আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার জন্য যথেষ্ট। সুতরাং, ধৈর্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। কষ্টের পর কষ্ট, দুঃখের পর দুঃখ এবং আঘাতও আসতে পারে নতুনরূপে অন্য কোনো অজুহাতে। তাই অত্যন্ত সতর্ক ও সাবধান থাকতে হবে। ধৈর্যের পরে যেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তা হচ্ছে সবাইকে শীশাঢালা প্রাচীরের অটুট বন্ধনের মতো ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আর পিতৃতুল্য শিক্ষকদের সঙ্গে মর্যাদা রক্ষা করতে হবে । তোমাদের সকলের জীবনে সেকেন্ড ডিফারেন্সিয়াল নেগেটিভ হোক।

আবুল কাসেম
২৫ জানুয়ারি ২০২২, মঙ্গলবার, ৬:৩৫

সময়ের কঠিন এক সন্ধিক্ষণে ছাত্রীদের আন্দোলন। নির্দোষ আন্দোলনের মধ্যে অনৈতিকতা, অপবিত্রতা ও অন্তর্ঘাতের দোহাই দিয়ে আন্দোলন দমন করার অজুহাত খোঁজা হতে পারে। সামান্য রকম পদস্খলনের ফলে আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার জন্য যথেষ্ট। সুতরাং, ধৈর্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। কষ্টের পর কষ্ট, দুঃখের পর দুঃখ এবং আঘাতও আসতে পারে নতুনরূপে অন্য কোনো অজুহাতে। তাই অত্যন্ত সতর্ক ও সাবধান থাকতে হবে। ধৈর্যের পরে যেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তা হচ্ছে সবাইকে শীশাঢালা প্রাচীরের অটুট বন্ধনের মতো ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তোমাদের সকলের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির পাঠ্য বইয়ে কবি হরিশচন্দ্র মিত্রের 'বড় কে' কবিতাটি শিশু ছাত্র ছাত্রীদের পড়ানো হয়। "আপনারে বড় বলে, বড় সেই নয়/ লোকে যারে বড় বলে বড় সেই হয়। বড় হওয়া সংসারেতে কঠিন ব্যাপার সংসারে সে বড় হয়, বড় গুণ যার। গুণেতে হইলে বড়, বড় বলে সবে বড় যদি হতে চাও, ছোট হও তবে।" কবি সত্যিই বলেছেন বড়ো হওয়ার জন্য বড়ো গুণ থাকতে হয় এবং বড়ো হওয়ার জন্য ছোটোও হতে হয়। ছোটো হওয়া মানে বিনয়ী হওয়া। সহিষ্ণুতা, উদারতা ও বদান্যতা- এগুলো বড়ো গুণ। এসব গুণের বদৌলতে শত্রুরও মন জয় করা সম্ভব। ছাত্র ছাত্রী ও শিক্ষকের মধ্যে তো পিতা পুত্র ও কন্যার সম্পর্ক। সামান্য পারষ্পরিক শ্রদ্ধাবোধ দিয়ে এ সম্পর্ক আরো নিবিড় হওয়া সম্ভব। কিন্তু, যেখানে অহংবোধ দৃঢ়ভাবে শেকড় গেড়েছে সেখানে মধুর সম্পর্কেও পাটল ধরে। তিক্ততা বাড়ে। ইগো মানুষের বহু সদগুণ বিনষ্ট করে দেয় আগুনে পুড়ে চারখার করে দেওয়ার মতো করে। আসলে এটি একটি শয়তানি প্ররোচনা। ইবলিশ মানুষের প্রকাশ্য ও চিরশত্রু। সে দুষ্ট প্রেরণা ও উস্কানি দিয়ে মানুষের পারষ্পরিক সদ্বভাব বিনষ্ট করে দেয়। এজন্য একজন মুমিন-মানুষকে সবসময় শয়তানের প্রেরণা থেকে সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে হয়। কিভাবে আশ্রয় চাইতে হয় তাও আল্লাহ তায়ালা শিখিয়ে দিয়েছেন। তিনি ইরশাদ করেন, "বলো আমি আশ্রয় চাচ্ছি মানুষের রব, মানুষের বাদশাহ, মানুষের প্রকৃত মাবুদের কাছে, এমন প্ররোচনাদানকারীর অনিষ্ট থেকে, যে বারবার ফিরে আসে, যে মানুষের মনে প্ররোচনা দিয়ে থাকে, সে জ্বিনের মধ্য থেকে হোক অথবা মানুষের মধ্য থেকে।" সূরা নাস, আয়াতঃ১-৫। শয়তান এসেছে জ্বিন জাতির মধ্য থেকে। কিন্তু, মানুষের মধ্যেও এমন কিছু বদ স্বভাবের লোক আছে যারা মনুষ্য সমাজে শয়তানের স্থলাভিষিক্ত। তারা মানুষের পরষ্পরের মধ্যে কূট কথা চালাচালি করে মানুষের পরষ্পরের ভালোবাসা ও মধুর সম্পর্ক বিষাক্ত করে তোলে। এদের থেকেও সাবধান থাকতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে হয়। শিক্ষকগণ পিতৃতুল্য।ছাত্র ছাত্রীরা সন্তানতুল্য। সন্তান বড়ো হলে পিতামাতারা তাদের গায়ে হাত তোলা থেকে বিরত থাকেন। তাই শিক্ষকগণের উচিত হয়নি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসা ছাত্র ছাত্রীদের গায়ে পুলিশ দিয়ে হাত তোলা। ছাত্র ছাত্রীদেরও মনে রাখতে হবে পিতৃতুল্য শিক্ষকেরা অতীব শ্রদ্ধাভাজন। তাদের সম্পর্কের অবনতি যেখানে এসে ঠেকেছে তা পুনরুদ্ধারের পথে বড়ো বাধা হচ্ছে ইগো বা অহংবোধ। ছাত্র ছাত্রীরা যেহেতু সন্তানের মতো সর্বপ্রথম তাদেরকে ইগো পরিত্যগ করতে হবে। শিক্ষকদের সঙ্গে তারা আলোচনার জন্য যেতে পারে। শিক্ষকরা তাদেরকে সাদরে গ্রহণ করতে পারেন। ভিসি কোনো স্থায়ী পদ নয়। সরকারের উচিত স্বসম্মানে তাঁকে সরিয়ে নিয়ে আসা। মনে রাখতে হবে পিতৃতুল্য শিক্ষকদের সম্মান হানি করলে একদিন তাদেরও এই অবস্থার মুখোমুখি হতে হবে নির্ঘাত। ভিসি ও শিক্ষকদের উচিত গোয়ার্তুমি পরিহার করা। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে সরকার কৌশলে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমন করতে চায়। গোয়েন্দাদের দিয়ে বহিরাগতের অনুসন্ধান করা হচ্ছে এবং অন্তর্ঘাতমূলক কিছু হয় কিনা সেই অপেক্ষায় আছে সরকার। কিছু একটার গন্ধ পেলেই পেয়ে যাবে উছিলা। শুরু হবে দমনপীড়ন। এসব বাঁকা পথে যাওয়ার দরকার হয়না যদি পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পারষ্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকে। পিতৃতুল্য শিক্ষক ও সন্তানতুল্য ছাত্র ছাত্রীর সম্পর্ক পারষ্পরিক শ্রদ্ধাবোধের কারণেই স্বাভাবিক হওয়ার আশাবাদী। সেকেন্ড ডিফারেন্সিয়াল নেগেটিভ হোক।

অন্যান্য খবর