× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার
জাবি’র আন্দোলনে

একজন শারমিন

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, জাবি থেকে | ৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৯:০৬

চোখে আলো নেই শারমিন আক্তারের। তবে মনের আলোতে আলোকিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় বর্ষের এই শিক্ষার্থী। থাকেন প্রীতিলতা হলে। সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ছাত্রী শারমিনকে চলতে হয় অন্যের সহযোগিতায়। তবে থেমে যাবার পাত্র নন শারমিন। নিজের জীবনকে চালিয়ে নিচ্ছেন অন্য আর দশজনের মতোই। সেই মনের শক্তিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। অন্য সবার মতো স্লোগান তুলেছেন মুখে।


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি ফারজানা ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত ক্যাম্পাস। মিছিলের সামনে থাকা মেয়েটিই হলো এই শারমিন। অদম্য শক্তিতে এগিয়ে চলছেন। শারমিন বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন আমাদের দীর্ঘ আড়াই মাসের। গত পরশুদিন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলা করে। এরপর থেকেই সাধারণ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে আন্দোলনকে আরও জোরালো করি। তিনি আরো বলেন, প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও আমাকে আন্দোলনে আসতে হয়েছে। আমার চোখে আলো নেই তবে আমার বিবেক জাগ্রত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি রক্ষায় আসা উচিত মনে হয়েছে তাই এসেছি। শারমিন বলেন, ভিসির পদত্যাগ ও দুর্নীতির বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। এই আন্দোলন ক্যাম্পাসকে বাঁচানোর আন্দোলন। আমাদের যে অনৈতিকভাবে হল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এই সিদ্ধান্ত আমরা মানি না। অনতিবিলম্বে আমাদের হল গুলো খুলে দিতে হবে। আন্দোলনে আসার ক্ষেত্রে কেউ তাকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেনি। তবে অনেকেই নিরুৎসাহিত করেছেন। তাদের কথা- তুমি তো চোখে দেখোনা আন্দোলনে তোমার কোন ক্ষতি হলে সেই দায় কে নেবে।
শারমিন বলেন, ছাত্রলীগের হামলার দিন আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম না। আমি হলে ছিলাম। হামলার কথা শুনে আমি আর বসে থাকতে পারিনি। চলে এসেছি আন্দোলনে। আমার পরিবার আন্দোলনে অংশগ্রহণের বিষয়টি জানে। আমি এমন একটি পরিবারের মেয়ে যারা সব সময় অন্যায়ের প্রতিবাদ করে এসেছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর