× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২০ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার

পোশাক কারখানা নিয়ে অপপ্রচার ক্রেতারা বিব্রত

শেষের পাতা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, রবিবার, ৯:৩৬
ফাইল ফটো

এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ সোয়েটার কারখানা ড্রাগন সোয়েটারকে ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে দেশে-বিদেশে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ করা হয়েছে। জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশে ক্রেতাদের শোরুমের সামনে ব্যানার নিয়ে  অকারণে অপপ্রচার চালাচ্ছে কিছু নামধারী শ্রমিক সংগঠন। এতে ক্রেতা ও ব্র্যান্ডগুলো বিব্রত হচ্ছে। ফলে শুধু ড্রাগন সোয়েটার নয়, ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ব্যাপারে নেতিবাচক বার্তা যাচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ড্রাগন সোয়েটার ও শ্রমিকদের নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। বেতন নিয়ে শ্রমিকরা কোনো অভিযোগ দাঁড় করাতে পারেনি। তবুও অহেতুক ঝাড়ু মিছিল করা হয়েছে। নিয়মিত বেতন-ভাতাও পাচ্ছেন শ্রমিকরা। এমনকি করোনাকালে কারখানা ৩ মাস বন্ধ রাখা হলেও নিয়মিত বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে।
এর পরও একটি শ্রমিক সংগঠনের উসকানিতে কিছু শ্রমিক-কর্মচারী কারখানা বন্ধ করে দেয়ার অপচেষ্টা করছে।
ড্রাগন সোয়েটারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস বলেন, কারখানা পরিচালনায় কোনোরকম অনিয়ম নেই। যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি উৎপাদন হচ্ছে। তিনি বলেন, নিতান্ত ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। কোনো সমস্যা থাকলে বিক্ষুব্ধদের আদালতের আশ্রয় নেয়ার সুযোগ থাকার পরও বিদেশে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এর অর্থ হচ্ছে, এটি দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারী।
জার্মানির হামবুর্গসহ বেশকিছু জায়গায় সমপ্রতি ড্রাগন সোয়েটারের একটি ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ১৮ শোরুমের সামনে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় কয়েকটি শ্রমিক সংগঠনের কর্মীরা। কয়েকটি ব্যানারে লেখা ছিল- ‘হামবুর্গ থেকে ঢাকা: ড্রাগন সোয়েটারের শ্রমিকদের সঙ্গে সংহতি’।
বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস বলেন, এশিয়ায় সোয়েটারের সবচেয়ে বড় কারখানা হচ্ছে ড্রাগন সোয়েটার। প্রায় সব দেশের বড় ব্র্যান্ডগুলো তাদের ক্রেতা। এ কারণে ষড়যন্ত্র হয়ে থাকতে পারে। ইউরোপভিত্তিক স্থানীয় পোশাক কারখানা ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে দেশের কয়েকটি শ্রমিক সংগঠন এ ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত বলে তার দাবি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর