× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ২২ মে ২০২২, রবিবার , ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২০ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

চট্টগ্রামে ২০ বছর পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আটক

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে
২৯ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় আলোচিত ব্যবসায়ী জানে আলম ও তার ছোট ভাই হত্যা মামলার ২০ বছর ধরে উদ্বাস্তু ও দারোয়ানের ছদ্মবেশে পলাতক মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত আসামি সৈয়দ আহমেদকে আটক করেছে র‌্যাব। বৃহস্পতিবার নগরের আকবর শাহ থানা এলাকা থেকে র‌্যাব-৭ এর একটি টিম তাকে গ্রেপ্তার করে।  সৈয়দ আহমদ (৬০) লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ এলাকার মৃত ইয়াকুব মিয়ার পুত্র র‌্যাব জানায়, জানে আলম নিহত হওয়ার চার মাস আগে ২০০১ সালের ৯ই নভেম্বর তার ছোট ভাই খুন হয়। ওই মামলার দুই নম্বর আসামি ছিলেন সৈয়দ আহমেদ। প্রথম হত্যাকাণ্ডের পর সৈয়দ আহম্মেদ বাঁশখালী বিভিন্ন ডাকাত দলের সঙ্গে সমুদ্র পাড়ি দেন। সেখান থেকে এসে ব্যবসায়ী জানে আলমকে হত্যা করেন। এরপর চার থেকে পাঁচ বছর তার পরিবার এবং আত্মীয়স্বজন ছেড়ে বাঁশখালী, আনোয়ারা, কতুবদিয়ায় ও পেকুয়ায়ার সাগর উপকূলবর্তী এলাকায় বসবাস শুরু করেন। পরে তিনি সীতাকুণ্ড এলাকায় উদ্বাস্তু হিসেবে বসবাস করেন।
র?্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ বলেন, পলাতক থাকাকালীন সময় আসামি সৈয়দ আহম্মেদ ভুয়া ঠিকানায় দুটি ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র বানিয়ে ফেলে এবং তার পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখে। যার কারণে তাকে কোনোভাবেই ব্যবসায়ী জানে আলমের হত্যা মামলার আসামি বলে শনাক্ত করা যাচ্ছিল না।
পরে র?্যাবের বিশেষ তৎপরতায় গত বৃহস্পতিবার তাকে আটক করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০০২ সালের ৩০শে মার্চ আদালতে সাক্ষী দেয়ার সময় পূর্বশত্রুতার জের ধরে স্থানীয় সৈয়দ বাহিনীর লোকজন জানে আলমকে তার এক বছরের সন্তানের সামনে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় জানে আলমের বড় ছেলে মো. তজবিরুল আলম বাদী হয়ে লোহাগাড়া থানায় ২১ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলাটির বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০০৭ সালের ২৪শে জুলাই সৈয়দ আহমেদসহ ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, আটজনকে যাবজ্জীবন দেন আদালত। পরে আসামিরা উচ্চ আদালতে আপিল করলে সেখানে সৈয়দ আহমেদসহ ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন আদালত।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর