× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২০ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার
ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরে

অন্তর্বাস চুরি করতে মেয়েদের হোস্টেলে, আপত্তিকর ভিডিও ধারণ

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার, ১১:০১

মেয়েদের অন্তর্বাস চুরি করতে তাদের হোস্টেলে গোপনে প্রবেশ করেছিল সিঙ্গাপুরের এক ছাত্র পাই শাও বো (২৫)। একবার দু’বার নয়, পাঁচ বার এ কাজ করেছে সে। এ ছাড়া তার কাছে পাওয়া গেছে আপত্তিকর কিছু ফিল্ম। ঘটনাটি ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের। গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে গোসল করার সময় নারীদের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করার অভিযোগ আনা হয়েছে ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে। এমন ভিডিও ধারণ করার অভিযোগ স্বীকার করেছে সে। অভিযুক্ত  যুবক এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্র পাই শাও বো। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে সোমবার।
এর মধ্যে অবৈধ উপায়ে মেয়েদের হোস্টেলে প্রবেশের ৫টি অভিযোগ আছে। অন্তর্বাস চুরির চারটি অভিযোগ আছে এবং আপত্তিকর ফিল্ম ধারণ করার একটি অভিযোগ আছে। এ খবর দিয়েছে সিঙ্গাপুরের অনলাইন দ্য স্ট্রেইটস টাইমস।
এতে বলা হয়, অভিযুক্ত পাই শাও বো সিঙ্গাপুরের নাগরিক। তার বয়স ২৫ বছর। সে মেয়েদের হোস্টেলের একটি রুমকে দু’বার টার্গেট করে। উদ্দেশ্য তাদের বক্ষবন্ধনী চুরি করা। এ জন্য ১৪ই জানুয়ারি ও ১৬ই জানুয়ারি সে ওই রুম টার্গেট করে সেখানে প্রবেশ করে। আবার ১৯ শে জানুয়ারি সেখান থেকে সরিয়ে নেয় আরো তিনটি অন্তর্বাস। ১৮ই জানুয়ারি সে আরেকটি রুমে অবৈধ উপায়ে প্রবেশ করে। এবারও তার টার্গেট অন্তর্বাস চুরি করা। ৭ ও ৯ই ফেব্রুয়ারি সে তৃতীয় একটি রুমে প্রবেশ করে মেয়েদের বক্ষবন্ধনী চুরি করতে। ৮ই ফেব্রুয়ারি সে প্রবেশ করে চতুর্থ আরেকটি রুমে। তবে ওই রুম থেকে সে কিছু সরিয়ে নিতে পেরেছে কিনা আদালতের ডকুমেন্টে তা উল্লেখ করা হয়নি।
পাই শাও বো এখনও ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আছে কিনা বা তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে কিনা- এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সোমবার রাতে দ্য স্ট্রেইটস টাইমসকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর যেকোনো অসদাচরণের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানে। যেহেতু এই ঘটনাটির বিচার হচ্ছে আদালতে, তাই এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আর কোনো মন্তব্য করবে না।
একই বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়ে শিক্ষার্থী বা নারীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে আরো কয়েকজন শিক্ষার্থীকে আদালতে তোলা হয়। এসব অভিযুক্তও ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তাদের একজন কোরিয়ার কিম দোহইয়াং (২২)। গত বছর ২১ শে মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্টুডেন্ট হাউজিং ইউনিটে এক নারীকে অপদস্ত করে সে। অন্যদিকে একজন নারীর মর্যাদাহানী করার অভিযোগ স্বীকার করেছে আরেক ছাত্র জুয়েল রাসিস ইসমাইল (২৭)। এমন তিন দফা অভিযোগ ও অবৈধভাবে প্রবেশের একদফা অভিযোগ স্বীকার করেছে সে। জুয়েল এবং কিমের বিরুদ্ধে মামলা এখন মুলতবি অবস্থায় আছে। অন্যদিকে পাই শাও বো ১৫ হাজার ডলারের বিনিমেয়ে জামিন পেয়েছে। এই মামলার শুনানি আগামী ১২ই অক্টোবর পর্যন্ত মুলতবি রাখা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর