× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিমত-মতান্তরবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে কলকাতা কথকতাসেরা চিঠিইতিহাস থেকেঅর্থনীতি
ঢাকা, ১৮ মে ২০২২, বুধবার , ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৬ শওয়াল ১৪৪৩ হিঃ

কোন অজুহাত নয়, স্কুল খুলে দেয়ার আহ্বান ইউনিসেফের

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(৩ মাস আগে) জানুয়ারি ২৯, ২০২২, শনিবার, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন

কোন অজুহাত নয়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল খুলে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইউনিসেফ। শুক্রবার ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান। বিবৃতিতে তিনি বলেন, স্কুল খোলা রাখুন। স্কুলগুলো পুরোপুরি বা আংশিক বন্ধ থাকার কারণে বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৬১ কোটি ৬০ লাখ শিশু ক্ষতিগ্রস্ত। কোভিড-১৯-এর ওমিক্রন ধরনটি সারা বিশ্বে যখন ছড়িয়ে পড়ছে, এটি যাতে শিশুদের পড়াশোনাকে ব্যাহত করতে না পারে, সে জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে আমরা সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানাই।

পড়াশোনার ক্ষেত্রে বিপর্যয় এড়াতে এবং শিশুদের তাদের শেখার পথে ফিরিয়ে আনতে ইউনিসেফ কিছু সুপারিশও করেছে। এগুলো হলো-

* শিক্ষক ও স্কুলকর্মীদের অবিলম্বে টিকা দিতে হবে। প্রথম সারির স্বাস্থ্যকর্মী ও উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীকে কোভিড-১৯-এর টিকাদানের পরপরই এই টিকা প্রদানের ক্ষেত্রে শিক্ষক ও স্কুলকর্মীদের সম্পূর্ণরূপে সমর্থন ও অগ্রাধিকার দেয়া উচিত।

* স্কুল খোলা রাখুন। স্কুলগুলো পুরোপুরি বা আংশিক বন্ধ থাকার কারণে বর্তমানে প্রায় ৬১ কোটি ৬০ লাখ শিশু ক্ষতিগ্রস্ত।
আমরা জানি, কোভিড-১৯ ঝুঁকি প্রশমনের ব্যবস্থাগুলোই স্কুলগুলোকে খোলা রাখতে সাহায্য করে। আমরা আরও জানি, ডিজিটাল সংযুক্তির পেছনে বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পারলেই কোনো শিশু পেছনে পড়ে থাকবে না। প্রতিটি শিশুকে স্কুলে ফিরিয়ে আনতে আমাদের জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিটি কমিউনিটির প্রান্তিক শিশুদের ওপর বিশেষ লক্ষ্য রেখে কিছু বিষয়ে বিস্তৃত সহায়তা প্রদান করা। যেমন শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের ঘাটতি পূরণে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া, মানসিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টিসহায়তা, সুরক্ষা ও অন্যান্য পরিষেবা প্রদান।

* অগ্রাধিকারপ্রাপ্য জনগোষ্ঠীকে পুরোপুরি সুরক্ষিত করার পর এবং টিকার যথেষ্ট প্রাপ্তি নিশ্চিত হলে ইউনিসেফ শিশুদের টিকাদানকে সমর্থন করে। সশরীরে স্কুলে যাওয়ার জন্য টিকাদানকে পূর্বশর্ত করবেন না। কোভিড-১৯ টিকা প্রাপ্তি সাপেক্ষে সশরীরে স্কুলে যাওয়ার শর্ত আরোপ করলে তা শিশুদের শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ না পাওয়া এবং ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে ফেলে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সুপারিশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইউনিসেফ শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের টিকাদান ছাড়াই স্কুলগুলো খোলা রাখার এবং কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ কৌশল যাতে পড়াশোনা ও সামাজিক জীবনের অন্যান্য দিকে শিশুদের অংশগ্রহণকে সহজতর করে, তা নিশ্চিত করার সুপারিশ করে।

* সংকটময় পরিস্থিতিতে সব সময় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বজুড়ে শিক্ষাব্যবস্থায় যে নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে, তা আমরা স্বীকার করি। তবে এ ক্ষেত্রে ঝুঁকি খুবই বেশি। শিশুদের স্কুলে রাখার জন্য সম্মিলিতভাবে আমাদের পক্ষে সম্ভব সবকিছু করতে হবে।

এর আগে ইউনিসেফ এক বিবৃতিতে বলেছে, করোনাভাইরাস মহামারিতে দেড় বছরের বেশি সময় স্কুল বন্ধ থাকায় বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ শিশুর পড়াশোনা ব্যাহত হয়েছে। ইউনিসেফের এক জরিপ করে বলছে, মহামারিকালে বিশ্বজুড়ে স্কুল সম্পূর্ণ বা আংশিক বন্ধ থাকার কারণে ৬৩ কোটি ৫০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মহামারির কারণে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ ছিল বাংলাদেশে। দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে খোলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এবার করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার ফলে সরকার নতুন করে ২৩শে জানুয়ারি থেকে ৬ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্কুল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
ক্ষুদিরাম
২৯ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার, ২:৫২

রাস্ট্রবিরোধীরা জানে যে এদেশের শিক্ষা ব্যাবস্থাকে ধ্বংস করতে পারলে রাস্ট্রকেই ধ্বংস করা যাবে। আর তাই গার্মেন্টস চলবে, শিল্প কারখানা চলবে, হাট বাজার চলবে, সরকারি মিছিল মিটিং সেমিনার চলবে এমনকি বিপিএল ও চলবে ! শুধু চলবেনা স্কুল, কলেজ আর মাদ্রাসা !! এখনও যদি জাতি চুপ থাকে তাহলে নিজের পায়ে নয় বরং নিজের গলায় কূড়াল মারতে যেন জাতি প্রস্তুতি নেয়। আগেও বহুবার লিখেছি এখনও লিখছি অনেকটা মানবজমিন ছেপেছে অনেকটা তাবেদারি করার কারনে(যদিও তাদের স্লোগান কারো তাবেদারি করিনা !) ছাপেনি। কিন্তু লিখেই যাব সে সত্য কথা ছাপুক বা না ছাপুক। করোনা কিছুইনা। করোনা শুধুই আতঙ্ক, এর বাইরে করোনার তেমন কোনই অস্তিত্ব নেই। করোনায় ক্ষতি তেমন কিছুই করতে পারেনা। কিন্তু করোনার নামে আতঙ্ক ছড়িয়ে আমাদের শেষ করে দেয়া হচ্ছে। এই শেষ সময় এখনই তথাকথিত করোনা আতংকের বিরুদ্ধে প্রতিরোঢ গরে তুলুন নয়তো কেও নিরাপদ থাকবেন না। সবাইকেই ফার্মের মূর্গী বানিয়ে রাখা হবে করোনা আতঙ্ক দিয়ে !!

Nilima
২৯ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার, ১:৩৩

শিক্ষা মন্ত্রী বলছিলেন যে দুই ডোজ ভেক্সিন না দিলে স্কুল যাওয়া যাবে না| বাস্তবে দুই ডোজ ভেক্সিন দেওয়ার পর দিন থেকেই স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে, আর কত! স্কুলগুলো খুলে দিন প্লিজ| প্রতিদিন রোড এক্সিডেন্টে করোনার চাইতেও বেশী মানুষ মারা যায় রোড এক্সিডেন্টে তাই বলে কি গাড়ী চলাচল আপনারা বন্ধ রেখেছেন| আমাদের সন্তান দের জীবনটা নস্ট করে দিবেন না|

Nilima
২৮ জানুয়ারি ২০২২, শুক্রবার, ১১:৩৫

শিক্ষা মন্ত্রী বলছিলেন যে দুই ডোজ ভেক্সিন না দিলে স্কুল যাওয়া যাবে না| বাস্তবে দুই ডোজ ভেক্সিন দেওয়ার পর দিন থেকেই স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে, আর কত! স্কুলগুলো খুলে দিন প্লিজ| প্রতিদিন রোড এক্সিডেন্টে করোনার চাইতেও বেশী মানুষ মারা যায় রোড এক্সিডেন্টে তাই বলে কি গাড়ী চলাচল আপনারা বন্ধ রেখেছেন| আমাদের সন্তান দের জীবনটা নস্ট করে দিবেন না|

আবুল কাসেম
২৮ জানুয়ারি ২০২২, শুক্রবার, ১০:২৬

শিক্ষার ওপর আঘাত জাতিকে পিছনে ঠেলে দেবে। করোনার তাণ্ডবের জন্য স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা নিদারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। তা না করে আবার বন্ধ করা হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া হয়েছে। এখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার কোনো যুক্তি নেই।

অন্যান্য খবর