× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১ নভেম্বর ২০২০, রবিবার

ববি শিক্ষিকাকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করায় প্রতিবাদ

শিক্ষাঙ্গন

ববি প্রতিনিধি | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার, ১:৫৪

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষককে বিশেষ সুবিধা দিয়ে প্রমোশন ব্যবস্থাসহ নানা ধরণের অবমাননাকর স্ট্যাটাস ও সংবাদ পরিবেশন করায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ।

আজ ১৫ই সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার বেলা ১২ ঘটিকায় এক ভার্চ্যুয়াল প্রতিবাদে গণস্বাক্ষরের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক শিক্ষক।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি চলমান থাকলেও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কিছু শিক্ষকের পদোন্নতির বিষয়টি আটকে দীর্ঘদিন ধরে। এমতাবস্থায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমান ভিসি প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন সিনিয়র শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা ও  যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতির প্রক্রিয়ার অংশবিশেষ লোকপ্রশাসন বিভাগের প্রভাষক হোসনেয়ারা ডালিয়া কে পদোন্নতি দেয়ার জন্য বোর্ড বসানো হয় যার চারকিকালের বয়স পাঁচ বছর পাঁচ মাস। যার মাধ্যমে ঐ বিভাগের আরো দুই জন শিক্ষকের পদোন্নতির পথ সুগম হয়।

যদিও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে সকল বিভাগে বসানো হবে পদোন্নতি বোর্ড। তবুও কেন এই অবমাননাকর মন্তব্য তা নিয়ে অনুসন্ধানে পাওয়া যায় শিক্ষক শিক্ষকের মধ্যকার পূর্ব দ্বন্দ্ব যেখান থেকেই উৎপত্তি এই কটুক্তির।
 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হোসনেয়ারা ডালিয়া অাবেগঘন কন্ঠে জানান, " পদোন্নতিতে আবেদনকারীর মধ্যে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে আমিই সবচেয়ে সিনিয়র। আমি ক্লাসে শুধু মেয়েদেরকে পড়াই না বরং ছেলেদেরকেও পড়াই।  যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নারীদের সকল ক্ষেত্রে অংশগ্রহনের দিক দিয়ে এগিয়ে রাখছেন সেখানে আমাকে নারী শিক্ষক বলে আমার পেশাকে এবং  আমাকে সংকুচিত করা হচ্ছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক।"

অন্যদিক এ বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. মুহাসিন উদ্দিন বলেন, "আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় দেড় বছর ধরে প্রমোশন আটকে আছে যার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সকল বিভাগে প্রমোশন বোর্ড বসানো হবে। জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতেই লোকপ্রশাসন বিভাগের লেকচারার হোসনেয়ারা ডালিকা কে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। "

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের শিক্ষক নিয়োগ ও প্রমোশনের নীতিমালা অনুযায়ী কোনো লেকচারার তিন বছর সক্রিয়ভাবে চাকরি করলে তাকে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে প্রোমোশন দেয়া যেতে পারে যেখানে হোসনেয়ারা ডালিয়ার চাকরিকালের বয়স প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর। তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দাবি নিয়ম মেনেই ঐ শিক্ষককে দেয়া হয়েছে প্রমেশন এবং নেয়া হয়েছে অন্যান্য বিভাগের শিক্ষকদের প্রমোশনের উদ্যোগ।।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর