× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার

জেসিসি বৈঠকে সীমান্ত হত্যা ও পিয়াজ নিয়ে জোরালো ভূমিকা রাখার পরামর্শ

দেশ বিদেশ

সংসদ রিপোর্টার | ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৯:৩০

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মন্ত্রী পর্যায়ের যৌথ পরামর্শক কমিশনের (জেসিসি) বৈঠকে সীমান্ত হত্যা ও পিয়াজ রপ্তানি বন্ধের বিষয়ে জোরালো বক্তব্য উত্থাপনের পরামর্শ দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। কমিটির বৈঠকে পিয়াজের মতো ছোট বিষয়ে সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। গতকাল সংসদ সচিবালয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে জানানো হয়, আগামী ২৯শে সেপ্টেম্বর জেসিসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। কমিটি ওই বৈঠকে দু’টি বিষয়ে আলোচনা করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছে। ওই প্রতিবেদন নিয়ে সংসদীয় কমিটি আবারো এই ইস্যুতে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বিষয়ে কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খান সাংবাদিকদের জানান, ভারত আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র। কিন্তু কিছু কর্মকা-ের জন্য সম্পর্ক নষ্ট হচ্ছে।
এত কষ্ট করে সম্পর্ক উন্নয়ন করি, আর ছোট্ট পিয়াজের জন্য সম্পর্ক নষ্ট হয়। এর কারণে জনমনে বিরূপ প্রভাব পড়ে। হঠাৎ পিয়াজ বন্ধ করে দিয়ে পরে দুঃখ প্রকাশ করাটা অনাকাক্সিক্ষত। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হওয়া জরুরি। এ ছাড়া সীমান্তে হত্যা বন্ধে বাংলাদেশকে জোরালো পদক্ষেপ নিতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। এদিকে সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ ও নিকট প্রতিবেশী দেশসমূহের সঙ্গে বর্তমান সম্পর্কের চ্যালেঞ্জসমূহ চিহ্নিত করে পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সম্পর্ক উন্নয়নের প্রক্রিয়া জোরদার করণে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বাণিজ্য সম্প্রসারণে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দলের নিয়মিত বৈঠক আয়োজন, স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ ও শীর্ষ পর্যায়ে মতামত বিনিময় করার সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়াও, বিজিবি ও বিএসএফ দুই পক্ষই সীমান্ত দুর্ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন বলে বৈঠকে জানানো হয়। বৈঠকে জানানো হয়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। অতি শিগগিরই খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে। বৈঠকে জানানো হয় যে, বন্ধুপ্রতিম যে সব দেশ কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছে ও সফলভাবে পরীক্ষা চালিয়েছে, সে সব দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের দেশ পেয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্ট দেশসমূহ আশ্বস্ত করেছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশসমূহে বাংলাদেশি মিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। এ ছাড়া, আমাদের দেশে প্রতিষ্ঠিত ঔষধ প্রস্তুতকারী ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো যদি কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন আবিষ্কার ও পরীক্ষা চালিয়ে সফলতা অর্জন করে, তবে তাদের থেকেও সংগ্রহ করা যেতে পারে বলে কমিটি অভিমত ব্যক্ত করে। বৈঠকে আন্তর্জাতিক রীতি-নীতি অনুযায়ী কোন মন্ত্রণালয় বিদেশি কোন প্রতিষ্ঠান/দেশ হতে কোনো প্রকার গিফট/সম্মাননা/সাহায্য গ্রহণের পূর্বে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহিত পরামর্শ করতে সুপারিশ করা হয়।
 বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, নুরুল ইসলাম নাহিদ, গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স, মো. হাবিবে মিল্লাত, নাহিম রাজ্জাক, কাজী নাবিল আহমেদ ও নিজাম উদ্দিন জলিল ডন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর