× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার

সময়মতো আমদানি করতে না পারলেই সুযোগ সৃষ্টি হয়- এম এম আকাশ

এক্সক্লুসিভ

তামান্না মোমিন খান | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৮:১০

অর্থনীতিবিদ ড. এম এম আকাশ বলেছেন- আমাদের পিয়াজের যে ঘাটতি রয়েছে তা পূরণ করতে মূলত ভারত থেকে পিয়াজ আমদানি করে থাকি। ভারত থেকে পিয়াজ আনার কিছু চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তি অনুযায়ী ট্রাকগুলো এসে সীমান্তে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু ভারত ছাড় দিচ্ছিল না। সেজন্য একটা সুযোগ পেয়ে দামটা বেড়েছে। এখন ট্রাকগুলো যদি ছেড়ে দিয়ে থাকে তাহলে সাপ্লাই হবে। তখন দাম কমবে। গত বছর এই সংকটটা প্রথমে হয়েছিল।
এই ধরনের সংকট হয়। কারণ পিয়াজ তো আমরা বাইরে থেকে আমদানি করি। এখন আমদানি না করলেই এটার দাম বাড়বে। গত বছর অভিযোগ ছিল আমদানি দেরিতে হয়েছে। দেরিতে হলেও পরে দাম কমেছে। আমদানির টাইমিংটা হচ্ছে এখানে গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো আমদানি করতে না পারলেই একটা সুযোগ সৃষ্টি হয়। এই সুযোগে অসৎ ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দেয়। তখন যদি দাম কমাতে চেষ্টা করেন প্রশাসনিক পথে তাহলে এটা সম্ভব না। এটা করতে গেলে পিয়াজ একদম আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যাবে। হয় টিসিবি’র কাছে প্রচুর পিয়াজ থাকতে হবে সেটা দিয়ে তারা মার্কেটকে নিয়ন্ত্রণ করবে অথবা আমদানিটা প্রপারলি করতে হবে। এইবারও একই ঘটনা ঘটেছে। পিয়াজের আমদানিটা যথাযথভাবে হয়নি। এখন দেখতে হবে যে, আমদানিটা প্রপারলি হচ্ছে না কেন? সেটা কি ভারতের দোষ নাকি আমাদের দোষ। গত বছর পিয়াজ নিয়ে সংকট সৃষ্টি হওয়ার পর এ বছর সংকট নিরসনে কেন আগে প্রস্তুতি নেয়া হয়নি- এমন প্রশ্নের জবাবে এম এম আকাশ বলেন- এটা তো আশা করা বৃথা। এই সরকারের মধ্যে আপনি আশা করতে পারেন না যে, গত বছরের শিক্ষা নিয়ে একটা পরিকল্পনা করে কার্যকরী করবে। আদেশ দিলেও কার্যকর হবে না- বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন অবহেলার কারণে। আবার বিভিন্ন স্তরে অবহেলা না হলেও ভারত যদি সহযোগিতা না করে তাহলেও কার্যকরী হবে না। এখানে দে আর টুইস্ট অ্যান্ড স্লিপস বিটুইন কাপ অ্যান্ড লিপস্‌ (তারা পেঁচিয়ে গেছে এবং কাপ এবং ঠোঁটের মাঝে পিছলে গেছে)। পিয়াজের সংকট কাটাতে হয় আমাদের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে, না হলে আমদানি বাড়াতে হবে। ভারত ছাড়াও পিয়াজ আমদানিতে আমাদের অল্টারনেটিভ চ্যানেল খোলা রাখা দরকার ছিল। তারপরও পিয়াজের কেজি হতো সত্তর টাকা। কারণ মালয়েশিয়া থেকে পিয়াজ আমদানি করলে যে দাম পড়বে ভারত থেকে আমদানি করলে পরিবহন খরচ কম পড়বে। সুতরাং এটা একটা অবজেকটিভ সমস্যা। সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে সরবরাহ এবং চাহিদা আপনি ম্যাচ করাতে পারছেন না। এবং সাপ্লাইয়ে আপনি আন্তর্জাতিকভাবে নির্ভরশীল। সঠিক সময়ে আমদানি করতে না পারলেই এই সমস্যাটা হবে। সঠিক সময়ে আমদানি করতে যে বুদ্ধি বিবেচনা আর আন্তর্জাতিক কূটনীতি দরকার- সেটা আমাদের নেই।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর