× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২০ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার

লীগ মাঠে গড়াচ্ছে, এতেই খুশি তারা

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার
৩ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার

বেশ কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশের ফুটবলের বড় বিজ্ঞাপন নারী ফুটবল। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) সারা বছর প্রায় অর্ধশত মেয়েকে ক্যাম্পে রেখে অনুশীলন করিয়েছে। তার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবলের বয়সভিত্তিক আসরগুলোতে। সাম্প্রতিক ফুটবলে এএফসি ও সাফের বয়সভিত্তিক বিভিন্ন টুর্নামেন্টের বেশ কয়েকটির ট্রফিও ঘরে তুলেছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দাপুটে পদচারণা থাকলেও বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবল বন্ধ ছিল দীর্ঘ দিন। মেয়েদের লীগ হারিয়ে গিয়েছিল বাফুফের ক্যালেন্ডার থেকে। দীর্ঘদিন পর হলেও আবার মাঠে গড়াতে যাচ্ছে মেয়েদের লীগ। আগামী ৩১শে জানুয়ারি কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে শুরু হবে ৬ দলের লীগ।
দীর্ঘ বিরতির পর শুরু হতে যাওয়া এই লীগ নিয়ে দারুণ উৎফুল্ল নারী ফুটবলাররা। পারিশ্রমিক ও দলের সংখ্যা যাই হোক লীগে খেলতে পারলেই খুশি তারা।
মেয়েদের সর্বশেষ লীগ হয়েছিল ২০১৩ সালে। এবারের প্রিমিয়ার লীগে খেলবে বসুন্ধরা কিংস, সাবেক দুই চ্যাম্পিয়ন শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ও শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র, এএফসি উত্তর বঙ্গ, বেগম আনোয়ারা স্পোর্টিং ক্লাব ও নাসরিন স্পোর্টস ক্লাব। বসুন্ধরা কিংস, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল এরইমধ্যে দলও গড়ে ফেলেছে। দীর্ঘদিন পর লীগ শুরু হওয়ায় নারী ফুটবলাররা বেজায় খুশি। পারিশ্রমিকের অঙ্কটাও মন্দ নয়। বেশি বাজেটের দল গড়ছে বসুন্ধরা কিংস ও শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র। তারা চুক্তিবদ্ধ করেছে বাফুফে ক্যাম্পে বছরব্যাপী অনুশীলন করা মেয়েদের। জানা গেছে, জাতীয় অনূর্ধ্ব-১৬ দলের বেশিরভাগ ফুটবলারের সঙ্গে কথা পাকা করেছে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র। আর বসুন্ধরা কিংসে আছে জাতীয় দলের বেশিরভাগ খেলোয়াড়। জাতীয় দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন খেলবেন বসুন্ধরা কিংসে। আগামী ১১ থেকে ২৬শে জানুয়ারি হবে দলবদল। সাবিনাই হতে যাচ্ছেন নারী ফুটবল লীগের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া ফুটবলার। বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে ৫ লাখ টাকায় চুক্তি হয়েছে তার। সর্বশেষ ছয় বছর আগে অনুষ্ঠিত লীগে মোহামেডানে খেলেছিলেন সাবিনা। এসএ গেমস, সাফ ফুটবল, এএফসি টুর্নামেন্ট মিলে ৫০টির বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন সাবিনা। দেশসেরা স্ট্রাইকার বলেন, ‘এবারের লীগে ভালো লড়াই হবে। আমরা অনেক ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। এটা মেয়েদের ফুটবলের জন্য সুখবর।’ বসুন্ধরায় যাচ্ছেন জাতীয় দলের মিডফিল্ডার কৃষ্ণা রানী সরকার ও স্ট্রাইকার তহুরা খাতুন এবং সানজিদা, মসুরা পারভীন, আঁখি খাতুন, মৌসুমী, শিউলি আজিম, লিপি, শামসুন্নাহার (সিনিয়র) ও মাইনু মারমা। কিংসের গোলবারের নিচে দেখা যাবে জাতীয় দলে খেলা সাবিনা আক্তার এবং মাহমুদাকে। অনূর্ধ্ব-১৬ দলের অধিনায়ক মারিয়া মান্ডা, মিডফিল্ডার মনিকা চাকমা, নাজমা, সামসুন্নাহার (জুনিয়র), জাতীয় দলের গোলরক্ষক রুপনা চাকমা ও সাজেদাদের দেখা যাবে শেখ রাসেলের জার্সি গায়ে। বাকিরা গড়পড়তা দল  গড়েছে বলে জানা গেছে। তাদের বাজেটও কম। তবে এ নিয়ে মোটেও আক্ষেপ নেই অন্যদের। নারী ফুটবলাররা বলেন, আগে লীগটা শুরু হোক। নিয়মিত লীগ হলে ক্লাব বাড়বে। ক্লাবের সংখ্যা বাড়লে পারিশ্রমিকও বাড়বে বলে বিশ্বাস করেন তারা। জাতীয় দলের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের কণ্ঠেও একই কথা, ‘অনেকদিন পর লীগ হচ্ছে। এবার মেয়েরা আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি অনেক ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। এটা খুব ভালো ব্যাপার। ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে মেয়েদের পারিশ্রমিকও সামনে বাড়বে।’ ছয় দল নিয়ে  ডাবললীগ ভিত্তিতে হবে খেলা। তাতে প্রতিটি দল ১০টি করে ম্যাচ পাবে। এর পর সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল করা যায় কিনা তা নিয়েও ভাবছে বাফুফে। স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন বাফুফের মহিলা কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর