× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৭ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার

সোনারগাঁয়ে গণধর্ষণ গ্রেপ্তার হয়নি ২ আসামি

বাংলারজমিন

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি | ১০ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৮:৫৫

সোনারগাঁয়ে নারী পোশাক শ্রমিককে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের ঘটনায় ৫ আসামি গ্রেপ্তার হওয়ার পর ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বাকি ২ আসামি এখনো রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। এদিকে আটককৃত ৫ আসামিকে গতকাল দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ফাহমিদা খাতুনের আদালতে হাজির করলে আদালত প্রত্যেক আসামিকে তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অপরদিকে ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন বলে জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত রবিন ট্রেক্স গার্মেন্টে ফোল্ডিংম্যান হিসেবে কর্মরত ধর্ষিতা নারী শ্রমিক প্রতিদিন বাড়ি থেকে আসা যাওয়া করে কাজ করতো। গত সোমবার সন্ধ্যায় গার্মেন্ট ছুটি হলে বাড়ি (গাউছিয়া) যাওয়ার জন্য একটি সিএনজিতে ওঠেন। সিএনজিটি গাউছিয়া পৌঁছলে সে গাড়ি থেকে নামতে চাইলে ধর্ষক জাহাঙ্গীর বাধা দিয়ে সিএনজির ড্রাইভারকে সোনারগাঁয়ের তালতলার দিকে আসতে বলে। এসময় ধর্ষক জাহাঙ্গীর (ধর্ষিতার) মুখে স্কচটেপ দিয়ে মুখ বন্ধ করে রাত সাড়ে ৭ টার দিকে ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের জনৈক আবদুল হালিম মিয়ার দো-চালা টিনের ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে ৭ জন মিলে পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে।
ধর্ষিতা আরো জানান, প্রথমে আবু সাইদ ও পর্যায়ক্রমে ইমরান, রনি মিয়া, আবুল হোসেন, আরিফ, মাসুম ও জাহাঙ্গীর পালাক্রমে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে রাত ৩ টার দিকে বাড়ির মালিক হালিম বাহির থেকে ঘরে এসে ঘটনাটি দেখে বাঁধা দিলে ধর্ষকরা জোর করে আমাকে অন্যস্থানে নিয়ে যেতে চেষ্টা করে। এ সময় আশেপাশের লোকজন তালতলা ফাঁড়ি পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আমাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর