× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২০ মে ২০২২, শুক্রবার , ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৮ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

নানামুখী চাপ বন্ধ খাবারের দোকান, চিকিৎসা

প্রথম পাতা

ওয়েছ খছরু ও আরাফ আহমদ, সিলেট থেকে
২৬ জানুয়ারি ২০২২, বুধবার

১৩ দিনের লাগাতার আন্দোলন। এক সপ্তাহ ধরে আমরণ অনশন। একেক করে অসুস্থ সবাই। এম্বুলেন্সে যাচ্ছেন হাসপাতালে। একটু সুস্থ হয়ে আসছেন। ফের অনশনে বসছেন। পরিবারও তাদের নিয়ে উৎকণ্ঠায়। এরপরও নড়ছেন না ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।
কোনো সাড়া নেই। শুরু হয়েছে নানামুখী চাপ। মেডিকেল টিমও সরে গেছে। ক্যাম্পাসজুড়ে ভয় আর আতঙ্ক। এই অবস্থায় অনশন শিক্ষার্থীদের নিয়ে টেনশনে সবাই। বলা হচ্ছে; আবেগী আন্দোলন। কিন্তু যৌক্তিক। মন মানলো না আন্দোলনে থাকা সহকর্মীদের। অবশেষে সন্ধ্যায় তারা গিয়ে ঘিরে রাখলেন অনশনে থাকা শিক্ষার্থীদের। ফের নিলেন আন্দোলনের শপথ। শপথে বললেন; ভিসির অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। এতে অংশ নিলেন অনশনরত শিক্ষার্থীরাও। এরপরই এলো আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অনুরোধ। অনশন ভাঙার অনুরোধ। বললেন- ‘আপনাদের জীবন বিপন্ন। সবাই অসুস্থ। কিছুই খাচ্ছেন না। আপনাদের এই অবস্থা আমরা আর দেখতে পারছি না। আপনাদের জীবন নিয়ে আমাদের শঙ্কা। এই ভিসি সরছে না। হাজার ভিসি আসবে। কিন্তু জীবন আগে। জীবন না বাঁচলে আন্দোলন করে কী লাভ। কথা দিচ্ছি; আমরা আন্দোলন থেকে সরবো না। ক্যাম্পাসেই থাকবো। ভিসির পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত সরবো না। ক্যাম্পাসের অনশনস্থলে আবেগী পরিবেশ। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন অনশনে থাকা শিক্ষার্থীরা। একে অপরকে গলায় জড়িয়ে কাঁদলেন। সহকর্মীরাও কাঁদছেন। একটু সময় চাইলেন অনশনরতরা। বললেন- একটু ভাবতে দিন। আমরা জানাচ্ছি। চোখ দিয়ে জল ঝরছে। একদিকে পরিবারের চাপ। অন্যদিকে- ক্যাম্পাসেও নানামুখী চাপ। সকাল থেকে টং দোকান বন্ধ। মেডিকেল টিমও আসছে না। হাসপাতাল থেকে আসছে না সুখবর। ওখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও চলছে অনশন। সাবেক বড় ভাইদের পাঠানো টাকা আসছে না। ৬টি মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট বন্ধ। ৫ সাবেক বড় ভাই পুলিশের কব্জায়। ঢাকা থেকে সিআইডি তাদের ধরেছে। ক্যাম্পাসের পাশের জালালাবাদ থানায় রাখা হয়েছে। এত চাপে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন বলে জানালেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। কী হবে, কী হচ্ছে- অজানা আতঙ্ক গ্রাস করেছে তাদের। ক্যাম্পাসের বাইরে থেকে পিতা-মাতার আকুতি। এই অবস্থায় রাত ৮টা পর্যন্ত ছিল টানা অপেক্ষা। মঙ্গলবার রাত থেকেই বদলে যায় পরিবেশ। অদৃশ্য চাপে কাবু শিক্ষার্থীরা। মুখে কিছু না বললেও কর্মকাণ্ডে মনে হলো শিক্ষার্থীরা পিছু হটেছে। নিজ থেকেই ভিসির বাসভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করলেন। ভিসি আলোকিত হলেন। রাতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ হলো। মশাল মিছিল করে হলে ফিরলেন শিক্ষার্থীরা। সকাল হতেই ভিন্ন পরিবেশ। ক্যাম্পাসে নাস্তা কিংবা হালকা খাবারের টং দোকান বন্ধ। সব টংয়ের দরোজা বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েন শিক্ষার্থীরা। দু’দিন ধরে টং বন্ধের খবর আসছিলো। অবশেষে সত্য হলো সেই খবর। অনশনস্থলে অপেক্ষায় রয়েছেন সবাই। মেডিকেল টিম আসবে। কিন্তু আসলো না। অনশনরতরা বিনা চিকিৎসায়ই রইলেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ কেউ সেলাইন পুশ করে রাখলেন। তবে কেউ হাসপাতালে গেলেন না। সবাই দিনভর অনশনস্থলেই শুয়ে-বসে থাকলেন। কঠিন পরিবেশ। কী করবেন। বুঝে আসছে না। এই অবস্থায় দুপুরের দিকে অনশনস্থলের পাশে গেল গণফোরামের প্রতিনিধি দল। সিলেট-২ আসনের এমপি মোকাব্বির খানের নেতৃত্বে গণফোরাম নেতারা যাওয়ার পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এক পর্যায়ে ফোন দেন গণফোরাম সভাপতি ও প্রখ্যাত আইনজীবী ড. কামাল হোসেনও। ফোন ধরে কামাল হোসেন মোবাইলের লাউডে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কথা বলেন। এরপর মোকাব্বির খান এমপি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের যৌক্তিকতা রয়েছে। তারা তাদের দাবি আদায়ে অনশন ও আন্দোলন করছে। কিন্তু এই আন্দোলনকে নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়। আর এ আন্দোলনের সঙ্গে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই। সুতরাং এ ব্যাপারে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। পরে তিনি অনশনে থাকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তাকে অনুরোধ করে বলা হয়- কোনো রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে অনশনরতরা কথা বলেননি। এ কারণে তাদের চলে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। এদিকে- এমপি মোকাব্বির খান চলে আসার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. তুলশী কুমার দাশের নেতৃত্বে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধিদল অনশনস্থলে আসেন। এ সময় তারা শিক্ষার্থীদের ব্যারিকেডের মুখে আটকা পড়েন শিক্ষক সমিতির নেতারা। প্রায় আধা ঘণ্টা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন শিক্ষক সমিতির নেতারা। এতে শিক্ষার্থীদের নানা প্রশ্নবাণে জর্জরিত হন শিক্ষকরা। শিক্ষার্থীরা জানায়, আমরা পুলিশের হাতে মার খেলাম। নির্যাতিত হলাম। অথচ আপনারা আমাদের অভিভাবক থাকার পরও বিচার পেলাম না। আপনারা এসেও দেখলেন না। যখন আমরা আন্দোলনে গেলাম তখনও দেখলেন না। অনশনে বসার পরও আসলেন না। এখন ভিসির জন্য খাবার নিয়ে এসেছেন। এ সময় আমাদের জন্য খাবার নিয়ে এসেছেন। শিক্ষার্থীরা জানায়, এই ভিসির অধীনে আমরা নিরাপদ নই। ভিসি কাম্পাসে থাকলে নানা ঘটনা ঘটাবে। শিক্ষার্থীদের কথার ফাঁকে ফাঁকে জবাব দিচ্ছিলেন শিক্ষক সমিতির নেতারাও। জানালেন; যা ঘটেছে অবশ্যই বিচার হতে হবে। তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। এ কমিটির রিপোর্টের আলোকে বিচার হবে। আলোচনার মাধ্যমে সব সম্ভব হবে। এজন্য খোলা মাঠে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য আহ্বান জানান শিক্ষক নেতৃবৃন্দ। এদিকে শিক্ষক সমিতির নেতাদের খাবার নিয়ে ভিসির বাসভবনের ভেতরে যেতে দেয়নি শিক্ষার্থীরা। এক পর্যায়ে পুলিশের মারফতে ওই খাবার ভেতরে পাঠানো হয়। পরে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. তুলশী কুমার দাশ জানিয়েছেন- আমরা শিক্ষার্থীদের জীবন নিয়ে শঙ্কিত। ওরা আমাদের সন্তান। ওদের কিছু হলে আমরাও নিজেদের ক্ষমা করতে পারবো না। কিন্তু ঘটনার তদন্ত হওয়ার প্রয়োজন। তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচার করা হবে। আমরা শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। এখন আসলে বিষয়টি আর ক্যাম্পাসে নেই। উচ্চ পর্যায়ে চলে গেছে। ভিসি নিজেও বলেছেন; সরকার বললে তিনি পদত্যাগ করবেন। সুতরাং তিনি নিজ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না। সুতরাং সার্বিক বিষয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান তিনি। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার পর ভিসির বাসভবনের সামনে থেকে চলে যান শিক্ষক সমিতির নেতারা। এদিকে- শাবি’র আন্দোলনের অর্থ যোগানদাতা হিসেবে সাবেক ৫ শিক্ষার্থীকে আটকের পর গতকাল সন্ধ্যায় সিলেটের জালালাবাদ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে সিআইডি। তাদের বিরুদ্ধে রাত ৯টা পর্যন্ত কোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আটককৃতরা হচ্ছে- হাবিবুর রহমান খান, রেজানুর মুইন, এএসএম নাজমুল সাকিব, একেএম মারুফ হোসেন, ফয়সল আহমদ। তাদেরকে ঢাকা সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে আটক করা হয়। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি আজবাহার আলী শেখ শাবি ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের কাছে জানিয়েছেন- আটককৃতদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা এই ক্যাম্পাসের সাবেক ছাত্র। আন্দোলনে অর্থের যোগানদাতা হিসেবে মনে করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। এদিকে- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি আওয়ামী লীগের তরফ থেকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দলের  কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা, কার্যনির্বাহী সদস্য আজিজুস সামাদ ডন, শিক্ষা বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল সিলেট এসে দফায় দফায় জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকে করেছেন।  বৈঠকে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এড. নাসির উদ্দিন খান, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির  হোসেন, সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজ, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি কিশোয়ার জাহান সৌরভ, সাধারণ সম্পাদক নাইম আহমদসহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও  কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল শাবি’র শিক্ষক সমিতির সঙ্গে বৈঠক করেছে বলে জানা গেছে। আওয়ামী লীগের তরফ থেকে বিষয়টির যৌক্তিক সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের এক নেতা। তবে- এতে যেনো শিক্ষার্থীদের কোনো ক্ষতি না হয় সেদিকে সবচেয়ে বেশি নজর দেয়া হচ্ছে। এদিকে সিলেটবাসীর ঐতিহ্য ও গর্বের স্মারক প্রতিষ্ঠান শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট অবিলম্বে নিরসন করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন সিলেটের অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন সচেতন সিলেটবাসীর নেতৃবৃন্দ। সংকট নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে যে দূরত্ব সৃষ্টি করছে তা নতুন প্রজন্মের জন্য এক কলংকজনক অধ্যায়ের সূচনা করবে বলেও মন্তব্য করেন তারা। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ছাড় দেয়ার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান তারা। এক বিবৃতিতে সচেতন সিলেটবাসীর সভাপতি সিলেট সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি বলেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সিলেটবাসীর আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। এর সঙ্গে সিলেটবাসীর ঐতিহ্য জড়িয়ে আছে। কিন্তু সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে সংকটের সৃষ্টি হয়ে সেটা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ১০ হাজারের অধিক শিক্ষার্থীর অভিভাবকমণ্ডলী ও গোটা সিলেটবাসী চরম উদ্বিগ্ন। একদিকে ভিসির পদত্যাগের একদফা দাবিতে আন্দোলন ও অনশন অপরদিকে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের নীরবতায় চলমান সংকট ক্রমশই দীর্ঘায়িত হচ্ছে। এই অবস্থা চলতে দেয়া যায় না। আন্দোলনের শুরুতে শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির অভিভাবকসুলভ আচরণ সিলেটবাসীর প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু শিক্ষার্থীদের প্রতি তার এমন আচরণে আমরা বিস্মিত ও মর্মাহত হয়েছি।

ছাত্রদলের প্রতীকী অনশন: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে ও তাদের দাবি-দাওয়া পূরণে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে ছাত্রদলের  কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেট নগরীর  চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দিনব্যাপী প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেছে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদল। বিকালে মহানগর বিএনপি’র সদস্য সচিব মিফতাহ সিদ্দিকী পানি পান করিয়ে নেতাকর্মীদের অনশন ভাঙান। অনশন কর্মসূচিটি সিলেট জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমনের সভাপতিত্বে ও মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক হোসাইন আহমদের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন  জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আব্দুল হাসিব, তানভীর আহমদ চৌধুরী, এড.সুহেদুল ইসলাম, জুনেদ আহমদ চৌধুরী, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল ইসলাম,  জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ফাহিম রহমান  মৌসুম, সদরুল ইসলাম লোকমান, এলিন শেখ, তাজুল ইসলাম সাজু, মো. আব্দুল্লাহ, আজহার আলী অনিক, নজরুল ইসলাম সুমন, দেবাশীষ দাস গুপ্ত,  জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক খালেদুর রহমান সানি, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আবুবক্কর ছিদ্দিক প্রমুখ।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর